
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এ সড়কের বেশ কয়েকটি অংশ ভেঙে পুকুরের দিকে চলে গেছে। এর মধ্যে তজিবরের বাড়ির সামনে এবং নুরনবী কবিরাজের মাদ্রাসা সংলগ্ন অংশের অবস্থা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। ধসের কারণে সড়কের ওপর দিয়ে যানবাহন চলাচল কার্যত বন্ধ রয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, প্রতিদিন এ সড়ক দিয়ে আশপাশের ৪-৫ গ্রামের শত শত মানুষ বিভিন্ন প্রয়োজনে চলাচল করেন। পাশাপাশি কৃষকরা এ সড়ক ব্যবহার করে তাঁদের উৎপাদিত কৃষিপণ্য গ্রামপাঙ্গাসী বাজারে নিয়ে বিক্রি করেন। কিন্তু সড়কের বিভিন্ন অংশ ধসে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহনসহ স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হচ্ছে এবং কৃষকদের দুর্ভোগ বেড়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হলেও স্থায়ীভাবে সংস্কারের কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ফলে সাম্প্রতিক প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও পানির চাপে সড়কের কয়েকটি অংশ আরও ভেঙে পড়েছে।
এ অবস্থায় জনদুর্ভোগ লাঘবে গ্রামপাঙ্গাসী-নিজামগাতী জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দ্রুত সংস্কার, প্রয়োজনীয় গাইডওয়াল নির্মাণ এবং স্থায়ীভাবে পাকা করার জন্য সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।