
মোঃ আমিনুর রহমান,ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাথরডুবি ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামে একটি সুপারি বাগানে গ্রীনহাউজ পদ্ধতিতে গাঁজা চাষের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক গাঁজা গাছ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর ২টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুনের উপস্থিতিতে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি দল ওই অভিযান পরিচালনা করে।
পুলিশ জানায়, দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের একটি সুপারি বাগানে তাপ ও বৃষ্টি প্রতিরোধী তারজালি বেষ্টনী তৈরি করে ছোট-বড় আকারের গাঁজা গাছের চাষ করা হচ্ছিল। এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে চিহ্নিত মাদক কারবারি পিতা ও পুত্র—মোঃ জামাল উদ্দিন (৫০) ও তার ছেলে মোঃ রুবেল হোসেন (২৫)—এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্তরা হলেন দক্ষিণ বাঁশজানি গ্রামের বাসিন্দা জামাল উদ্দিন, পিতা মৃত জাফর আলী, মাতা মৃত জয়গুণ বেগম; এবং রুবেল হোসেন, পিতা জামাল উদ্দিন, মাতা মোসাঃ রোকেয়া বেগম।
অভিযানের সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে অভিযুক্ত পিতা-পুত্র সীমান্তের কাঁটাতারের নিচের ড্রেনেজ লাইন ব্যবহার করে ভারতের দিকে পালিয়ে যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ।
উদ্ধার করা গাঁজা গাছের পাশাপাশি গাছ পরিচর্যার জন্য নির্মিত বিশেষ তাপ ও বৃষ্টি প্রতিরোধী বেষ্টনীও জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত আলামত থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ভূরুঙ্গামারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন বলেন, “সীমান্তবর্তী এলাকার মাদক কারবারিরা ভারতীয় গাঁজার বিকল্প বাজার তৈরির লক্ষ্যে নিজেরাই গাঁজা চাষের চেষ্টা করছে। তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে।