
ন্যাশনাল ডেস্ক
একসময় দেশের কৃষিপণ্যের সম্ভাবনাময় রপ্তানি পণ্য ছিল পান। কিন্তু পণ্যটির রপ্তানি এখন নানা সংকটে ধুঁকছে। সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ও চাঁদাবাজিতে জিম্মি হয়ে পড়েছেন রপ্তানিকারকরা। বড় ধস নেমেছে রপ্তানিতেও। রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, পান রপ্তানির পুরো প্রক্রিয়া একটি সিন্ডিকেটের কবলে পড়েছে। ‘বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতি’ নামের সংগঠন ও সংগঠনটির প্রধান নেতারা এই সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। দীর্ঘ দুই যুগ ধরে সমিতির নিয়ন্ত্রণ রয়েছে একই ব্যক্তিদের হাতে। তাদের ইশারায় চলে পান রপ্তানি।
অভিযোগ উঠেছে, সমিতির প্রভাবশালী চার নেতার একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণে সাধারণ রপ্তানিকারকরা কার্যত জিম্মি হয়ে পড়েছেন। তাদের নিয়ন্ত্রিত তালিকায় নাম না থাকলে রপ্তানি করা যায় না পান। আর তালিকায় নাম তুলতে ও রপ্তানি চালু রাখতে গুনতে হয় বাড়তি অর্থ। এ নিয়ে ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের ক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রশাসনিক জটিলতা ও আদালতের স্থগিতাদেশ। ফলে বিশ্ববাজারে চাহিদা থাকা সত্ত্বেও পান রপ্তানিতে বিপাকে পড়ছেন সাধারণ রপ্তানিকারকরা। সমস্যার সমাধান না হওয়ায় দিন দিন তাদের উদ্বেগ বাড়ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, পান দ্রুত পচনশীল কৃষিপণ্য হওয়ায় রপ্তানিতে বিঘ্নিত বা সামান্য বিলম্বিত হলেও পুরো চালান নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এতে কৃষক ন্যায্যমূল্য হারান, রপ্তানিকারকরাও লোকসানে বিক্রি করতে বাধ্য হন। শুধু তাই নয়, সময় মতো চাহিদা অনুযায়ী পৌঁছাতে না পারলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে রপ্তানিকারকদের বিশ্বাসযোগ্যতা কমে যায়। এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে পান রপ্তানির বাজারে।
সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ ও আইনি জটিলতায় ক্ষতিগ্রস্ত রপ্তানি
খাত সংশ্লিষ্টরা জানায়, ২০০২ সালে ‘বাংলাদেশ পান রপ্তানিকারক সমিতি’ প্রতিষ্ঠার পর ২০০৩ সালের ৬ মে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অফিস আদেশ জারি করে সমিতির সদস্য ছাড়া পান রপ্তানি করা যাবে না। একই বছরের ১৮ জুন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডও সমিতির সনদ ছাড়া রপ্তানি না করার নির্দেশ দেয়। এর ফলে সাধারণ রপ্তানিকারকদের পান রপ্তানি কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হয়। এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে সাধারণ রপ্তানিকারকরা আদালতে গেলে রিটের আদেশ পক্ষে যায় এবং রপ্তানি ফের শুরু হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ১৩ মার্চ ২০০৮ সালে আদালত সমিতির লাইসেন্স বাতিল করেন। ২০১৪ সালে সমিতি নতুন লাইসেন্স নিলে সেটিও চ্যালেঞ্জ করে রিট হয়। দীর্ঘ শুনানির পর ২০২৫ সালে সমিতি ফের লাইসেন্স পায়। একই বছর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় পুরোনো অফিস আদেশ বহাল থাকার কথা জানালে কাস্টমস সমিতির সনদ ছাড়া রপ্তানি বিল প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেয়। এরপর সমিতি ২৫ হাজার টাকা সদস্য ফি নির্ধারণ করে। কিন্তু সদস্য পদের জন্য অর্থ ও আবেদন করেও সদস্য পদ মিলছে না বলে অভিযোগ রপ্তানিকারকদের।
সব প্রক্রিয়া মেনে আবেদন করেও সদস্য পদ পাচ্ছেন না বলে জানান সবজি ও পান রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জমজম গ্লোবাল এক্সপোর্টস অ্যান্ড ইম্পোর্টসের কর্ণধার মো. মুজিবুল হক চৌধুরী। তিনি বলেন, এ বিষয়ে সমিতির নেতাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। কিন্তু তারা নানা অজুহাত দেখিয়ে সদস্য পদ দিচ্ছেন না। হবে কি হবে না, হলেও কবে নাগাদ হবে—কিছুই জানাচ্ছে না। এদিকে রপ্তানি আটকে গিয়ে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে আমার। অনেক রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, সদস্য হওয়ার পরও সনদ দেওয়া হচ্ছে না। উল্টো প্রত্যয়নপত্রের নামে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা হচ্ছে।
