
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুলে ইন্টারচেইঞ্জ মহাসড়কের ব্যস্ততম এই অংশের দুই প্রান্তে গড়ে উঠেছে একাধিক হোটেল ও রেস্টুরেন্ট। গত বৃহস্পতিবার ( ১ অক্টোবর) সরেজমিনে ও তথ্য সূত্রে জানা যায়,মহাসড়কের পাঁচলিয়া
এলাকায় ঢাকামুখী একাধিক কোম্পানির বাস ঢাকামুখী লেনে না গিয়ে বাঁক নিয়ে উত্তরবঙ্গমুখী লেনে প্রবেশ করছে। পরে সেখান থেকে হোটেল ও রেস্টুরেন্টে গিয়ে যাত্রাবিরতি শেষে আবার উল্টো পথে পাঁচলিয়া এলাকা থেকে বাঁক নিয়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছে। বিভিন্ন পরিবহন মহাসড়কের নির্ধারিত লেন অতিক্রম করে উল্টো পথে চলাচল করায় মহাসড়কের দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে।
পাঁচলিয়া এলাকায় রয়েছে পাঁচলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও পাঁচলিয়া বদরুল আলম উচ্চ বিদ্যালয়। দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী প্রতিদিন গুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়ক পারাপার হয়। উত্তরবঙ্গমুখী লেন দিয়ে ঢাকামুখী লেনের যানবাহন চলাচল করায় শিক্ষার্থীসহ পথচারীদের মহাসড়ক পারাপারে চরম বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। বাম বা ডান দিক থেকে কোনো যানবাহন আসছে কি না, সেটিও অনেক সময় বুঝতে পারছে না পথচারীরা।
স্থানীয় দুটি স্কুলের শিক্ষার্থীরা বলেন, রাস্তা পার হতে ভয় হয়, দুই পাশ থেকেই গাড়ি আসে। উল্টোপথে গাড়ি চলাচল বন্ধ হলে, আমরা নিরাপদে পারাপার হতে পারি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক বাসচালক বলেন, মালিকপক্ষের নির্দেশনা মোতাবেক যাত্রাবিরতি দিতে হয়।
পাঁচলিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক
সাইদুর রহমান মুঠোফোনে জানান, পাঁচলিয়ায় দুটি প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১৫ শত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে।
উল্টোদিকে গাড়ি চলাচলের কারণে শিক্ষার্থীদের চলাচল ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহাবুর রহমান বলেন,ইন্টারচেইঞ্জ পুরোপুরি চালু না পর্যন্ত এ ভোগান্তি থাকবে,কারণ হিসাবে তিনি বলেন, বগুড়া থেকে পাবনা গামী গাড়ি পাঁচলিয়া দিয়ে পার হয়,তবে কিছু গাড়ি উল্টো পথে যায়।