
মো: আব্দুর রহীম মিঞা টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার ফলদা ইউনিয়নে কৃষকদের ডিজিটাল কৃষি সেবার আওতায় আনতে কৃষি কার্ড বিতরণ উপলক্ষে এক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বিকেলে ফলদা ইউনিয়ন পরিষদে আয়োজিত এ কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহবুব হাসান।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, কৃষি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক খাত। দেশের জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান প্রায় ১১ শতাংশ এবং মোট শ্রমশক্তির প্রায় ৪২ শতাংশ এ খাতে নিয়োজিত। দেশে প্রায় ১ কোটি ৬৯ লাখ কৃষি খানা রয়েছে, যাদের প্রধান জীবিকাই কৃষি। আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষকদের দোরগোড়ায় দ্রুত ও স্বচ্ছ সেবা পৌঁছে দিতে কৃষি কার্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোখলেসুর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মামুনুর রহমান, ভূঞাপুর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. সেলিমুজ্জামান তালুকদার, ফলদা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. হান্নান সরকার, সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজালাল তালুকদার (শিমু) এবং ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মো. আব্দুল বারেক।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ফলদা ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
কর্মশালায় কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ডের গুরুত্ব, ডিজিটাল তথ্যভাণ্ডারে কৃষকদের অন্তর্ভুক্তকরণ এবং সরকারি কৃষি সেবা সহজলভ্য করার বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: মাহবুব হাসান বলেন, আপনাদের ফলদা ইউনিয়নে আগামীকাল ১০ সেপ্টেম্বর থেকে কৃষিকার্ডের কার্যক্রম শুরু হলো, সে আপনা কৃষি অফিসের অংশগ্রহনকারী সকলকে সহোযোগতা করবেন। যাতে সরকারের কোন ভাবমূর্তী নষ্ঠ না হয়।
উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলু বলেন, প্রধান তারেক জিয়ার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি নির্বাচিত হলে কৃষকদের মাঝে কৃষি কার্ড প্রদান করা হবে। হাতের আঙ্গুলে কালির শুকানোর আগেই তিনি তার প্রতিশ্রুতি বাসন্তবায়ন করছেন। দলীয় নেতা কর্মীদের উদ্দ্যেশে বলেন এ কার্ড রাস্ট্রের , কোন দলীয় কার্ড নয়। সকল দলের লোকই পাবে। যদি তিনি কৃষক হন। দলের লোকদেরকে কৃষি কার্ড বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারী সকলকে সহোযোগীতা করারিআহব্বান যানা।
কৃষি কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজেই সরকারি প্রণোদনা, ভর্তুকি, কৃষি উপকরণ ও বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।