1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
১০ বছর ধরে পাখিদের খাওয়াচ্ছেন কাঁচামাল ব্যবসায়ী বুদ্ধ ডোপ টেস্ট: কারাগার থেকেই নেওয়া হলো সিদ্ধার্থ-মুগ্ধের নমুনা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি আবেদনের সময় বাড়ল মান্দায় ডিবি পরিচয়ে বাড়িতে হানা, স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ;আটক ৩ নলছিটিতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে পিক-আপ ভ্যানের ধাক্কা, নিহত-১ রায়গঞ্জে শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে কুপ্রস্তাবের অভিযোগ পোরশায় তিন মাদকসেবী আটক: ভ্রাম্যমাণ আদালতে জেল ও জরিমানা ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন অনলাইনে পোস্ট করার পর মিলল পরিচয়,৪ দিন পর প্রতিবন্ধী হাবিবের মরদেহ বুঝে নিল পরিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি, দ্রুত আবেদন করুন

১০ বছর ধরে পাখিদের খাওয়াচ্ছেন কাঁচামাল ব্যবসায়ী বুদ্ধ

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬
  • ৩ Time View

 

 

কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ 

 

 

 

 

হ্যামিলনের বাঁশিওয়ালার গল্প কম-বেশি আমরা সবাই জানি। যার বাঁশির সুরে চলে আসে শহরের সব ইঁদুর। ঠিক তেমনই এক বাঁশিওয়ালা সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের কাঁচামাল ব্যবসায়ী বুদ্ধ। তবে বাঁশির সুরে নয় তার ডাকে ছুটে আসে হাজারো পাখি। এ যেন মানুষের প্রতি নিরীহ প্রাণীর বিশ্বাস ও ভালোবাসার নিদর্শন। এভাবে গত ১০ বছর ধরে প্রতিদিন পাখিদের খাওয়ান তিনি।

 

 

 

২০১৬ সালের দিকে হঠাৎ করে কিছু ফলমূল, বিস্কুট ও চানাচুর দিয়ে পাখিদের খাওয়ানো শুরু করেছিলেন বুদ্ধ। এরপর থেকে তা নেশায় পরিণত হয়েছে তার। প্রতিদিন গ্রামের বাড়ির মসজিদে ফজরের নামাজ শেষে হেঁটে জামতৈল বাজারে যাওয়ার জন্য রওনা দেন বুদ্ধ। এ সময় তার পেছন পেছন প্রায় এক কিলোমিটার চলে আসে পাখির ঝাঁক। বাজারের আড়তে পৌঁছানোর পরই চানাচুরের জার হাতে নিয়ে পাখিদের খাওয়ানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি।

 

 

 

 

পাখিপ্রেমী বুদ্ধ বলেন, কামারখন্দের মসজিদে ফজরের নামাজ পড়ে আসি। তখনই পাখিরা বের হয়। পাখিদের খাওয়াতে খাওয়াতে জামতৈল বাজারে নিয়ে চলে আসি। বাজার থেকে আমার বাড়ির দূরত্ব এক থেকে সোয়া এক কিলোমিটার। তিনি আরও বলেন, ১০ বছর ধরে পাখিদের খাওয়াচ্ছি। বাজারের সবচেয়ে ভালো চিকন চানাচুর কিনে পাখিদের খাওয়াই। এটা করতে আমার কোনো ক্লান্তি নেই। আল্লাহ যতদিন বাঁচিয়ে রাখছেন ততদিন পাখিদের এভাবে খাওয়াব। পরিবারের সদস্যরাও আমার এই কাজের সঙ্গে একমত।

 

 

বুদ্ধ আরও বলেন, আমি ডাকলেই কামারখন্দ হাটখোলা থেকে জামতৈল বাজার পর্যন্ত হাজার হাজার পাখি খাওয়ার জন্য চলে আসে। শুরুর দিকে অল্প অল্প করে ফল বা বিস্কুট-চানাচুর দিতাম। পাখিরা সেগুলো খেতো। এরপর নিয়মিত খাওয়ানো শুরু করলাম। সেখান থেকে শুরু করে আস্তে আস্তে এখন হাজার হাজার পাখি চলে আসে।

 

 

 

কামারখন্দের এই পাখিপ্রেমী আরও বলেন, গত ১০ বছরে কখনো অভাব ও অসুস্থতায় পড়েছি, কিন্তু তখনো পাখিদের খাওয়ানোর চেষ্টা করেছি। কিছু পাখি বিকেল পর্যন্ত আমার আশপাশেই থাকে। বাড়ি থেকে আনা আমার খাবার থেকেও তাদের খেতে দিই। যতদিন বেঁচে আছি ততদিন এভাবেই পাখিদের খাওয়াব। বাজারের ব্যবসায়ী গোলাম হোসেন বলেন, এটা একটা ভালো উদ্যোগ। আল্লাহ ওনার মাধ্যমে পাখিদের রিজিকের ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন। এই কাজগুলো সবাই করে না। শুধু পাখি না যে কোনো প্রাণীকে খাবার দেওয়া ভালো কাজ, সওয়াবের কাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com