1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
৮ পদের বিপরীতে কর্মরত মাত্র ২ জন,চান্দাইকোনা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসাসেবা চরমভাবে ব্যাহত ঢাকা মহানগর পশ্চিম ছাত্রদলের বর্ধিত কমিটিতে জায়গা পেলেন ঈশ্বরগঞ্জের আলমগীর কবির  সুস্থ মানুষকে ‘ক্যানসার রোগী’ সাজিয়ে সরকারি সহায়তা আত্মসাৎ   পাহাড়ধসে নিহতের পরিবারের পাশে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত; ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছাড়ার আহ্বান মান্দায় লিজ নেওয়া বিল গোপনে সাবলিজের অভিযোগ, মানববন্ধনে মৎস্যজীবীরা রাজবাড়ীর কালুখালীতে এইচএসসি পরীক্ষায় অসাধু উপায় অবলম্বন করায় বহিষ্কার ৫ পরীক্ষার্থী ঠাকুরগাঁওয়ে ৩ জেলার এআই টেকনিশিয়ানদের অবস্থান ধর্মঘট পোরশায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সঙ্গে স্ট্যান্ডিং অর্ডার অন ডিজাস্টার (এসওডি) বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে বিদেশি পিস্তল ও মাদক উদ্ধার ঋণের চাপ এড়াতে অপহরণের নাটক:রহস্য উন্মোচন করল হাটহাজারী থানা পুলিশ

মিসর ম্যাচে আর্জেন্টিনার পক্ষে তিন সিদ্ধান্ত, আইন অনুযায়ী সবই সঠিক

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬
  • ১০ Time View

 

ক্রীড়া ডেস্ক। দৃশ্যপট অনলাইনঃ

 

আর্জেন্টিনা ও মিসরের মধ্যকার বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে ভিএআরের একাধিক সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মিসরের বাতিল হওয়া গোল এবং শেষ দিকে দুটি পেনাল্টির আবেদন ঘিরে বিতর্ক ছড়িয়ে পড়ে। তবে সাবেক ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ রেফারি অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, ম্যাচে ভিএআরের সব গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ছিল নিয়ম অনুযায়ী সঠিক।

 

 

 

 

ম্যাচের ৬২তম মিনিটে মোস্তাফা জিকো দুর্দান্ত এক গোল করে মিসরকে ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে দিয়েছেন বলে মনে হয়েছিল। কিন্তু ভিএআরের পর্যালোচনার পর গোলটি বাতিল করেন ফরাসি রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে।

 

 

 

 

ভিডিও রিপ্লেতে দেখা যায়, গোল হওয়ার আগে একই আক্রমণের ধারাবাহিকতায় মিসরের ডিফেন্ডার মারওয়ান আতিয়া আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্টিনেজের জার্সি টেনে ধরার পাশাপাশি তার পায়ের ওপরও পা রেখেছিলেন।

 

 

 

 

 

 

অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, ভিএআরের হস্তক্ষেপ ছিল একেবারেই সঠিক।

 

 

 

 

 

 

তিনি বলেন, ওই ফাউল সরাসরি আক্রমণের গতিপথে প্রভাব ফেলেছিল এবং তার ফলেই গোলের পরিস্থিতি তৈরি হয়। তাই ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী গোলটি বাতিল করাই ছিল সঠিক সিদ্ধান্ত।

 

 

 

 

ডেভিসের ভাষ্য, ঘটনাটি মাঠের বেশ ওপরে ঘটায় অনেকের কাছে এটি বিতর্কিত মনে হতে পারে। কিন্তু একই আক্রমণের ধারাবাহিকতায় যদি কোনো স্পষ্ট ফাউলের পর গোল হয়, তাহলে সেটি বাতিল করতেই হবে। ভিডিওতে জার্সি টানা এবং পায়ে চাপ দেওয়ার দৃশ্য দেখার পর রেফারির আগের সিদ্ধান্ত বহাল রাখার সুযোগ ছিল না।

 

 

 

 

 

 

ম্যাচের শেষ দিকে মিসর দুটি পেনাল্টির আবেদন জানায়। প্রথম ঘটনায় আর্জেন্টিনার আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারকে হামদি ফাথির জার্সি টানতে দেখা যায়। ফাথি মাটিতে পড়ে গেলেও রেফারি খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন।

 

 

 

 

 

 

এর কিছুক্ষণ পর আর্জেন্টিনার পেনাল্টি এলাকার কাছে মোহাম্মদ সালাহ অভিযোগ করেন, হুলিয়ান আলভারেজ তার পথে বাধা দিয়েছেন। তবে সেই আবেদনও নাকচ করে দেন ম্যাচ কর্মকর্তা।

 

 

 

 

 

 

দুই ঘটনাই ভিএআর পরীক্ষা করে মাঠের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে।

 

 

 

 

 

 

অ্যান্ডি ডেভিসের মতে, প্রথম ঘটনায় ম্যাক অ্যালিস্টার কিছুটা ঝুঁকি নিয়েছিলেন ঠিকই, কিন্তু জার্সি ধরা ছিল খুবই সামান্য এবং তা দীর্ঘ সময় ধরে হয়নি। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এতে হামদি ফাথির বল পাওয়ার সক্ষমতায় উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব পড়েনি। তাই এটিকে পেনাল্টি দেওয়ার মতো গুরুতর ফাউল বলা যায় না।

 

 

 

 

সালাহর ঘটনাতেও তিনি ভিএআরের সিদ্ধান্তকে সমর্থন করেছেন।

 

 

 

 

 

 

ডেভিস বলেন, সালাহ পেনাল্টি আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু আলভারেজের পক্ষ থেকে স্পষ্ট কোনো ফাউল হয়নি। দুই খেলোয়াড়ের বুটের মধ্যে স্বাভাবিক সংঘর্ষ হয়েছে এবং সেই গতি থেকেই সংস্পর্শ তৈরি হয়েছে। এটিকে পেনাল্টি দেওয়ার মতো অপরাধ হিসেবে দেখা যায় না।

 

 

 

 

 

 

অনেকেই সালাহর ঘটনার সঙ্গে মিসরের বাতিল হওয়া গোলের আগের ফাউলের তুলনা করছেন। তবে ডেভিসের মতে, দুটি ঘটনার মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে।

 

 

 

 

 

 

তিনি ব্যাখ্যা করেন, বাতিল হওয়া গোলের আগে ডিফেন্ডারের স্পষ্ট অবৈধ হস্তক্ষেপ ছিল, যেখানে জার্সি টানা এবং পায়ের ওপর চাপ দেওয়া—দুই ঘটনাই একসঙ্গে ঘটেছে। কিন্তু সালাহর ক্ষেত্রে তা ছিল দুই খেলোয়াড়ের স্বাভাবিক গতির মধ্যে বুটের সংস্পর্শ, যা ফাউলের পর্যায়ে পড়ে না।

 

 

 

 

 

 

সাবেক এই প্রিমিয়ার লিগ রেফারির মূল্যায়ন অনুযায়ী, ম্যাচের শেষ মুহূর্তগুলো রেফারি ও ভিএআরের জন্য কঠিন পরীক্ষা ছিল। তবে সবকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তই ফুটবলের আইন এবং ভিএআর প্রোটোকল অনুসারে সঠিকভাবে নেওয়া হয়েছে।

সূত্র: ইএসপিএন

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com