1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
নওগার মান্দা উপজেলার জোতবাজার উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের জরাজীর্ণ অবস্থা, ব্যাহত হচ্ছে স্বাস্থ্যসেবা নাসিরনগরে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম   বেনাপোল সীমান্তে  শাড়ি-চাদর-কম্বলসহ ১৭ লাখ টাকার পণ্য আটক নিখোঁজের তিন দিন পর যমুনা নদীতে যুবকের মরদেহ উদ্ধার কুড়িগ্রামে ইয়াবাসহ আইনজীবী দম্পতি আটক সিএনজির পেছনে লুকানো ছিল গাঁজা, গ্রেপ্তার ২ গোসল করে যাওয়ায় ধর্ষণের মামলা নিলেন না ওসি অর্থনৈতিক কূটনীতিতে মাইলফলক প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর ‘আত্রাইয়ের হুজুরে’র পানিপড়া নিতে ফুলবাড়ী স্টেশনে উপচেপড়া ভিড় সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ২৫ লাখ টাকার হেরোইনসহ মাদক সরবরাহকারী গ্রেপ্তার

নাসিরনগরে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও কমেনি দাম  

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬ Time View

 

 

খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর,(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধি

 

নাসিরনগরে শীতকালীন আগাম সবজির সরবরাহ বাড়লেও দাম সাধারণ মানুষের ক্ষয়- ক্ষমতার বাইরে, পণ্যের দাম বাড়ার যে পুরোনো অভিযোগ, শুরুতেই তার প্রতিফলন দেখা যায় নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে। কিছু  অসাধু ব্যবসায়ী ও সিন্ডিকেটের কারসাজিতে বাজার অস্থির হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

কাঁচাবাজার থেকে মুদি, পোশাক, মুরগী থেকে গোস্ত প্রায় সব ক্ষেত্রেই দামের উর্দ্ধগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এতে সীমিত আয়ের মানুষের সংসার খরচে পড়েছে বাড়তি চাপ।

 

আজ শুক্রবার (৩০অক্টোবর) সকাল থেকেই ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার হাওর বেষ্টিত নাসিরনগর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে ও সাপ্তাহিক বাজারে কেনাকাটার  ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

 

তবে বাজারে গিয়ে দামের চিত্র দেখে হতাশা আর ক্ষোভ প্রকাশ করেন অনেকেই। ক্রেতাদের ভাষ্যমতে, গত সপ্তাহের তুলনায় বেশ কিছু পণ্যের দাম বেড়েছে, আবার কিছু পণ্যের দাম আগেই বাড়ানো হয়েছে। শীতকালীন আগাম সবজি বাজার উঠতে শুরু করলেও অতিরিক্ত দামে বিক্রি হচ্ছে দেদারসে।

উপজেলার  কয়েকটি কাঁচাবাজার ঘুরে বিক্রেতাদের দেওয়া তথ্যমতে, লম্বা বেগুন ১২০ টাকা কেজি, গোল বেগুন ১০০ টাকা, টমেটো ৭০–৮০ টাকা, সিম ৬০–৮০ টাকা, শসা ১২০ টাকা, ক্ষিরা ৭০ টাকা,পুঁই শাক ৪০-৫০ টাকা কেজি,করলা ১০০ টাকা কেজি, কাঁচা মরিচ ২০০- ২৬০ টাকা কেজি,  গাজর ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পেঁয়াজ ৫০–৬০ টাকা, লাউ ৭০-৮০ টাকা, কাঁচা কলা ৬০ টাকা হালি ফুলকপি ৬০–৭০ টাকা এবং বাঁধাকপি ৫০–৬০ টাকা দরে বিক্রি করতে দেখা গেছে। বাজারভেদে দামে কিছুটা তারতম্য থাকলেও সামগ্রিকভাবে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতাই স্পষ্ট।

কেনাকাটা করতে আসা সোহেল মিয়া নামে এক ক্রেতা বলেন, শীতকালীন আগাম সবজি সরবরাহ থাকলেও,  চাহিদা বেধে, নানান অজুহাতে  কিছু ব্যবসায়ী আগেভাগে দাম বাড়িয়ে দেন। ফলে শীতের শুরুতেই বাজারে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হয়। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে দৈনন্দিন খরচের তালিকায় কাটছাঁট করতে হচ্ছে।

 

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে বিক্রেতারা শীতের মৌসুম শুরু হওয়া ও সরবরাহ বেশী থাকার পরেও নানাবিধ অজুহাতে পকেট কাটছে সাধারণ  ভোক্তাদের । তাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই দাম বেড়েছে। খুচরা পর্যায়ে কম দামে বিক্রি করা গেলে লোকসান গুনতে হবে। এক বিক্রেতা বলেন, শীতকালীন সবজি এখন বাজারে আসছে। আড়তে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। তাই বাধ্য হয়ে বাড়তি দামে বিক্রি করছি। আরেকজনের ভাষ্য, শীত শুরুর আগে থেকেই চাহিদা বেড়েছে। পাইকারি দামে চাপ পড়েছে। আমরা তো নিজেরা দাম ঠিক করি না, আড়তের দামের ওপর নির্ভর করতে হয়।

 

বাজারে কেনাকাটা করতে আসা মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, ভোক্তারা সব সময় এক ধরনের ভোগান্তির স্বীকার হয়। ব্যবসায়ীরা নিজেদের মতো করে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন। নানা অজুহাতে আমাদের পকেট কাটা হচ্ছে। অন্যান্য দেশে মৌসুমবেদে অনেক পণ্যের দাম কমে বা স্থিতিশীল থাকে। আমাদের দেশে ঠিক উল্টোটা দেখা যায়। কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতি মুনাফার হিসেবে নেন। সরকারি তদারকি বাড়লে এই প্রবণতা কমে আসতো।

 

অনেকেই অভিযোগ করেন, বাজারে কার্যকর মনিটরিং না থাকায় সুযোগ সন্ধানীরা সহজেই দাম বাড়াতে পারেন। ভোক্তারা ন্যায্য দামে পণ্য কিনতে না পেরে বাধ্য হচ্ছেন বেশি দামে কিনতে।

 

ভোক্তা অধিকার নিয়ে কাজ করা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শীতের আগমনীকে  কেন্দ্র করে বাজারে কৃত্রিম সংকট, অতিরিক্ত মুনাফা ও সমন্বয়হীনতার অভিযোগ নতুন নয়। নিয়মিত বাজার তদারকি, পাইকারি থেকে খুচরা পর্যায়ে দামের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নিলে পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

 

শীতের শুরুতেই বাজার পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগ বাড়ছে। সামনে আসছে রোজা। রোজার পুরো মাস—দাম স্থিতিশীল রাখা, কৃত্রিম সংকট ঠেকানো এবং ন্যায্য বাণিজ্য নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সক্রিয় ভূমিকার প্রত্যাশা সবার। ক্রেতাদের আশা, কঠোর নজরদারি ও কার্যকর উদ্যোগে অন্তত নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে স্বস্তি ফিরে আনতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com