1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ন

‘শুধু বাদ পড়ার একটা কারণ জানতে চাই’

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১০ Time View

 

 

অনলাইন ডেস্ক 

 

 

 

প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক পদে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়ার অভিযোগ করেছেন এক চাকরিপ্রার্থী। তার দাবি, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও কেন তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেই কারণ জানানো হয়নি।

 

 

 

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক এক পোস্টে ওই প্রার্থী জানান, প্রাথমিক শিক্ষক পদে এটাই ছিল তার প্রথম আবেদন। এর আগে তিনি কখনো প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় আবেদন করেননি। উপজেলাভিত্তিক মেধাক্রমে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

 

 

 

 

ফেসবুক পোস্টে ওই প্রার্থী জানান, তিনি ফার্মেসিতে অনার্স ও মাস্টার্স করেছেন। একাডেমিক কাগজপত্রে কোনো সমস্যা নেই এবং তার বা পরিবারের কারও নামে কোনো ফৌজদারি মামলাও নেই। এমনকি পরিবারের ১৪ গোষ্ঠীর কারও রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা নেই।

 

 

তিনি বলেন, উপজেলায় আমার মেধাক্রম দ্বিতীয়। আমার একাডেমিকের কাগজপত্রে কোনো সমস্যা নেই। আমার বা আমার পরিবারের কারও নামে কোনো ফৌজদারি মামলা নেই। স্থায়ী ঠিকানা, বসতবাড়ি বা জমিজমা নিয়েও কোনো সমস্যা নেই। তবুও আমার নিয়োগপত্র আসেনি।

 

 

 

নিয়োগ না পাওয়ার কারণ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার পরও কোন কারণে আমাকে বাদ দেওয়া হয়েছে, সেটি জানার অধিকার আমার আছে।

 

 

তিনি বলেন, ‘শুধু বাদ পড়ার একটা কারণ জানতে চাই।’

 

 

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রতিযোগিতার প্রসঙ্গ তুলে ওই প্রার্থী বলেন, উপজেলা ভিত্তিক কাটমার্কের মাধ্যমে তাকে যে কঠিন প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে, তা একজন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীই জানেন। সেই প্রক্রিয়ায় মেধাক্রমে দ্বিতীয় হওয়ার পরও নিয়োগ না পাওয়ায় তিনি বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

 

 

এ সময় যারা তার বাদ পড়ার কারণ হিসেবে অসদুপায় অবলম্বনের ইঙ্গিত দিচ্ছেন, তাদের প্রতিও প্রশ্ন রাখেন তিনি। তিনি বলেন, যারা একাধিক ব্যাংক বা বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন, তাদের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার জন্য অসদুপায় অবলম্বনের করা প্রয়োজন কি না?

 

 

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ৯ জানুয়ারি পার্বত্য তিন জেলা ছাড়া দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ৬৯ হাজার ২৬৫ প্রার্থী মৌখিক পরীক্ষার জন্য নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে ৮ ফেব্রুয়ারি নিয়োগের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়, যেখানে ১৪ হাজার ৩৮৪ প্রার্থীকে প্রাথমিকভাবে নিয়োগের জন্য নির্বাচিত করা হয়। কিন্তু দীর্ঘ অপেক্ষার পর শেষ মুহূর্তে ভেরিফিকেশনের নামে শত শত প্রার্থী বাদ পড়ায় দেশজুড়ে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com