1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:১৭ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রংপুর সিটি করপোরেশনের উন্নয়নের প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার আগ্নেয়গিরি থেকে বেরোচ্ছে স্বর্ণের কণা প্লাস্টিকের বোতল থেকে পানি খেলে কি ক্যানসার হয়? দিনে আসলে কয়টি ডিম খাওয়া উচিত? আর্জেন্টিনার বিপক্ষে এমবোলোর লাল কার্ড ভুল ছিল, স্বীকার করল আইএফএবি নোয়াখালীতে নতুন গ্যাস কূপ খনন কাজ শুরু পরের বিশ্বকাপে খেলবে না ইউরোপের দেশগুলো! ফিফাকে বয়কটের হুমকি গভীর রাতে পুলিশের অভিযানে জুয়ার আসর থেকে ৬ জন গ্রেপ্তার  নওগাঁবাসী রাজশাহী বিভাগেই থাকতে চায়; যেতে চায়না বগুড়ার অধীনে  দীর্ঘদিন পর সিরাজগঞ্জ ট্রাক ও কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের নির্বাচন: সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের আশা

নওগাঁবাসী রাজশাহী বিভাগেই থাকতে চায়; যেতে চায়না বগুড়ার অধীনে 

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৭ Time View

 

 

বিকাশ চন্দ্র প্রামানিক, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি

 

 

সম্প্রতি বগুড়াকে স্বতন্ত্র বিভাগ ঘোষণার দাবি জোরালো হয়ে উঠেছে। প্রস্তাব করা হয়েছে বগুড়া বিভাগ হলে সেখানে নওগাঁ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ ও গাইবান্ধা জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। কাজেই বগুড়া বিভাগ হতে যাচ্ছে এমন আলোচনা এখন জোরেশোরে।

 

 

 

 

 

 

প্রস্তাবিত অন্য চার জেলার মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা বগুড়াকে পৃথক বিভাগ করার দাবিতে পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বলে বগুড়ায় হওয়া এক মতবিনিময় সভায় জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, চার জেলা নিয়ে যদি সিলেট ও বরিশালের মতো বিভাগ থাকতে পারে, তবে উত্তরাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিহ হাব হিসেবে বগুড়া অবশ্যই একটা বিভাগ হতে পারে। আর প্রতিবেশী চার জেলার সংসদ সদস্যরা কোনো আপত্তি ছাড়াই স্বেচ্ছায় সমর্থন দেওয়ায় এটি প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাস্তবায়ন করা বেশ সহজ হবে।

 

 

 

 

 

এর আগেও একাধিকবার বগুড়াকে বিভাগ করার রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতি দিলেও তা বাস্তবায়ন হয়নি। কাজেই এবার দাবিটি জোরালো হয়ে উঠেছে। যার কারণে এই বগুড়া বিভাগের মধ্যে নওগাঁ জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করে চালানো হচ্ছে প্রচার।

 

 

 

 

 

 

আর নওগাঁ জেলাকে বগুড়া বিভাগের আওয়তায় করতে চাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছে জেলার অধিকাংশ মানুষ। সাধারণ মানুষ, সামাজিক, রাজনৈতিক ব্যক্তি থেকে শুরু করে সংবাদকর্মী পর্যন্ত সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছেন।

 

 

 

 

 

 

উত্তরের শস্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত নওগাঁ জেলার মানুষ রাজশাহী বিভাগেই থাকতে চায়। বিভাগ হিসেবে আলোচনায় আসা বগুড়ার অধীনে অন্তর্ভুক্ত হতে চায়না আয়তনে সবচেয়ে বড় এই জেলার মানুষ।

 

 

 

 

 

 

আবার ভৌগলিক অবস্থানের দিক থেকেও নওগাঁ জেলার অধিকাংশ উপজেলা রাজশাহী বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত এবং যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ ও সুবিধাজনক।

 

 

 

 

 

 

নওগাঁ জেলা ১১টি উপজেলা ও তিনটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এরমধ্যে পশ্চিমে মহাদেবপুর, মান্দা, নিয়ামতপুর, সাপাহার ও পোরশা উপজেলা। উত্তর পশ্চিম কোণে পত্নীতলা ও ধামইরহাট উপজেলা। উত্তরে শুধু বদলগাছী উপজেলা। এবং দক্ষিণে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা। আর সদর উপজেলার সাথে পূর্ব দিকে আছে বগুড়ার সান্তাহার।