পান রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান স্কাই ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার স্বপন সরকার বলেন, সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহসভাপতি এ চার নেতাই সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রত্যয়নপত্রের নামে চাঁদাবাজি চলছে। প্রতি চালানে সমিতি ১ হাজার টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র দেওয়ার সিস্টেম চালু করেছে। চালানপ্রতি নির্দিষ্ট অর্থও দিতে হয়, নইলে তালিকায় নাম উঠে না।
চাহিদামতো চাঁদা ছাড়া তালিকায় ওঠে না নাম
সাধারণ রপ্তানিকারকদের অভিযোগ, প্রতি দুই থেকে তিন দিন পরপর সমিতি থেকে কাস্টমস কর্তৃপক্ষের কাছে নতুন রপ্তানিকারকের তালিকা পাঠানো হয়। চাঁদা প্রদানকারীদের নাম তালিকায় রাখা হয়। চাহিদামতো চাঁদা না দিলে নাম বাদ দিয়ে নতুন তালিকা পাঠানো হয়। ফলে বৈধ রপ্তানিকারক হয়েও অনেক প্রতিষ্ঠান পান রপ্তানি করতে পারছে না। পান রপ্তানিকারক ডলফিন ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার আনোয়ার হোসাইন বলেন, তালিকায় নাম উঠাতে ১৭ কেজি বাস্কেটে ৭৫০ টাকা ও ১০ কেজি বাস্কেটে ৫০০ টাকা চাঁদা দিতে হয়। নইলে নাম বাদ দিয়ে দেওয়া হয় এবং পণ্য পাঠানো যায় না। শুধু তাই নয়, একজন রপ্তানিকারক মাসে কতটুকু রপ্তানি করতে পারবেন, তার সীমাও বেঁধে দেওয়া হয়। এসব কারণে সাধারণ রপ্তানিকারকরা রপ্তানি করতে পারছেন না এবং এর প্রভাব রপ্তানি আয়েও পড়ছে।
রপ্তানি আয়ে বড় ধস:
সংকটের চিত্র ফুটে উঠেছে রপ্তানি আয়ের পরিসংখ্যানেও। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরে পান রপ্তানি আয় ৩৪ দশমিক ২১ শতাংশ কমেছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ৩২ দশমিক ৫৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যা কমে দাঁড়ায় ২১ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার। সদ্য সমাপ্ত অর্থবছরেও ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় ৩০ দশমিক ১০ শতাংশ রপ্তানি আয় কম হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ২২ দশমিক ৭৮ মিলিয়ন ডলার।
এখানে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয় সৌদি আরবের বাজার। কারণ, দেশের মোট পান রপ্তানি আয়ের প্রায় ৯০ শতাংশই আসে এই একটি দেশ থেকে। রপ্তানিকারকরা জানান, সৌদি আরবের জেদ্দায় সবচেয়ে বেশি পান রপ্তানি হয়ে থাকে। ফলে এ বাজারে সামান্য বিঘ্নও পুরো রপ্তানি খাতকে বিপদের মুখে ঠেলে দিতে পারে।
রপ্তানি পরিসংখ্যানে নজর দিলে দেখা যায়, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে বড় এ বাজারে যেখানে ৩০ দশমিক ৪০ মিলিয়ন ডলারের পান রপ্তানি হয়েছিল, সেখানে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ১৯ দশমিক ১৮ মিলিয়ন ডলার ও ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ২০ দশমিক ৬২ ডলারের রপ্তানি হয়েছে। অর্থাৎ পানের সবচেয়ে বড় গন্তব্য বাজারেও গত দুই অর্থবছরের রপ্তানি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের তুলনায় অনেকখানি কমেছে।
প্রধান বাজার সৌদি আরবের আমদানিকারকদেরও উদ্বেগ
রপ্তানি উল্লেখযোগ্য হারে কমে যাওয়ায় জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটের বাণিজ্যিক যোগাযোগেও বাজারটি ধরে রাখার বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। জানা গেছে, চলতি বছরের ৩০ মে সৌদি আরবের কৃষিপণ্য আমদানিকারক সমিতি জেদ্দাস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেটে লিখিত অভিযোগ পাঠিয়ে জানায়, বাংলাদেশ থেকে পান রপ্তানিতে প্রশাসনিক জটিলতা, অতিরিক্ত অর্থ আদায় এবং রপ্তানি প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতার কারণে ব্যবসা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ৪ জুন জেদ্দার বাংলাদেশ কনস্যুলেটের কমার্শিয়াল কাউন্সিলর সৈয়দা নাহিদা হাবিব বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক সরকারি চিঠিতে উল্লেখ করেন, উচ্চ গুণগত মানের কারণে সৌদি আরবের বাজারে বাংলাদেশি পানের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। যেহেতু বাংলাদেশের প্রায় ৯০ শতাংশ পান সৌদি আরবে রপ্তানি হয়, সেহেতু এ বাজারে এ খাতে নির্বিঘ্ন রপ্তানি কার্যক্রম নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাই তিনি দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেন।
রপ্তনি সহজ করার উদ্যোগ ও আদালতের স্থগিতাদেশ
