1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬, ০৩:২৭ অপরাহ্ন

নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না ব্রিজের কাজ:জনদুর্ভোগ চরমে

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১২ মে, ২০২৬
  • ৭ Time View

 

রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ )প্রতিনিধি 

 

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার সাহেবগঞ্জ নদীর ওপর একটি ব্রিজের কাজ শুরু হয়েছে গত দুই বছর পূর্বে। কাজ শেষ করার নির্ধারিত মেয়াদ রয়েছে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত। কাজের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯৯ হাজার ৭৭৭ টাকা। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নিয়াজ পার্কের মেসার্স মোস্তফা কামাল কনস্ট্রাকশনকে। কাজের তদারকি করছেন রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের অফিস। ইতিমধ্যে নির্ধারিত সময় শেষ হতে চলেছে। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের ধীরগতি আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ব্রিজের নির্মাণকাজ মাঝপথে ঝুলে থাকায় চরম ভোগান্তিতে  পড়ছেন কয়েক হাজার মানুষ। কাজের অগ্রগতি নিয়ে  স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

 

 

মঙ্গলবার সকালে (১২মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের মূল কাঠামোর দশটি পিলারের মধ্যে নয়টি পিলারের কাজ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে দুটি পিলারের পাইলিং নীচের অংশ সম্পন্ন হয়েছে। অন্য একটি পিলারের কাজ এখনো শুরু করা হয়নি। অন্য ছয়টি পিলারের কাজ ৪০ ভাগ শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাজ বন্ধ থাকায় রড গুলোতে মরিচা ধরতে শুরু করেছে ।

 

প্রকল্পের  সামনে লাগানো বিলবোর্ড অনুযায়ী   ব্রিজের কাজ আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি অনুযায়ী, মাত্র ২০-২২ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নির্মাণ এলাকায় শ্রমিকদের উপস্থিতি নেই বললেই চলে। পড়ে আছে নির্মাণ সামগ্রী ।সাহেবগঞ্জ নদীতে নৌকা যোগে পার হয়ে প্রতিদিন রায়গঞ্জ উপজেলাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াত করেন কয়েক গ্রামের হাজার হাজার মানুষ।

 

ব্রিজটি সময়মতো সম্পন্ন না হলে স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারবেনা।

অতিরিক্ত খরচে বিকল্প পথে যাতায়াত করতে হচ্ছে। স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা দিয়ে নদী পার হতে হচ্ছে। অসুস্থ রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার কোনো সহজ উপায় নেই। স্থানীয়দের অভিযোগ, “আমাদের সাথে মশকরা করা হচ্ছে। ভোটের সময় সবাই আসে, কিন্তু ব্রিজের কাজ যে পড়ে আছে তা দেখার কেউ নেই।

 

কেসি ফরিদপুর গ্রামের কলেজ ছাত্রী নাসরিন খাতুন বলেন,নৌকা দিয়ে পারাপার হতে গিয়ে প্রায়ই ছোটখাটো  দুর্ঘটনা ঘটছে। বর্ষা  শুরু হলে আমাদের যোগাযোগ একেবারে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেসি ফরিদপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের একজন সহকারী শিক্ষক বলেন, ঠিকাদারকে বারবার তাগাদা দিলেও তারা নানা অজুহাতে কাজ পিছিয়ে দিচ্ছে। মাঝেমধ্যে দুই-একজন শ্রমিক এসে হাতুড়ি পিটিয়ে চলে যায়, কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না।

 

একই গ্রামের ইমরুল হোসেন বলেন, আমাদের কয়েকটি গ্রামের উৎপাদিত কৃষি পণ্য বাজারজাত করতে পারছি না। আমরা বাধ্য হয়ে অল্প মূল্যে কৃষি পণ্য বিক্রি করে থাকি। এজন্য শত শত কৃষক ফসলের ন্যায্য মূল্য হতে বঞ্চিত হচ্ছি।

শুধু তাই নয় একজন মানুষ অসুস্থ হলে তাকে জরুরী ভিত্তিতে হাসপাতালে নেওয়ার মত কোন অবস্থা থাকে না। ফলে বিনা চিকিৎসায় অনেকে মারা যায়।  এব্যাপারে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানদের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলে তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল আলম এর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ভূমি অধিগ্রহণ না হওয়ার কারণে ঠিকাদার তার কাজের উপকরণাদি রাখতে পারছেন না। স্থানীয়রাও কোন জায়গা দিচ্ছেন না। এ কারণে ঠিকাদার কাজ করতে হিমশিম খাচ্ছে। তারপরেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে সঠিক সময়ে কাজ শেষ করার জন্য একাধিকবার তাগাদা পত্র দেয়া

হয়েছে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com