1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:২৯ পূর্বাহ্ন

উনি যে জেলায় যান সে জেলাতেই বিয়ে করেন: সাবেক ওসির ষষ্ঠ স্ত্রী

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৬ Time View

 

ন্যাশনাল ডেস্ক । 

 

‘উনি তো যে জেলায় যান, সে জেলায়ই কালেমা পড়ে বিয়ে করেন’; রাজশাহী নগরের চন্দ্রিমা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব আলমের বিরুদ্ধে এমন বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন নিজেকে তার ষষ্ঠ স্ত্রী দাবি করা আন্নি আক্তার।

 

 

 

 

 

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) নগরের নাদের হাজির মোড়সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাট থেকে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় সাবেক ওসি মাহবুব আলম ও এক নারীকে পুলিশ থানায় নেওয়ার পর সাংবাদিকদের কাছে এই ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। এ ঘটনায় তিনি সাবেক ওসির বিরুদ্ধে চন্দ্রিমা থানায় লিখিত অভিযোগ করার কথা জানান এবং অন্যায়ের বিচার দাবি করেন।

 

 

 

 

 

নওগাঁর বাসিন্দা, নারী উদ্যোক্তা ও কনটেন্ট নির্মাতা আন্নি আক্তার অভিযোগ করেন, চলতি বছরের শুরুতে মাহবুব আলম তাকে বিয়ে করেন। তবে পরে তিনি জানতে পারেন, মাহবুবের প্রতিটি কর্মস্থলেই এমন একাধিক সম্পর্ক ও বিয়ের প্রবণতা রয়েছে।

 

 

 

 

 

৪৬ বছর বয়সী একজন সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার নামমাত্র বিয়ের দাবির সমালোচনা করে আন্নি বলেন, ‘উনি কীভাবে বলেন কালেমা পড়ে বিয়ে করেছি, এই বিয়ের কি কোনো ভিত্তি আছে? সিরাজগঞ্জ থেকে রাজশাহীতে বদলি হওয়ার পরও আমাকে না স্বীকার করে চলে এসে বলেছিলেন, “কে চেনে তোমাকে?” আমার সঙ্গেও তো এই প্রতারণা ঘটেছে।’

 

 

 

 

 

ঘটনার বিবরণ দিয়ে আন্নি জানান, বৃহস্পতিবার রাতে তিনি জানতে পারেন মাহবুব আলম তার কথিত পালিত মেয়ের নামে ভাড়া নেওয়া নাদের হাজির মোড়ের ফ্ল্যাটে এক নারীকে নিয়ে অবস্থান করছেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৭টায় আন্নি দরজায় কড়া নাড়লেও ভেতর থেকে ২ ঘণ্টা কোনো সাড়া না পেয়ে জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে কল দেন। পুলিশ এসে ভেতর থেকে ছিটকিনি লাগানো দরজা না ভাঙলে শেষ পর্যন্ত ফায়ার সার্ভিস এসে দরজা ভেঙে মাহবুব আলম ও এক নারীকে বের করে আনে।

 

 

 

 

 

দরজা খোলার পর সাবেক ওসি মাহবুব আলম ওই নারীকে তার স্ত্রী পরিচয় দিলেও সাংবাদিকদের সামনে কোনো কাবিননামা দেখাতে পারেননি।

 

 

 

 

 

অন্যদিকে আন্নিকে চার দিন আগে তালাক দিয়েছেন বলে দাবি করেন মাহবুব। তবে আন্নি স্পষ্টভাবে জানান, তিনি এ সংক্রান্ত কোনো কাগজ পাননি। চন্দ্রিমা থানায় দুটি পৃথক কক্ষে বর্তমানে মাহবুব আলম ও ওই নারীকে রাখা হয়েছে।

 

 

 

 

 

সিরাজগঞ্জ ইন-সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টারের কমান্ড্যান্ট মোস্তাক আহমেদ জানিয়েছেন, মাহবুব আলম অনুমতি ছাড়াই কর্মস্থল ত্যাগ করে রাজশাহীতে গেছেন, যা প্রশাসনিক অপরাধ। বিষয়টি নিয়ে নওগাঁ জেলা পুলিশ বিভাগীয় ব্যবস্থা নেবে।

 

 

 

 

 

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে চন্দ্রিমা থানার ওসি থাকাকালে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ঘুষের খাম নেওয়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানোর পর তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

 

 

 

 

 

চন্দ্রিমা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মাহমুদ সিদ্দিকী জানান, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এই বিষয়ে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সূত্রঃ দৈনিক কালবেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com