1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ব্রীজ আছে রাস্তা নেই উদ্বোধন করতে গিয়ে বিপাকে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী  ডাকাতি করা গরুর মাংস সরবরাহ হতো ঢাকার সুপারশপে হোসেনপুরে ভাঙা কালভার্টে জনদুর্ভোগ অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যকে ছুরিকাঘাত,জড়িতদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন বিজিবির অভিযানে যশোরে ১১ লাখ টাকার বিষাক্ত জেলি পুশ চিংড়ি জব্দ সরকারকে সাধুবাদ জানালেন জামায়াত আমির রায়গঞ্জে এজাহারভুক্ত আসামি গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৮০০ লিটার চোলাই মদ উদ্ধার, আটক ১ চলনবিল থেকে খোরাকির ধান নিয়ে ট্রাকে ফিরছেন শ্রমিকেরা তাড়াশ-রায়গঞ্জে মাদক নির্মূলে কঠোর অবস্থানের ঘোষণা ভিপি আয়নুল হক এমপি 

জলাবদ্ধতায় পানির নিচে ৩ হাজার বিঘা পাকা ধান, রায়গঞ্জে কৃষকদের আহাজারি

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ১৬ মে, ২০২৬
  • ১৭ Time View

 

 

 

শ্যামল হালদার,রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 

 

 

হঠাৎ ভারী বৃষ্টিতে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সোনাখাড়া ও ধুবিল ইউনিয়নের প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমির পাকা ধান জলাবদ্ধতার কারণে পানির নিচে তলিয়ে গেছে। দীর্ঘদিন ধরে পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় চরম ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। এতে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি লোকসানের আশঙ্কায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন তারা।

 

 

শনিবার (১৬ মে) সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার কলিয়া, শ্রীরামপুর, গোপালপুর, পশ্চিম আটঘরিয়া, গোপীনাথপুর, চকদাদপুর, বাশাইল, রাজাপুর ও বোয়াইল মৌজার বিস্তীর্ণ কৃষিজমিতে কৃত্রিম জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খননের কারণে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতি বছরই এ দুর্ভোগ বাড়ছে।

 

 

স্থানীয় কৃষক মঈনুল হক বলেন, “আমন মৌসুমে কোনো আবাদ করা যায় না। ইরি-বোরো চাষ করলেও শেষ পর্যন্ত ধান ঘরে তুলতে পারি না।”

 

আরেক কৃষক সাইফুল ইসলাম দুলাল জানান, “এক বিঘা জমির ধান কাটতে ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা পর্যন্ত শ্রমিক মজুরি দিতে হয়। পানিতে ধান পচে দুর্গন্ধ ছড়ায়। এ কারণে ধানের ব্যবসায়ীরাও ধান কিনতে চান না। বাধ্য হয়ে কম দামে ধান বিক্রি করতে হয়।”

 

 

 

দিনমজুর কালু সেখ বলেন, হাঁটুসমান পানিতে নেমে ধান কাটতে গিয়ে শ্রমিকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় জোতদার আব্দুল কুদ্দুস সরকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “অতি দ্রুত পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন নির্মাণ জরুরি। তা না হলে নতুন করে পুকুর খননের অনুমতি দেওয়া উচিত নয়।”

 

 

 

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম জানান , রায়গঞ্জ উপজেলায় যে সকল স্খানে বর্ষা মৌসুমে সেগুলো তালিকাভুক্ত করে উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে অবহিত করা হয়েছে এবং বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই সেই জায়গাগুলোতে পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করার অনুরোধ করেছেন। এছাড়াও বিষয়টি উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় উপজেলা কৃষি অফিসার জোড়ালো তুলে ধরেছেন।

 

 

৬৪,সিরাজগঞ্জ-৩ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য ভিপি মো. আয়নুল হক বলেন, “আধুনিক পাইপলাইন ও স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থা স্থাপনের জন্য কৃষি মন্ত্রণালয়ে ইতোমধ্যে ডিও লেটার দেওয়া হয়েছে।”

 

 

তিনি আরও বলেন, টেকসই ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু করা গেলে হাজারো কৃষক উপকৃত হবেন, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং এলাকার মানুষের জীবনমান উন্নত হবে। আগামী মৌসুমের আগেই জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

 

 

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com