
মো: আব্দুর রহীম মিঞা,টাঙ্গাইল প্রতিনিধি
টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ১২০ জন কৃষক এবং ২০টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষচারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে।
২০ জুলাই সোমবার বৃক্ষচারা বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করে টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে চারা বিতরণ কার্যক্রমের শুভ সূচনা করেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ফলজ, বনজ ও ঔষধি প্রজাতির চারা বিতরণ করা হয়েছে।
জলবায়ু পরিবর্তন, পরিবেশ দূষণ ও প্রাকৃতিক ভারসাম্যহীনতার এই সময়ে বৃক্ষরোপণ কেবল একটি কর্মসূচি নয়, বরং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ পৃথিবী গড়ে তোলার অঙ্গীকার। সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে টাঙ্গাইলের ভূঞাপুরে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে ১২০ জন কৃষক ও ২০টি প্রতিষ্ঠানের মাঝে বিভিন্ন প্রজাতির বৃক্ষচারা বিতরণ করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ভূঞাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব হাসান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো: রেজাউল ইসলাম, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো: সেলিমুজ্জামান তালুকদার সেলুসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, কৃষক ও বিভিন্ন শিক্ষা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু তাঁর বক্তব্যে বলেন,, একটি গাছ শুধু ছায়া বা ফলই দেয় না; এটি পরিবেশ রক্ষা, বায়ুদূষণ কমানো, মাটির ক্ষয়রোধ এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বর্তমান সময়ে ক্রমবর্ধমান তাপমাত্রা ও জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় ব্যাপক বৃক্ষরোপণের বিকল্প নেই।
সবুজ বাংলাদেশ গড়তে সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি সাধারণ মানুষকেও এগিয়ে আসতে হবে। একটি গাছ রোপণ ও তার সঠিক পরিচর্যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ রেখে যাওয়ার সমান।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুব হাসান বলেন, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে হবে। প্রত্যেক নাগরিক যদি অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যা করেন, তাহলে পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি দেশের সবুজায়ন আরও সমৃদ্ধ হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মোখলেছুর রহমান জানান, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিতরণ করা ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারাগুলো কৃষক ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিবেশ সংরক্ষণ এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হতে সহায়তা করবে।