
শিমুল রেজা, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার কার্পাসডাঙ্গা শিবনগর ডিসি ইকোপার্কে টেন্ডারের আওতাভুক্ত গাছের বাইরে অতিরিক্ত গাছ কাটার অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে প্রশাসন। স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার টাকার টেন্ডারে ২৯টি মৃত গাছ বিক্রির অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে গাছ কেটে ফেলা বেশি । এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকাল সাড়ে ২০ টার দিকে দামুড়হুদা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শাহীন আলমের নেতৃত্বে প্রশাসনের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ সময় টেন্ডারের আওতাভুক্ত গাছের তালিকা, নম্বরযুক্ত গাছের অবস্থান এবং অতিরিক্ত গাছ কাটার অভিযোগের সত্যতা যাচাইসহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
স্থানীয়দের দাবি, টেন্ডারভুক্ত ২৯টি মৃত গাছে আগে থেকেই নম্বর দেওয়া ছিল। কিন্তু নম্বরবিহীন অতিরিক্ত আরও ছোট মরা গাছের চারা কেটে নেওয়া হয়েছে। তাদের ভাষ্য, কাটা গাছের মধ্যে নিম গাছ ও কাঁঠাল রয়েছে।
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। টেন্ডারের বাইরে থাকা গাছ কীভাবে কাটা হলো, এর অনুমতি কে দিল এবং পুরো কার্যক্রমে দায়িত্বপ্রাপ্তদের তদারকি কোথায় ছিল-এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে চান তারা। একই সঙ্গে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট (নেজারত শাখা, ট্রেজারি শাখা, ডিসি ইকোপার্ক, জেনারেল সার্টিফিকেট শাখা ও আর এম শাখা) মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটি সরেজমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করছে। তদন্ত প্রতিবেদন সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।