1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ

মোহনপুরে দোকান বরাদ্দের ৩১ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৫ Time View

 

 

মোঃ কামাল হোসেন, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি

 

 

রাজশাহীর মোহনপুরে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটের দোকানঘর বরাদ্দের জামানত বাবদ ৩১ লাখ টাকা ফেরত না দেওয়া, দোকান দখল, মালামাল চুরি ও হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগ তুলে প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো. নজরুল ইসলাম।

রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে রাজশাহী বরেন্দ্র প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। নজরুল ইসলাম মোহনপুর উপজেলার বেলনা গ্রামের মৃত আবুল হাসেমের ছেলে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে নজরুল ইসলাম বলেন, কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয় মার্কেটের একাধিক দোকানঘরের বিপরীতে চুক্তিপত্র ও স্ট্যাম্পের মাধ্যমে তিনি মোট ৩১ লাখ টাকা জামানত দেন। ব্যবসায়িক মন্দার কারণে ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর জামানতের টাকা ফেরত চেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলামের কাছে লিখিত আবেদন করেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তাঁর।

নজরুলের দাবি, প্রধান শিক্ষকের মৌখিক নির্দেশে মার্কেটের অসমাপ্ত দোকানঘর ও মসজিদের দেয়াল নির্মাণে তিনি নিজ অর্থে আরও ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪২০ টাকা ব্যয় করেন। ওই অর্থও তাঁকে পরিশোধ করা হয়নি। এ ছাড়া ২ লাখ ৮০ হাজার টাকার একটি স্ট্যাম্প জোরপূর্বক কেড়ে নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

দোকান দখল ও মালামাল চুরির অভিযোগ তুলে নজরুল ইসলাম বলেন, তিনি বাবুল নামের এক ব্যক্তির কাছে একটি দোকান সাব-লেট দিয়েছিলেন। পরে প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও বাবুল যোগসাজশ করে দোকানটি দখলের চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে দোকানের মালামাল বাইরে ফেলে দেওয়া হয়। পরে রাতের আঁধারে দোকানে থাকা কয়েক লাখ টাকার মেশিনারি ও অন্যান্য মালামাল চুরি করে নেওয়া হয় বলে তাঁর অভিযোগ।

এ ছাড়া মার্কেটের অবকাঠামোগত ত্রুটির কারণে আন্ডারগ্রাউন্ড দোকানে পানি ঢুকে কয়েক দফা বর্ষায় প্রায় ১১ লাখ টাকার মালামাল নষ্ট হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

নজরুল ইসলাম আরও বলেন, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছিলেন তিনি। পরে পাওনা টাকা ফেরত দেওয়ার মৌখিক আশ্বাস পেয়ে মামলা আর চালিয়ে যাননি। এতে মামলাটি খারিজ হয়ে যায়। তাঁর অভিযোগ, মামলা খারিজের পর প্রধান শিক্ষক প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী টাকা ফেরত না দিয়ে উল্টো তাঁকে হয়রানি শুরু করেন।

সংবাদ সম্মেলনে মোহনপুর থানার পুলিশের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেন নজরুল ইসলাম। তাঁর দাবি, আইনি প্রতিকারের আশায় থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে তাঁকে প্রায় সাত ঘণ্টা আটকে রেখে শারীরিক ও মানসিকভাবে হয়রানি করা হয়। চুক্তিপত্রের অনুলিপি চাইতে গিয়ে মারধরের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। এ সংক্রান্ত ভিডিও ও ছবি তাঁর কাছে রয়েছে বলে জানান।

এ ঘটনায় তিনি পাঁচ দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে—জামানতের ৩১ লাখ টাকা ও সংস্কারকাজে ব্যয় করা ৭ লাখ ৩৬ হাজার ৪২০ টাকা ফেরত, দোকান দখল-চুরি ও মারধরের অভিযোগ তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা, থানায় আটকে রাখার অভিযোগ তদন্ত করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা, পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত মালামালের ক্ষতিপূরণ এবং হিসাব নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হয়রানি ও দখলচেষ্টা বন্ধে আইনি সুরক্ষা।

নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা এবং পাওনা অর্থ উদ্ধারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও শিক্ষা বিভাগের হস্তক্ষেপও দাবি করেন তিনি।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে কেশরহাট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম বলেন, “দোকান ছেড়ে দিলে আমি জামানতের টাকা ফেরত দেব।” তবে দোকান দখল, চুরি, মারধরসহ অন্যান্য অভিযোগ তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, একাধিকবার বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে নিয়ে বসা হলেও নজরুল ইসলাম কোনো সমঝোতা মেনে নেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com