
আজ মঙ্গলবার (১২ মে) আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। প্রতি বছর এই দিনে দিবসটি উদযাপিত হয়। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালিত হচ্ছে। যাদের সেবা ছাড়া একজন রোগীর সুস্থ হয়ে ওঠা কঠিন, তিনি হলেন নার্স, সেবিকা। তাদের সম্মান জানিয়েই পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশেও দিবসটি উদযাপন করা হচ্ছে।
এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘আমাদের নার্স। আমাদের ভবিষ্যৎ-জীবন রক্ষায় প্রয়োজন, নার্সদের ক্ষমতায়ন’।
এদিকে সোসাইটি ফর নার্সেস সেফটি অ্যান্ড রাইটস (এসএনএসআর) নার্স দিবস উপলক্ষ্যে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা, কেক কাটা ও আলোচনা সভার আয়োজন করেছে। মঙ্গলবার (১২ মে) সকাল সাড়ে ৮টায় জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের সামনে থেকে এই র্যালি বের করা হবে।
এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষ্যে দুপুর দুইটায় জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ন্যাব) সভাপতি জাহানারা পারভীন।
চিকিৎসকদের পাশাপাশি রোগীকে সুস্থ করার জন্য নিরলস পরিশ্রম করেন নার্সরা। নার্সদের এই গুরুত্ব সকলের সামনে তুলে ধরতেই পালন করা হয় আন্তর্জাতিক নার্স দিবস। কিন্তু কীভাবে শুরু এই দিনটির? কে রয়েছেন দিনটির নেপথ্যে।
১৯৫৩ সালে আন্তর্জাতিক নার্স কাউন্সিলে (আইসিএন) নার্সদের স্বীকৃতির জন্য একটি বার্ষিক দিবস পালনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। সেটাই ছিল প্রথম প্রস্তাব। তবে এই প্রস্তাব শেষমেশ স্বীকৃতি পেয়েছিল ১৯৭৪ সালের ১২ মে। এই দিন ১২ মে তারিখটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক নার্স দিবস হিসেবে মনোনীত করা হয়। এই বছরের আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের থিম হলো ‘আমাদের নার্সরা আমাদের ভবিষ্যৎ। নার্সদের যত্ন আমাদের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করে।’
আন্তর্জাতিক নার্স দিবস পালন করা হয় ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গলের জন্মদিনে। ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গল ক্রিমিয়ান যুদ্ধের সময় স্বাস্থ্য পরিষেবায় বিপ্লব এনেছিলেন। তার সেই অবদানকে স্মরণ করে তাঁর জন্মদিনে পালিত হয় আন্তর্জাতিক নার্স দিবস।