 

 

 

 

 

 

এরমধ্যে রাজশাহী জেলার সাথে লাগানো নওগাঁর মান্দা, নিয়ামতপুর, সাপাহার ও আত্রাই উপজেলা। এই সকল উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা সহজ। আবার অন্য উপজেলা মানুষদের যোগাযোগ ব্যবস্থাও সহজ। শুধুমাত্র নওগাঁ সদর উপজেলার কিছু অংশ বগুড়া জেলার সান্তাহার পৌর শহরের সাথে সংযুক্ত। আবার ভৌগলিক অবস্থান থেকে বদলগাছী উপজেলা বগুড়া জেলার কাছে। জেলার সকল উপজেলার মানুষরা রাজশাহী জেলার সাথে পূর্ব থেকে পরিচিত। যেখানে প্রায় ৩০ লাখ জনসংখ্যার ৯০ শতাংশ মানুষই রাজশাহী সাথে যুক্ত। কাজেই অনেকেই চায়না রাজশাহী বিভাগ থেকে আলাদা হতে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

২৪-এর গণঅভ্যুথানের নওগাঁর নেতা ফজলে রাব্বী বলেন, রাজশাহীর অফিস-আদালতের লোকেশন আমাদের জানা-শোনা। এবং শিক্ষা নগরী হিসেবে পরিচিত। ঐতিহ্য এবং উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের আঞ্চলিক পরিচয়ের সঙ্গে রাজশাহী বিভাগের সম্পর্ক গভীর ও সুপ্রতিষ্ঠিত। এ জেলার ৯০ শতাংশ মানুষই রাজশাহী সাথে যুক্ত। আর এই নওগাঁ জেলা উন্নয়নের দিক থেকে বরাবরই পিছিয়ে ও অবহেলিত। অথচ কৃষি প্রধান দেশে বেশির ভাগ খাদ্যোর যোগান উত্তরের অবহেলিত এই নওগাঁ জেলা থেকে দেওয়া হয়ে থাকে। তারপরও আমাদের নেই কোনো উন্নয়ন। বিগত সকল সরকারের সময় এ জেলা থেকে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বড় বড় পদে অনেকেই ছিলেন। রাজনীতিবিদদের সদিচ্ছা ও তাদের ব্যর্থতার কারণে নওগাঁর উন্নয়ন হয়নি। মোটকথা- তারা জেলার উন্নয়ন চাননি বলেই হয়ত উন্নয়ন হয়নি। ভৌগলিক কারণে বিভিন্ন দিক থেকে জেলাটি উন্নয়নে পিছিয়ে রয়েছে। রাজনীতিবিদরা নিজেদের আখের গোছাতে ব্যস্ত ছিলেন। জেলাটি বগুড়ার সাথে যুক্ত হলেই যে উন্নয়ন হবে এমনটা না।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নওগাঁর সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তি এ্যাডভোকেট ডিএম আব্দুল বারী বলেন, আমরা নওগাঁবাসী কেন বগুড়া বিভাগে সংযুক্ত হবো? কোনো যৌক্তিক কারণ নাই। আমরা রাজশাহী বিভাগে আছি ও থাকতে চাই।

 

 

 

 

 

 

সিপিবির নওগাঁ সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক আলিমুর রেজা রানা বলেন, নওগাঁ জেলা ইতিহাস ঐতিহ্যগত ভাবে সমৃদ্ধ। জেলাটি পূর্ব থেকেই রাজশাহীর সাথে সম্পৃক্ত। পরবর্তীতে মহকুমা জেলা থেকে পূর্ণ জেলা হিসেবে রুপ পেল নওগাঁ। এবং রাজশাহী বিভাগের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ভাষা ও রাজনৈতিক ভাবে আমরা রাজশাহীর সাথে সম্পৃক্ত। সবচেয়ে বড় ভাবে সম্পৃক্ত ভূমির সাথে। সবচেয়ে বড় কথা রাজশাহীর বিভাগের সাথে নওগাঁ জেলা খুব গভীরভাবে জড়িত। আর এই কারণে আমরা নতুনভাবে অন্য কোনো বিভাগের সাথে সম্পৃক্ত হতে চাইনা। নতুন করে বিভাগ তৈরির পক্ষে আমি না। নতুন করে বিভাগ তৈরি হলে রাষ্ট্রের খরচ বাড়বে। এতে রাজস্ব ব্যয় বাড়বে। জনগণের ওপর করের বোঝা বাড়বে। যা জনগনের জন্য ক্ষতি। আমরা এই জন্য রাস্তায় নেমে একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করবো।

