1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
১৮ মন্ত্রীর ‘এসকর্ট’ প্রত্যাহার, যাদের থাকছে প্রশ্নপত্রে ভুল,অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে শিক্ষার্থীদের তালা রায়গঞ্জে মাদকসহ এক ব্যক্তি ও হাসপাতাল হামলা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পার্বতীপুর প্রেস ক্লাব নির্বাচন-২০২৬ বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত নবনির্বাচিত কমিটি সিরাজগঞ্জে বাসচালককে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় সড়ক অবরোধ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ নেত্রকোনায় তিন সন্তানের জননীকে নিয়ে পালালেন বিএনপি নেতা, আদালতে মামলা শাহজাদপুরে আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত ১ উল্লাপাড়ায় জামায়াতের উপদেষ্টা কোবাদ হোসেনসহ ২০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

তিন ফসলী জমি কেটে রাস্তা নির্মাণ: কাউকেই তোয়াক্কা করছেন না ঠিকাদার

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৭ Time View
নিজস্ব প্রতিনিধি

তিন ফসলী জমির উপরই জীবন জীবিকা নির্ভর করে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের কৃষকদের। বলা নেই কওয়া নেই হঠাৎ করেই সরিষার চাষ করা সেইসব কৃষি জমি কেটে সেখান দিয়ে পাকা রাস্তা নির্মাণ করছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ক্ষুব্ধ কৃষকেরা সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দেওয়ার পরও ভেকু মেশিন দিয়ে জমি কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মেসার্স শিকদার কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।

 

 

জানা যায়, জামতৈল-তামাই আরএইচডি থেকে আদাচাকি ভায়া কাজিপুরা জামে মসজিদ রোড উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় শ্যামপুর মৌজার মধ্য দিয়ে পাকা রাস্তা নির্মাণ করা হচ্ছে। ওই অঞ্চলে সরকারি কোন খাস জায়গা বা হালট নেই। প্রায় ৩০ জন কৃষকের জমি কেটে সেখান দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কোন প্রকার অধিগ্রহণ বা ক্ষতিপূরণ এমনকি ভুক্তভোগী কৃষকদের সঙ্গে আলোচনা ছাড়াই ঠিকাদার গায়ের জোরেই ফসলি জমির উপর দিয়ে ভেকু মেশিন চালিয়ে দিয়েছেন।

 

 

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ১৩ জমির মালিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শিকদার কনস্ট্রাকশন সেগুলোর তোয়াক্কা করছেন না। অভিযোগ দেওয়ার পরেও রাস্তা নির্মাণকাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন ঠিকাদার। এদিকে জমির মালিকদের বিরুদ্ধে ভেকু মেশিন পোড়ানোর মামলা দিয়ে ঘরছাড়া করা হয়েছে বলেও অভিযোগ ঠিকাদারের বিরুদ্ধে।

 

 

শনিবার (১০ জানুয়ারি) সকালে আবারও ভেকু মেশিন দিয়ে জমি কাটা হচ্ছে বলে ভুক্তভোগী কৃষকেরা জানিয়েছেন।

 

 

ভুক্তভোগী কৃষকের মেয়ে মৌসুমী খাতুন বলেন, আমাদের কোন কাগজপত্র না দেখিয়ে জোর-জবরদস্তি করেই জমি নিচ্ছে। আমরা বাঁধা দেওয়ার কারণে ঠিকাদার আশরাফুল আমাদের হুমকি-ধামকি দেন। আমাদের বাড়ির পুরুষেরা পলাতক। এখানে মাটি কাটার জন্য আগেও একটি ভেকু মেশিন এসেছিল। সেই ভেকু মেশিন কে বা কারা পুড়ে দিয়েছে। সেই ভেকু পোড়ানোর মামলা দেওয়া হয় জমির মালিকদের বিরুদ্ধে। আমাদের সরিষা ক্ষেত কেটে দখল করে নিয়েছে। এখানকার জমির মালিকরা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। আমাদের দাবি, আমরা অভিযোগ দিয়েছি, সেটা তদন্ত করার আগ পর্যন্ত আপাতত কাজ বন্ধ করে দেওয়া হোক।

 

 

আব্দুল খালেক নামে ক্ষতিগ্রস্থ জমির মালিক বলেন, জোর করে আমাদের জমিতে ভেকু মেশিন নামিয়ে ফসলসহ কেটে ফেলা হচ্ছে। আমাদের তিন ফসলী জমি, আমাদের কোন ক্ষতিপূরণ দেয় নাই। আমাদেরকে ডাকেও নাই। আমরা এত ক্ষতি করে রাস্তা চাই না।

 

 

স্থানীয় কৃষকেরা বলেন, আমাদের কেউ চাকরি করে না, ব্যবসা-বানিজ্যও করে না। আমাদের এই জমির উপরই ভরসা। আমরা রাস্তা চাই না, জমি না থাকলে না খেয়ে মরতে হবে।

 

 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মেসার্স সিকদার কনস্ট্রাকশনের স্বত্বাধিকারী আশরাফুল ইসলাম বলেন, এলাকাবাসীর চাহিদা মেনেই কাজ হচ্ছে। তারা স্কিম দিয়েছে, আমরা সেটা বাস্তবায়ন করছি। তবে ব্যক্তি মালিকানাধীন জমিতে অনুমতি না নিয়ে কাজ করা যাবে না-এমন বিষয়ে তিনি জানেন না বলে জানান।

 

 

সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. রেজাউর রহমান জানান, ব্যক্তিগত জায়গায় রাস্তা করার কোনো বিধান নেই। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই আমরা ইঞ্জিনিয়ারকে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছি।

 

 

সিরাজগঞ্জ স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউর রহমান বলেন, জামতৈল-তামাই আরএইচডি থেকে আদাচাকি ভায়া কাজিপুরা জামে মসজিদ রোড উন্নয়নের কাজ চলছে। জোরপূর্বক ব্যক্তিগত রাস্তার উপর দিয়ে রাস্তা করার কোন সুযোগ নাই। আমি এ অভিযোগ শুনেছি। সেখানে যদি সরকারি জায়গা না থাকে আর যদি এলাকার লোক বাঁধা দেয় তাহলে আমরা সেখানে রাস্তা করবো না। এলাকাবাসির আবেদনের প্রেক্ষিতেই এই রাস্তাটা বরাদ্দ হয়েছে। যেহেতু ভূমি অধিগ্রহণের অপশন নেই সেক্ষেত্রে এলাকার লোকজন নিয়ে বসে সমঝোতার ভিত্তিতে রাস্তার কাজ করবো।

 

 

কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিপাশা হোসাইন বলেন, বিষয়টি আমি আমার উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com