
রায়গঞ্জ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা বাজার এলাকায় মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠেছে অবৈধ পাথর বাণিজ্যের একাধিক অস্থায়ী ডিপো। ঘুড়কা পাপিয়া হোটেলসংলগ্ন এলাকাসহ আশপাশের বিভিন্ন স্থানে প্রকাশ্যে পাথর মজুত ও বিক্রির কার্যক্রম চলায় যান চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ছে দুর্ঘটনার আশঙ্কা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে মহাসড়কের জায়গা দখল করে চন্দন সরকার, তরুণ রায়, নিতীশ কুমার সরকার ও আব্দুল লতিফ হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। উত্তরাঞ্চল থেকে ট্রাকে করে আনা পাথর রাস্তার পাশেই খোলা জায়গায় স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। পরে সেখান থেকেই খুচরা ও পাইকারি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, হাটিকুমরুল মহাসড়কের ঘুড়কা পাপিয়া হোটেল এলাকায় রাস্তার ধারে সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে পাথরের স্তূপ। কোথাও কোথাও মহাসড়কের একাংশ দখল করে দাঁড়িয়ে আছে পাথরবাহী ট্রাক। এতে সড়কে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে এবং বাড়ছে যানজট।
স্থানীয় মিশুকচালক আতিকুল ইসলাম ও লতিফ জানান, মহাসড়কের পাশে ট্রাক দাঁড় করিয়ে পাথর ওঠানামার কারণে রাস্তা সংকুচিত হয়ে পড়েছে। সামান্য অসাবধানতায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এছাড়া ধুলাবালুর কারণে পরিবেশ দূষণও বাড়ছে।
একাধিক পরিবহন চালক অভিযোগ করে বলেন, রাতে মহাসড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাক ও পাথরের স্তূপের কারণে গাড়ি চালাতে চরম ঝুঁকির মুখে পড়তে হয়। অন্ধকারে অনেক সময় সামনে কী রয়েছে তা বোঝা যায় না।
সচেতন মহলের দাবি, অনুমোদন ছাড়াই মহাসড়কের পাশে এভাবে পাথর মজুত ও বিক্রি সম্পূর্ণ বেআইনি। প্রশাসনের কার্যকর নজরদারির অভাবে সংশ্লিষ্টরা দিন দিন আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছেন।
এ বিষয়ে হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, “মহাসড়কের পাশে অবৈধভাবে পাথর মজুত ও বিক্রির বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত অভিযান চালিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”