1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন

ভিজিএফ চাল পরিবহন, বিতরণ খরচ :বিপাকে  রায়গঞ্জের ৯ ইউপি চেয়ারম্যান

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ১৭ মে, ২০২৬
  • ১১৬ Time View

 

 

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

 

 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় সরকারের মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ২৮৪ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল সোমবার উপজেলার ৯টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় দুস্থ ও অসহায় পরিবারের মাঝে এ চাল বিতরণ করা হবে। প্রত্যেক উপকারভোগী পরিবার ১০ কেজি করে চাল পাবেন বলে জানা গেছে।

 

ইতোমধ্যে উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। চাল বিতরণকে কেন্দ্র করে ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব ও সদস্যরা ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন। তবে সরকারি বরাদ্দ থাকলেও খাদ্যগুদাম থেকে ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত চাল পরিবহন ও শ্রমিক খরচের জন্য কোনো অর্থ বরাদ্দ না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন জনপ্রতিনিধিরা।

 

 

সরকারি নিয়ম অনুযায়ী উপজেলা খাদ্যগুদাম থেকে বরাদ্দকৃত চাল সংগ্রহ করে ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয় বা নির্ধারিত স্থানে পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যানদের ওপর বর্তায়। কিন্তু ট্রাক ভাড়া, বস্তা ওঠানো-নামানো এবং শ্রমিক মজুরির জন্য সরকারিভাবে কোনো বরাদ্দ না থাকায় অনেক চেয়ারম্যানকে ব্যক্তিগত অর্থ ব্যয় করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

 

 

চান্দাইকোনা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান খান জানান, আগের ঈদুল ফিতরেও চাল বিতরণের সময় তাকে ব্যক্তিগতভাবে উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। খাদ্যগুদাম থেকে চাল ট্রাকে তোলা, পরিবহন ও বিতরণ কার্যক্রমে নানা খাতে খরচ হলেও সরকার থেকে কোনো সহায়তা মেলে না।

 

 

 

নলকা ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম বলেন, “একেকটি ইউনিয়নে কয়েক হাজার কার্ডধারীর জন্য কয়েক টন চাল বরাদ্দ থাকে। এসব চাল গুদাম থেকে আনতে বড় ধরনের পরিবহন ব্যয় হয়। গত ঈদুল ফিতরে প্রায় ৩০ হাজার টাকা নিজের পকেট থেকে খরচ করেছি।”

 

 

সোনাখাড়া ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান আব্দুল জব্বার বলেন, “দূরত্বভেদে প্রতিটি ইউনিয়নে চাল পৌঁছাতে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ট্রাক ভাড়া গুনতে হয়। এছাড়া লোডিং-আনলোডিংয়েও কয়েক হাজার টাকা ব্যয় হয়। কোনো বরাদ্দ না থাকায় চেয়ারম্যানদের ব্যক্তিগত তহবিল থেকেই এসব খরচ বহন করতে হচ্ছে।”

 

 

 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি বলেন, ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়ম রোধে প্রশাসন কঠোর থাকলেও চাল পরিবহনের ন্যূনতম খরচ না দেওয়ায় স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ওপর বাড়তি আর্থিক চাপ সৃষ্টি হচ্ছে। তিনি বলেন, “কার্ডপ্রতি বা টনপ্রতি নির্দিষ্ট হারে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ বরাদ্দ দেওয়া হলে কাজের স্বচ্ছতা বাড়বে এবং চেয়ারম্যানদের ভোগান্তিও কমবে।”

 

 

 

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম বলেন, “চেয়ারম্যানরা খরচ মেটানোর জন্য আবেদন করলে বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। সরকারি নীতিমালায় পরিবর্তন বা বিশেষ বরাদ্দ না আসা পর্যন্ত বিদ্যমান নিয়মেই কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।”

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com