1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
১৮ মন্ত্রীর ‘এসকর্ট’ প্রত্যাহার, যাদের থাকছে প্রশ্নপত্রে ভুল,অভিযোগ তুলে প্রধান শিক্ষকের কক্ষে শিক্ষার্থীদের তালা রায়গঞ্জে মাদকসহ এক ব্যক্তি ও হাসপাতাল হামলা মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার পার্বতীপুর প্রেস কাব নির্বাচন-২০২৬ বিজয়ের আনন্দে উচ্ছ্বসিত নবনির্বাচিত কমিটি সিরাজগঞ্জে বাসচালককে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করায় সড়ক অবরোধ সিরাজগঞ্জ সরকারি কলেজে আন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ নেত্রকোনায় তিন সন্তানের জননীকে নিয়ে পালালেন বিএনপি নেতা, আদালতে মামলা শাহজাদপুরে আন্তঃজেলা চোরচক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার, ৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার ট্রাক-সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষে গুরুতর আহত ১ উল্লাপাড়ায় জামায়াতের উপদেষ্টা কোবাদ হোসেনসহ ২০ নেতাকর্মীর বিএনপিতে যোগদান

কালের সাক্ষী ধুবিলের জমিদার বাড়ি

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১০৯ Time View

 

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি:

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার শান্ত-নিরিবিলি ধুবিল গ্রামে দাঁড়িয়ে আছে এক ভুলে যাওয়া ইতিহাস—ধুবিল কাটার মহল জমিদার বাড়ি। স্থানীয়দের কাছে যা পরিচিত ‘তালুকদার বাড়ি’ নামে। সময়ের বহু পালাবদলের পরও এ বাড়ির প্রতিটি ইট সাক্ষ্য বহন করে অতীতের এক রাজসিক ঐতিহ্যের।

১৮৪০ সালের দিকে পরগনার প্রতিষ্ঠাতা জমিদার মুন্সী আবদুর রহমান তালুকদার এই বিশাল বাড়িটির নির্মাণকাজ শুরু করেন। তখন হয়তো কেউই ভাবেননি যে একদিন এই স্থাপনা হবে ইতিহাসের অমূল্য অংশ। বিস্তীর্ণ প্রাঙ্গণজুড়ে কারুকুঞ্জ কার্যমণ্ডিত স্থাপনা, উঁচু প্রাচীর, নাটমন্দিরসদৃশ বারান্দা, হাতিশালা ও ঘোড়াশালা—সব মিলিয়ে ছিল এক প্রাণবন্ত রাজকীয় আবহ।

স্থানীয় প্রবীণ শিক্ষক আবদুল লতিফ সরকার বলেন, “শতাধিক গৃহকর্মী, রাখাল আর নানা পেশার মানুষে ভরপুর ছিল তালুকদার বাড়ি। ব্রিটিশ আমলে এই পরিবারের সন্তানরা বিলেত, আমেরিকা ও কলকাতায় পড়াশোনা করতে যেতেন। এলাকায় এদের প্রতিপত্তি ছিল বিশাল।”

জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হলেও সেই গৌরবের ছাপ রয়ে গেছে প্রতিটি দেয়ালে, প্রতিটি করিডোরে। একসময় যেখানে হাতির পদচারণা ও ঘোড়ার দৌড় প্রতিধ্বনিত হতো—আজ সেখানে নীরবতার দীর্ঘশ্বাস। পরিত্যক্ত উঠোনে পড়ে থাকা শুকনো পাতার শব্দই জানান দেয় সময়ের নির্মম পরিবর্তন।

ধুবিল ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও উপজেলা আইসিটি অফিসার মহায়মেনু বলেন,“তালুকদার পরিবার শুধু ধুবিলেই নয়, সিরাজগঞ্জ জেলাজুড়ে ছড়িয়ে ছিল। যমুনাপাড়ের বিখ্যাত ‘মতি সাহেবের ঘাট’-এর মতিয়ার রহমান তালুকদারও এই বংশের সদস্য ছিলেন। সরকার চাইলে খুব অল্প উদ্যোগেই এ বাড়িটিকে দৃষ্টিনন্দন পর্যটনকেন্দ্রে রূপ দেওয়া সম্ভব।”

রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, “দেশের অনেক ঐতিহাসিক জমিদারবাড়ির মতো ধুবিলের তালুকদার বাড়িও গুরুত্বপূর্ণ। সংরক্ষণ করা গেলে এটি পর্যটন খাতে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।”

স্থানীয়দের দাবি—এ জমিদার বাড়ির ইতিহাস শুধু ধুবিল বা রায়গঞ্জ নয়, পুরো সিরাজগঞ্জের ঐতিহ্যের অংশ। তাই যথাযথ সংস্কার ও সরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে এই বাড়িটিকে দেশের অন্যতম দর্শনীয় স্থানে রূপান্তর করা জরুরি।

সময়ের ভাঁজে হারিয়ে যাওয়া অসংখ্য স্মৃতির মাঝেও ধুবিলের জমিদারবাড়ি এখনো দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাস, গৌরব আর বিস্ময়ের নিঃশব্দ প্রতীক হয়ে। কেউ দেখুক বা না-দেখুক, এই পুরোনো স্থাপনাটি যেন আজও বলে যায় এক বিস্মৃত রাজসিক কালের গল্প।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com