
রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি:
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্পের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার ব্যক্তিগত বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রকল্পটির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে জেলা মৎস্য বিভাগ। আগামী সোমবার (২৬ অক্টোবর) এ বিষয়ে তদন্তের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ২৫ অক্টোবর জারি করা এক চিঠিতে জানানো হয়, সোমবার সকাল ১০টায় নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্পের কার্যালয়ে এ বিষয়ে তদন্তের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।
এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিমগাছী মৎস্যচাষ প্রকল্পের প্রায় ৬০ থেকে ৬৫টি সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার একটি ট্রাকে করে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় লোকজন ট্রাকটি থামিয়ে দেন। এ সময় সরকারি প্রকল্পের মালামাল ব্যক্তিগত কাজে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে।
পরে সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মালামালগুলো জব্দ করে ইউনিয়ন পরিষদে রাখেন। ঘটনাটি এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি করে। এ নিয়ে বিভিন্ন অনলাইন সংবাদমাধ্যম ও পত্রিকার প্রিন্ট সংস্করণে সংবাদ প্রকাশিত হলে বিষয়টি তদন্তের উদ্যোগ নেয় জেলা মৎস্য বিভাগ।
অভিযোগের বিষয়ে প্রকল্পটির সিনিয়র সহকারী পরিচালক মো. মাসুদ রানা দাবি করেন, সিমেন্টের খুঁটি ও কাটা তার তিনি নিজের অর্থে তৈরি করেছেন। তবে তাঁর এ দাবির পক্ষে কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় প্রকল্পের মালামালগুলোর মালিকানা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এগুলো সরকারি সম্পদ, নাকি ব্যক্তিগত অর্থে তৈরি—তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার কথা রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, তদন্তে মালামালগুলোর প্রকৃত মালিকানা, সেগুলো স্থানান্তরের কারণ এবং এ ক্ষেত্রে সরকারি বিধিবিধান অনুসরণ করা হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি। তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই অভিযোগের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।