1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৪৫ অপরাহ্ন

অ্যালার্ম নয়, শরীরের ঘড়িতেই ভাঙবে ঘুম

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৮ Time View

 

 

অনলাইন ডেস্ক 

 

সকালে ঘুম ভাঙাতে অ্যালার্মের ওপর নির্ভর করেন অনেকেই। বিশেষ করে রাতে দেরিতে ঘুমানো, অনিয়মিত জীবনযাপন কিংবা পর্যাপ্ত ঘুম না হওয়ার কারণে সকালে অ্যালার্ম ছাড়া ঘুম থেকে ওঠা কঠিন হয়ে পড়ে। তবে ঘুমের সময় ঠিক রাখা এবং কিছু অভ্যাস পরিবর্তন করলে শরীরের নিজস্ব ঘড়ির সঙ্গে তাল মিলিয়ে অ্যালার্ম ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে ঘুম থেকে ওঠা সম্ভব বলে জানিয়েছেন ঘুম বিশেষজ্ঞরা। খবর বিবিসির।

 

 

 

ঘুম নিয়ে পরীক্ষা চালানো এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি মেনে চলা এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন প্রায় একই সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং পর্যাপ্ত সময় ঘুমানো শরীরকে নির্দিষ্ট ছন্দে অভ্যস্ত করে তোলে। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণত ৭ থেকে ৯ ঘণ্টা ঘুমের প্রয়োজন হলেও ব্যক্তিভেদে এ সময় কম-বেশি হতে পারে।

 

 

 

 

ঘুমের এই স্বাভাবিক ছন্দ ঠিক রাখতে দিনের আলোও গুরুত্বপূর্ণ। সকালে ঘুম থেকে উঠে দ্রুত পর্দা সরিয়ে প্রাকৃতিক আলো নেওয়া শরীরকে দিনের শুরু সম্পর্কে সংকেত দেয়। অন্যদিকে ঘুমানোর প্রায় দুই ঘণ্টা আগে আলো কমিয়ে ধীরে ধীরে ঘুমের প্রস্তুতি নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

 

 

রাতে অতিরিক্ত গরম থাকলেও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। কারণ ঘুমের সময় শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কিছুটা কমে যায়। তাই শোবার ঘর আরামদায়ক ও ঠান্ডা রাখা ঘুমের মান বাড়াতে সহায়ক।

 

 

 

এছাড়া ঘুমানোর আগে স্মার্টফোন ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফোনের আলো যেমন মস্তিষ্ককে বিভ্রান্ত করতে পারে, তেমনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দীর্ঘ সময় স্ক্রল করার অভ্যাসও ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই রাতে নির্দিষ্ট সময়ের পর ফোন থেকে দূরে থাকা উপকারী।

 

 

খাবারের সময়ও নিয়মিত রাখার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা। ঘুমানোর অন্তত তিন ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করা এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাও ঘুমের জন্য সহায়ক।

 

 

এক সপ্তাহ অ্যালার্ম ছাড়া ঘুম থেকে ওঠার পরীক্ষায় দেখা যায়, কয়েক দিনের মধ্যেই শরীর নির্দিষ্ট সময়ে ঘুম ও জাগরণের সঙ্গে মানিয়ে নিতে শুরু করে। পরীক্ষার পরও নিয়মিত ঘুমের সময়সূচি ও রাতে ফোন ব্যবহার কমানোর অভ্যাস ধরে রাখায় স্বাভাবিকভাবে ঘুম থেকে ওঠা সহজ হয়েছে।

 

 

অর্থাৎ, অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম থেকে ওঠার জন্য মূল বিষয় হলো পর্যাপ্ত ও নিয়মিত ঘুম। শরীরকে নির্দিষ্ট ছন্দে অভ্যস্ত করতে পারলেই সকালে ঘুম ভাঙার জন্য অ্যালার্মের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব।

 

সূত্র: বিবিসি

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com