
মনোয়ার বাবু, ঘোড়াঘাট (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
সরকারি কৃষি সহায়তা সহজে প্রকৃত কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলায় শুরু হয়েছে কৃষক কার্ড কার্যক্রম। পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রথম ধাপে উপজেলার পালশা ইউনিয়নের প্রায় ৩ হাজার কৃষকের আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১০টায় উপজেলার পালশা ইউনিয়নের বলাহার এলাকায় এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, ঘোড়াঘাট উপজেলায় প্রায় ৩৫ হাজার কৃষক রয়েছেন। প্রাথমিকভাবে পালশা ইউনিয়নকে তিনটি ইউনিটে ভাগ করে পরীক্ষামূলকভাবে আবেদন নেওয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়নে এ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুবানা তানজিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা খাদিজাতুল কুবরা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা নাহিদ হাসানসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
এ সময় উপজেলা বিএনপির সভাপতি শামীম হোসেন চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক আবু সাইদ মিয়া, উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জুবায়ের আহমেদ সাদ্দামসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
আবেদন করতে আসা কয়েকজন কৃষক জানান, আগে সরকারি বিভিন্ন সুবিধা পেতে নানা জটিলতার মুখে পড়তে হতো। কৃষক কার্ড চালু হলে কৃষি সহায়তা, প্রণোদনা ও অন্যান্য সরকারি সুবিধা পাওয়া সহজ হবে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রফিকুজ্জামান বলেন, আবেদন যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য কৃষকদের কৃষক কার্ড দেওয়া হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যতে সরকারি প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ ও বিভিন্ন সেবা দ্রুত নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।
তিনি বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে উপজেলার প্রকৃত কৃষকদের একটি সমন্বিত ডিজিটাল তথ্যভান্ডার তৈরি হবে। এতে কৃষকদের তথ্য সংরক্ষণ সহজ হবে এবং সরকারি সহায়তা আরও স্বচ্ছভাবে বিতরণ করা যাবে।
ইউএনও রুবানা তানজিন বলেন, কৃষক কার্ডের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের একটি নির্ভরযোগ্য তথ্যভান্ডার তৈরি হবে। এর ফলে সরকারি সহায়তা, ভর্তুকি ও কৃষি সেবা দ্রুত এবং স্বচ্ছতার সঙ্গে কৃষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে।