1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি অনুদান ও বই-গাছ বিক্রির টাকায় অনিয়মের অভিযোগ প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে  পোরশায় নানা কর্মসূচিতে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত  ডিমলায় তিস্তা নদীতে অবৈধ পাথর উত্তোলন বন্ধে টাস্কফোর্সের অভিযান মেশিন বিনষ্ট, জব্দ মালামাল মান্দায় যুবককে লক্ষ্য করে গুলি, অস্ত্রসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার মার্কিন রাষ্ট্রদূতের উত্তরাঞ্চল সফর: পার্বতীপুরে সেন্ট্রাল লোকোমোটিভ কারখানা পরিদর্শন  হত্যামামলার প্রধান আসামি শফিকুল গ্রেপ্তার, ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে আটক গত ১৭ বছরে বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয়েছে জ্বালানি খাতে- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী রায়গঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, বর্ণাঢ্য র‍্যালিতে নেতাকর্মীদের ঢল কালিয়াকৈরে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে এনসিডি কর্নার উদ্বোধন করেন:ড.জিয়াউদ্দিন হায়দার 

একসময়ের ধু-ধু বালু যমুনার চরে বাদামের ফলনে কৃষকের মুখে হাসি

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৬৪ Time View

ন্যাশনাল ডেস্ক

একসময়ের ধু-ধু বালুচর এখন সবুজের সমারোহ। যমুনার বুকে জেগে ওঠা চরের বালু খুঁড়লেই বেরিয়ে আসছে থোকা থোকা চীনা বাদাম। অধিক লাভ ও কম খরচের কারণে কৃষকদের কাছে এই বাদাম এখন ‘সাদা সোনা’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

 

 

বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনা চরাঞ্চলে এ বছর বাদামের বাম্পার ফলন হওয়ায় কৃষকদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি।

 

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রায় ৪৬ বছর আগে যমুনার গ্রাসে ধুনট উপজেলার ১৪টি গ্রামের বসতভিটা ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গিয়েছিল। দীর্ঘ ২৫ বছর পর সেসব স্থানে নতুন চর জেগে ওঠে। শুরুতে এসব জমি অনাবাদি থাকলেও এক দশক ধরে এখানে শুরু হয়েছে চীনা বাদামের চাষ। বর্তমানে চরের বিস্তীর্ণ জমিতে কেবল বাদামেরই আবাদ চোখে পড়ে।

 

 

পুকুরিয়া গ্রামের কৃষক আবু তালেব জানান, চরের জমিতে বালুর পরিমাণ বেশি থাকায় অন্য কোনো ফসল ভালো হয় না। তবে বাদাম চাষের জন্য এই মাটি বেশ উপযোগী। কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে বাদামের বীজ বপন করা হয়।

 

তিনি বলেন, বাদাম চাষে বাড়তি ঝক্কি নেই। নামমাত্র সার ও সামান্য পরিচর্যাতেই ভালো ফলন পাওয়া যায়। প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয় মাত্র দেড় হাজার টাকার মতো।

 

কৃষকদের তথ্যমতে, প্রতি বিঘা জমিতে ৭ থেকে ৮ মণ বাদাম পাওয়া যায়।

নিউসারিয়াকান্দি গ্রামের চাষি আবুল কাসেম জানান, বাজারে প্রতি মণ কাঁচা বাদাম ৩ থেকে সাড়ে ৩ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর শুকনো বাদামের দাম মণপ্রতি ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত উঠছে। খরচ বাদে প্রতি বিঘায় বড় অঙ্কের মুনাফা পাওয়ায় চরাঞ্চলের হাজারো কৃষক এখন বাদাম চাষে ঝুঁকছেন।

 

 

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম জানান, এ বছর যমুনার চরাঞ্চলে বাদামের আবাদ ও উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। অনুকূল আবহাওয়া এবং রোগবালাই কম হওয়ায় বাদামের দানা বেশ পরিপুষ্ট হয়েছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, চরাঞ্চলের অনাবাদি জমিগুলো এখন অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমরা কৃষকদের উন্নত জাতের বীজ ও প্রযুক্তিগত পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করছি।

 

 

এক সময়ের নিঃস্ব হওয়া চরের মানুষগুলো এখন এই ‘সাদা সোনা’র হাত ধরেই নতুন করে বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন। উপযুক্ত বাজারজাতকরণ ও সরকারি সহযোগিতা পেলে এ অঞ্চলের বাদাম দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় অবদান রাখবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com