 

 

 

 

 

 

নওগাঁ জেলা বিএনপির সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক আবু বক্কর সিদ্দিক নান্নু বলেন, সরকার প্রধান যেটা ভাল মনে করবেন আশা করছি নওগাঁবাসীর জন্য সেটাই ভাল হবে। সকল জেলার প্রতি বর্তমান সরকারের সুদৃষ্টি রয়েছে। নওগাঁ যদি নতুন বিভাগের সাথে যুক্ত হয় অবশ্যই উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাবে বলে মনে করছি।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

নওগাঁ-৪(মান্দা) আসনের সংসদ সদস্য ডাঃ ইকরামুল বারী টিপু জানান- রাজশাহী একটি পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী বিভাগ। যা আমরা ছোট থেকে দেখে আসছি। নওগাঁ জেলাবাসী রাজশাহীর সাথে সম্পর্ক এবং সম্পৃক্ত। রাজশাহী একটি শিক্ষা নগরী। যেখানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ সহ গুরুত্বপূর্ন প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমানে দেখা যাচ্ছে কোন কোন প্রতিষ্ঠানের হেড অফিস রাজশাহী থেকে সরিয়ে বগুড়া নেওয়ার চক্রান্ত চলছে। আমরা এর তীব্র বিরোধিতা করছি। বগুড়ার উন্নয়ন হোক এটা আমরা সবাই চাই।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এদিকে জেলার প্রতিটি উপজেলা থেকে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তারা লেখেন, আমরা বগুড়া বি়ভাগে যুক্ত হতে চাই না। নওগাঁবাসী হিসেবে-রাজশাহী বিভাগেই থাকতে চাই। বগুড়ায় যারা অন্তর্ভুক্ত হতে চাইছে এর দায়ভার তাদের নিতে হবে। নওগাঁর জনগণ এর বিচার একদিন করবে। এক্ষেত্রে কেউ কেউ জেলার সরকার দলীয় এমপিকে দোষারোপ করে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন।

 

 

 

 

 

 

তারা লেখেন, জনগণের সম্মতি ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনা না করে কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করলে তা দীর্ঘমেয়াদে অসন্তোষের কারণ হতে পারে। আমরা উন্নয়ন ও প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের বিরোধী নই। তবে নওগাঁ জেলার মানুষের বাস্তব চাহিদা, ঐতিহাসিক সম্পর্ক, প্রশাসনিক সুবিধা এবং জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে নওগাঁকে রাজশাহী বিভাগের আওতায় রাখার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আন্তরিক অনুরোধ জানাচ্ছি।

 

 

 

 

 

 

 

রাণীনগর উপজেলার পাভেল ও চঞ্চলসহ অনেকেই বলেন, বৃহত্তর রাজশাহীর রয়েছে শত বছরের ঐতিহাসিক ঐতিহ্য, আর সেই ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য এক অংশের নাম নওগাঁ। রাজশাহী শুধু একটি প্রশাসনিক বিভাগ নয়-এটি আমাদের শিকড়, আমাদের ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও আবেগের পরিচয়। নওগাঁকে রাজশাহী বিভাগ থেকে বিচ্ছিন্ন করার যেকোনো অপচেষ্টা আমরা কোনোভাবেই মেনে নেব না। ইতিহাস, ঐতিহ্য ও মানুষের আবেগের বিরুদ্ধে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে নওগাঁবাসী তার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ করবে। নওগাঁ রাজশাহী বিভাগেই ছিল, আছে এবং থাকবে—এটাই আমাদের দৃঢ় অবস্থান।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

