
ন্যাশনাল ডেস্ক
নওগাঁর পোরশায় উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষায় অন্যের হয়ে প্রক্সি পরীক্ষা দিতে এসে মূল পরীক্ষার্থীসহ দুই তরুণকে আটক করেছে পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের উভয়কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১ হাজার ৭৫০ টাকা করে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে মূল পরীক্ষার্থীকে চলতি পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
শনিবার (৪ জুলাই) দুপুরে পোরশা সরকারি কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- মূল পরীক্ষার্থী পোরশা থানার বারিন্দা গ্রামের মো. রেজাউল সরদারের ছেলে মো. জাহিদ হাসান (২১) এবং প্রক্সি পরীক্ষার্থী একই থানার দেওনাপাড়া গ্রামের সময় বর্মনের ছেলে বিপ্লব বর্মন (২০)।
পুলিশ ও কেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, পোরশা সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা চলাকালীন মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানের পরিবর্তে প্রক্সি পরীক্ষার্থী হিসেবে অংশ নেন বিপ্লব বর্মন। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্রে দায়িত্বরত কক্ষ পরিদর্শকের কাছে বিপ্লবের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। পরে প্রবেশপত্রের ছবির সঙ্গে পরীক্ষার্থীর চেহারার মিল না পাওয়ায় তিনি বিষয়টি কেন্দ্রে কর্তব্যরত নির্বাহী (এক্সিকিউটিভ) ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. নাবিলা ফেরদাউসকে অবহিত করেন।
অভিযোগের সত্যতা পেয়ে ম্যাজিস্ট্রেট প্রথমে প্রক্সি পরীক্ষার্থী বিপ্লব বর্মনকে আটক করেন। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল পরীক্ষার্থী জাহিদ হাসানকেও পরীক্ষা কেন্দ্র এলাকায় ডেকে এনে আটক করা হয়।
আটকের পর পরীক্ষা কেন্দ্রেই ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোসা. নাবিলা ফেরদাউস। আসামিরা অপরাধ স্বীকার করায় উভয়কে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ হাজার ৭৫০ টাকা জরিমানা করা হয়।
পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, দণ্ডপ্রাপ্ত দুই আসামিকে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুপুরের পর নওগাঁ জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।