পান রপ্তানি প্রক্রিয়াকে সহজ ও প্রতিযোগিতামূলক করতে চলতি অর্থবছর ৮ এপ্রিল বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ২০০৩ সালের পুরোনো অফিস আদেশটি বাতিল করে নতুন সার্কুলার জারি করে। পরে বাংলাদেশ ব্যাংকও অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংকগুলোকে রপ্তানি নথি সহজভাবে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়। কিন্তু ওই সার্কুলারের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট হলে আদালত এর কার্যকারিতা স্থগিত করেন। ফলে পুরোনো প্রক্রিয়া ফিরে আসে এবং আবারও সমিতিনির্ভর নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা সক্রিয় হয়ে উঠেছে।
কৃষিপণ্যের রপ্তানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস অ্যান্ড অ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টারস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মনসুর বলেন, কৃষিপণ্যে বিপুল সম্ভাবনা থাকা স্বত্ত্বেও নানা জটিলতায় তা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। দীর্ঘ সময় ধরে পান রপ্তানিকারকরা বৈদেশিক মুদ্রা আয়ে ভূমিকা রাখছেন। কিন্তু বর্তমানে পান রপ্তানিকারক সমিতির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের ফলে ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। রপ্তানি আয়ও অনেক হারে কমে যাচ্ছে। সমিতি প্রত্যয়ন বা সনদ নিয়ে রপ্তানি—এটা কোনো পদ্ধতি হতে পারে না। এর ফলে যে ব্যবসায়ীদের ভোগান্তি ও বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে, তা রপ্তানিতে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এটা দ্রুত সমাধান হওয়া উচিত। সমিতিনির্ভর নিয়ন্ত্রণের পরিবর্তে ডিজিটাল, উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক রপ্তানি ব্যবস্থা হওয়া দরকার। সরকারি নিবন্ধন ও কাস্টমস যাচাইয়ের ভিত্তিতেই রপ্তানির সুযোগ নিশ্চিত করা উচিত।
বছরের পর বছর একই নেতার হাতে পান রপ্তানিকারক সমিতি
জানা গেছে, ২০০৩ সালে প্রতিষ্ঠার শুরু থেকে একই কমিটি পান রপ্তানিকারক সমিতি নেতৃত্বে রয়েছেন। সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন একরামুল করিম, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন জামাল উদ্দীন সিকদার, সহসভাপতি মামুন ও সাংগঠনিক সম্পাদক মুকুল। প্রতিষ্ঠার পর দুই যুগ পার হলেও সমিতির কোনো বার্ষিক সাধারণ সভা হয়নি। নির্বাচন না দিয়ে একই নেতৃত্ব বহাল রাখা হচ্ছে। সমিতির নেই নিজস্ব ওয়েবসাইট। অভিযোগ রয়েছে, সমিতিটি নিয়মিত ডিভিসি অডিটও (ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন কোড) করায় না। অভিযোগ রয়েছে, বর্তমানে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের উল্লেখযোগ্য নিজস্ব কোনো পান রপ্তানির ব্যবসাও নেই। তারা শুধু ব্যবসায়ীদের জিম্মি করে চাঁদা তোলেন।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে পান রপ্তানিকার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জামাল উদ্দিন সিকদার বলেন, আমাদের সমিতির বিষয়ে এখন কয়েকটা মামলা চলমান আছে। আমাদের লিগ্যাল অ্যাডভাইজার বলছেন, এ মুহূর্তে এ সব
ব্যাপারে কোনো কিছু না বলার জন্য। কারণ, কোন বক্তব্য আবার আমাদের লিগ্যাল ম্যাটারে হিট করে, এটা আমি জানি না। লিগ্যাল ম্যাটারটা শেষ হলে আমরা প্রেস কনফারেন্স করে জানাব।
তারপরও রপ্তানি কমার ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, রপ্তানি কমছে এ প্রশ্নটা রং। সমিতির নির্বাচনের ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমাদের সব কিছু আপডেট। এটা কোর্ট ম্যাটার তো আর এটা কিছু বলা যাবে না। আমি যেটা সত্যি, সেটা বলছি। অভিযোগ কে কী করল, না করল এটা আমার কিছু আসে না।
সমিতির অডিট না হওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে জামাল উদ্দিন বলেন, আমি আপনাকে বললাম লিগ্যাল ম্যাটারে কিছু বলাটা ঠিক হবে না। সভাপতি এবং সেক্রেটারির নিজস্ব কোনো রপ্তানি নেই—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এই রপ্তানি লিগ্যাল ওয়েতে জন্ম দিছি আমি। লিগ্যাল ভাবে যে রপ্তানি হয়, সেটার জন্ম দিছি আমি। আমার নাম জামাল উদ্দিন শিকদার। আমার কোম্পানির নাম এয়ার অ্যান্ড জেনারেল ট্রেডিং। অবৈধভাবে যারা ব্যবসা করে, আমরা তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করছি। সমিতির চাঁদাবাজির ব্যাপারে প্রশ্ন করা হলে কোনো জবাব না দিয়েই ফোন কেটে দেন তিনি।
সূত্রঃ দৈনিক কালবেলা।