
শিমুল রেজা, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
উন্নত পল্লী, সমৃদ্ধ দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় বর্ণাঢ্য র্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে সোমবার (৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা প্রশাসন ও বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের আয়োজনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে একই স্থানে এসে শেষ হয়। পরে ক্ষুদ্র ঋণের চেক ও উপকারভোগীদের মাঝে ফলদ ও বনজ প্রজাতির প্রায় গাছের চারা বিতরণ করা হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। চুয়াডাঙ্গা পল্লী উন্নয়নের বোর্ডের উপ- পরিচালক জাকিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভার শুরুতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন ও গ্রামীণ উন্নয়নের বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন নিয়ে একটি ভিডিও প্রদর্শীত হয়। বক্তারা বলেন, গ্রাম উন্নয়ন হলে দেশ অর্থনৈতিকভাবে আরও সমৃদ্ধ হবে। দেশের উন্নয়নে পল্লী উন্নয়নে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
সভাপতির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নয়ন কুমার রাজবংশী বলেন, পল্লী উন্নয়ন শুধু অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি মানুষের জীবনমান উন্নয়ন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আত্মনির্ভরশীল গ্রাম গড়ে তোলার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির সুফল যেন প্রকৃত উপকারভোগীদের কাছে পৌঁছে, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। পল্লী উন্নয়ন হলে দেশ উন্নয়ন হবে
সভায় আরও বক্তব্য রাখেন, চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ সিদ্দিকুর রহমান, সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা তিথি মিত্র, ব্র্যাকের সমন্বয়কারী মানিক ম্যাক্সিমিলিয়ন, পৌর বিএনপি’র সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মনি, চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম সনি, উপকারভোগী খাদিজা বেগম, শিক্ষার্থী উম্মে হালিমা প্রমুখ।
সভায় উপস্থিত ছিলেন, জেলা পরিবার- পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার সাহা, সমাজসেবা কর্মকর্তা জাকির হোসেন, জেলা তথ্য অফিসার শিল্পী মন্ডল, টিটিসি’র অধ্যক্ষ মোছাব্বেরুজ্জামান, জেলা সমবায় কর্মকর্তা কাজী বাবুল হোসেন, সদর উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম প্রমুখ। সভা শেষে ক্ষুদ্র ঋণ, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ঋণের চেক ও গাছের চারা এবং পল্লী উন্নয়ন কিশোরী সংঘের সদস্যদের উৎসাহ বোনাসের চেক বিতরণ করা হয়।