
রাজীব কুমার মালো,নলছিটি,ঝালকাঠী প্রতিনিধি
ঝালকাঠি জেলা সদরের সাথে নলছিটি উপজেলার সড়ক যোগাযোগ আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর ওপর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের উদ্যোগের অংশ হিসেবে প্রস্তাবিত স্থানগুলো পরিদর্শন করেছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে সুগন্ধা নদীর বিভিন্ন সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় সেতু বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলী এবং স্থানীয় প্রশাসনের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পরিদর্শনকালে নলছিটি উপজেলার ষাইটপাকিয়া ও সুতালড়ী এলাকা এবং ঝালকাঠি সদরের পেট্রোল পাম্পসংলগ্ন স্থানসহ তিনটি সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল ঘুরে দেখেন তারা।
এসময় নদীর প্রস্থ, নৌযান চলাচলের উপযোগিতা, ভৌগোলিক অবস্থান, সংযোগ সড়কের সম্ভাবনা এবং সেতু নির্মাণের কারিগরি দিকগুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করা হয়। পাশাপাশি প্রকল্প বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা নিয়ে এলজিইডি ও পানিউন্নয়ন বোর্ডের প্রকৌশলী ও কর্মকর্তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন সচিব।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বর্তমানে সম্ভাব্য স্থানগুলো পরিদর্শন এবং প্রাথমিক কারিগরি তথ্য সংগ্রহের কাজ চলছে। এসব তথ্যের ভিত্তিতে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হবে। পরবর্তী সময়ে বিস্তারিত সমীক্ষা, নকশা প্রণয়ন এবং সরকারি অনুমোদনসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহন করবে সরকার।
প্রতিনিধি দলের সাথে ছিলেন ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক মো.মমিন উদ্দিন,পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নিলয় পাশা,নলছিটি উপজেলা নির্বাহী অফিসার রিজবি আহমেদ সবুজ প্রমুখ।
স্থানীয়দের মতে, সুগন্ধা নদীর ওপর সেতু নির্মিত হলে ঝালকাঠি ও নলছিটির মধ্যে যাতায়াত আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ হবে। পাশাপাশি দক্ষিণাঞ্চলের সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি সঞ্চার হবে। এতে শিল্প ও বাণিজ্যের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং নদীর দুই তীরের জনপদের সার্বিক আর্থসামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।