1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

সরকারি ওষুধ জব্দের ঘটনায় চালকের বিরুদ্ধে মামলা

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ৯ Time View

 

মোঃ আব্দুর রহীম মিঞা,টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ

 

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেয়াদোত্তীর্ণ সরকারি ওষুধ জব্দের ঘটনায় পরিবহনকারী গাড়ির চালকের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের পর বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হলেও তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার আগেই চালককে আসামি করে মামলা দায়ের করায় বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠেছে।

ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল বাদী হয়ে গত ২৭ আগস্ট এ মামলা করেন। মামলায় আসমত নামের এক ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এজাহারে আরও কয়েকজন অজ্ঞাত ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৭ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের অব্যবহৃত একটি গোডাউন থেকে মালামাল নিয়ে একটি গাড়ি বের হয়। পরে গাড়িটি ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী এলাকায় পৌঁছালে স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে সেটি আটক করে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ গাড়িটি জব্দ করে এবং এর ভেতরে থাকা সরকারি ওষুধ উদ্ধার করে।

তবে উদ্ধার হওয়া ওষুধ কীভাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের গোডাউন থেকে বের হলো, কার নির্দেশে তা গাড়িতে তোলা হয়েছিল এবং এ প্রক্রিয়ায় অন্য কেউ জড়িত ছিল কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না।

ঘটনার পর তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির তদন্তের মাধ্যমে ওষুধ পরিবহনের অনুমোদন, সংরক্ষণ, হস্তান্তর এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করার কথা রয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদন দেওয়ার আগেই শুধু চালকের বিরুদ্ধে মামলা করার বিষয়ে জানতে চাইলে ঘাটাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের প্রধান কর্মকর্তা ডা. আবু নয়িম মোহাম্মদ সোহেল বলেন, “মালামালসহ তাকে আটক করেছে পুলিশ। সে কারণে প্রাথমিকভাবে তাকে দোষী মনে হয়েছে এবং প্রথমে তাকে আসামি করে এজাহার দেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর যারাই দোষী হোক না কেন, তাদের আইনের আওতায় এনে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি ওষুধের মতো গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ হাসপাতালের গুদাম থেকে কীভাবে বাইরে গেল, সেটি তদন্তের মাধ্যমে স্পষ্ট হওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে পরিবহনকারী চালকের পাশাপাশি ওষুধ হস্তান্তর, সংরক্ষণ ও পরিবহনের সঙ্গে যুক্ত অন্য কারও দায়িত্বে অবহেলা বা অনিয়ম ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা জরুরি।

এদিকে সরকারি ওষুধ জব্দের ঘটনায় সাধারণ মানুষের মধ্যেও নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কাউকে চূড়ান্তভাবে দায়ী করা সমীচীন নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনেই ঘটনার প্রকৃত কারণ ও দায়ীদের বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত সরকারি ওষুধের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তাই তদন্তটি নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করে প্রকৃত ঘটনা জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com