1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৪৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ অধিকারের দাবিতে এক কাতারে ভূমিহীনরা, রায়গঞ্জে ভূমিহীন সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাতের মধ্যে ১২ জেলায় ঝড়ের আভাস রংপুর সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদের ১২৮৬ মত সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত বাল্কহেড থেকে পড়ে নিখোঁজ, ৪ দিন পর ভেসে উঠল যুবকের মরদেহ বাবা নির্মাণশ্রমিক, মা আয়া—ছেলের সাফল্যে সার্থক তাঁদের ত্যাগ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রায়গঞ্জে শীর্ষে ধানগড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ সিংড়ার দুর্গম বেড়াবাড়ি সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তরের দাবি নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য  এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২শতাংশ

আজ বই উপহার দেওয়ার দিন

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ১০ Time View

 

 

 

অনলাইন ডেস্ক 

 

আজ ৩১ অক্টোবর, ‘বুকস ফর ট্রিটস ডে’ (Books For Treats Day) বা বই উপহার দেওয়ার দিন। যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইনের আনন্দে ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে এ দিনে শিশুদের ক্যান্ডি বা চকলেটের বদলে বই উপহার দেওয়া হয়। উৎসবের আনন্দের পাশাপাশি শিশুদের বই পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তোলাই এ উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

 

 

 

যুক্তরাষ্ট্রে হ্যালোইনে বাড়ি বাড়ি ঘুরে ট্রিট সংগ্রহ করা শিশুদের জন্য পরিচিত এক আনন্দের বিষয়। তবে এ দিনে মিষ্টির বদলে বই পেলে সেই আনন্দ হয়ে উঠতে পারে আরও অর্থবহ। রূপকথা, ড্রাগনের গল্প, গোয়েন্দাদের অভিযান কিংবা কথা বলা প্রাণীর মজার কাহিনি, বইয়ের বিষয়বৈচিত্র্য শিশুদের কল্পনার জগৎকে সমৃদ্ধ করতে পারে। একটি বই থেকে তৈরি হতে পারে নতুন কৌতূহল, আনন্দ কিংবা কোনো গল্পের প্রতি গভীর ভালো লাগা।

 

 

 

যেভাবে শুরু হলো বই উপহারের এই উদ্যোগ

 

 

‘বুকস ফর ট্রিটস’ উদ্যোগের শুরু ১৯৯৫ সালে। যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার সান হোসের লেখক রেবেকা মরগান শিশুদের হ্যালোইনের উপহার হিসেবে ক্যান্ডির পরিবর্তে বই দেওয়ার ধারণা সামনে আনেন। তার ভাবনা ছিল, উৎসবের আনন্দের সঙ্গে এমন কিছু যুক্ত করা, যা শিশুদের দীর্ঘ সময় আনন্দ দেবে এবং পড়ার প্রতি আগ্রহ বাড়াবে।

 

 

 

 

স্থানীয় একটি লাইব্রেরির বই বিক্রির আয়োজন থেকে ভালো অবস্থায় থাকা পুরোনো বই সংগ্রহ করেন মরগান। পরে শিশুদের বয়স ও পড়ার উপযোগিতা অনুযায়ী বইগুলো সাজিয়ে হ্যালোইনে আসা শিশুদের মধ্যে বিতরণ করেন। এতে শিশুরা নিজেদের পছন্দ ও পড়ার সামর্থ্য অনুযায়ী বই বেছে নেওয়ার সুযোগ পায়।

 

 

 

 

উদ্যোগটি শিশু ও অভিভাবকদের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া ফেলে। বই উপহার পাওয়ার আনন্দের পাশাপাশি শিশুদের পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার সম্ভাবনাও অভিভাবকদের উৎসাহিত করে। এর ধারাবাহিকতায় ২০০১ সালে মরগান ‘বুকস ফর ট্রিটস’ নামে একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেন। বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা ও স্কুলে বই উপহার দেওয়ার ধারণা ছড়িয়ে দেওয়াই ছিল এর উদ্দেশ্য। পরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চল ছাড়িয়ে কানাডাতেও এ উদ্যোগের প্রসার ঘটে।

 

 

একটি বই, দীর্ঘদিনের আনন্দ

 

 

বই উপহার দেওয়ার এই উদ্যোগের তাৎপর্য কেবল হ্যালোইনের একটি বিকল্প উপহারেই সীমাবদ্ধ নয়। একটি গল্পের বই শিশুকে নতুন কিছু ভাবতে শেখাতে পারে, তার কৌতূহল বাড়াতে পারে, এমনকি পড়ার প্রতি আজীবনের ভালোবাসা তৈরিতেও ভূমিকা রাখতে পারে।

 

 

ক্যান্ডি বা চকলেটের আনন্দ হয়তো দ্রুত ফুরিয়ে যায়, কিন্তু একটি বইয়ের গল্প থেকে যায় অনেক দিন। আর সেই গল্পের হাত ধরেই কোনো শিশুর জীবনে শুরু হতে পারে নতুন এক পাঠযাত্রা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com