পোরশার খালেদ ইকবাল, আত্রাইয়ের সেন্টু, মান্দার আপেলসহ অনেকে বলেন, রাজশাহী আমাদের পরিচয়, আমাদের গর্ব, আমাদের হৃদয়ের ঠিকানা। নওগাঁ জেলার মানুষ হিসেবে আমরা বিশ্বাস করি, আমাদের ইতিহাস, সংস্কৃতি ও প্রশাসনিক সম্পর্ক রাজশাহী বিভাগের সাথেই গভীরভাবে যুক্ত।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এছাড়া শত শত ফেসবুকের আইডি থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়। তাদের ফেসবুকের কেমেন্টে প্রতিবাদ জানান হাজা হাজার তরুণ-তরুণী, যুবক-যুবতী ও সাধারণ মানুষজন। আমাদের দাবি—নওগাঁকে রাজশাহী বিভাগেই রাখা হোক। রাজশাহী আমাদের হৃদয়, রাজশাহীই আমাদের পরিচয়।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

উইকিপিডিয়ার তথ্য মতে ১৭৮৬ সালে রাজশাহীর আয়তন ছিল প্রায় ৩৪ হাজার বর্গ কিলোমিটার, অর্থাৎ পাবনা, বগুড়া, রংপুর, মালদহ ও দিনাজপুরের অনেক অংশ রাজশাহীর অন্তর্ভুক্ত ছিল। ১৮১৩ সালে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার প্রশ্নে সীমানা আরও সংকুচিত করে রাজশাহী হতে চাঁপাই নবাবগঞ্জ, রহনপুর, পুর্ণিয়া ও দিনাজপুরের অংশ নিয়ে মালদহ এবং ১৮২১ সালে আদমদিঘী, শেরপুর ও বগুড়া রাজশাহী থেকে পৃথক হয়ে রংপুর ও দিনাজপুরের ১২ টি থানা নিয়ে গঠিত হয় বগুড়া জেলা। আর খেতুপাড়া, রায়গঞ্জ, শাহাজাদপুর, মথুরা নিয়ে পাবনা জেলা গঠিত হয় ১৮৩২ সালে। ১৯১২ সালে এসে রাজশাহী বিভাগের জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৮টিতে।

 

 

 

 

 

১৯৪৭ সালে কুষ্টিয়া, খুলনা, দিনাজপুর, বগুড়া, পাবনা, যশোর, রংপুর ও রাজশাহী জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগকে পুর্নরগঠন করা হয়। এরপর ১৯৬০ সালে রাজশাহী বিভাগের খুলনা, কুষ্টিয়া, যশোর এবং ঢাকা বিভাগের বরিশাল জেলা কর্তন করে খুলনা বিভাগ গঠন করা হয়। ফলে দিনাজপুর, পাবনা, বগুড়া, রংপুর ও রাজশাহী জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগের জেলার সংখ্যা দাঁড়ায় ৫। এবং ১৯৭১সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর এই ৫টি জেলা নিয়ে রাজশাহী বিভাগ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালে এই বিভাগের প্রতিটি জেলার মহকুমা জেলাতে পরিণত হয়। এবং ওই ৫জেলাকে ভেঙে নতুন ১১টি জেলা হয়। তখন এই বিভাগের মোট জেলার সংখ্যা ছিল বগুড়া (বগুড়া ও জয়পুরহাট), পাবনা (পাবনা ও সিরাজগঞ্জ), রাজশাহী (রাজশাহী, নাটোর, নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ), দিনাজপুর (দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও ঠাকুরগাঁও), রংপুর (রংপুর, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, নীলফামারী ও লালমনিরহাট) ১৬টি।

 

 

 

 

 

 

সর্বশেষ নতুন গ্রাম থেকে নওগাঁর নামের শুরু। পরবর্তীতে ১৯৮৪সালের ১মার্চ প্রশাসনিকভাবে পূর্ণাঙ্গ নওগাঁ মহকুমা ১১টি উপজেলা নিয়ে জেলা হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই রাজশাহী বিভাগের অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এর আগে ১৮৭৭ সালে রাজশাহী জেলার অধীনে নওগাঁ মহকুমা গঠিত হয়েছিল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com