1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রাজশাহী বোর্ডে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৪ শতাংশ অধিকারের দাবিতে এক কাতারে ভূমিহীনরা, রায়গঞ্জে ভূমিহীন সংগঠনের সম্মেলন অনুষ্ঠিত রাতের মধ্যে ১২ জেলায় ঝড়ের আভাস রংপুর সাহিত্য -সংস্কৃতি পরিষদের ১২৮৬ মত সাহিত্য বৈঠক অনুষ্ঠিত বাল্কহেড থেকে পড়ে নিখোঁজ, ৪ দিন পর ভেসে উঠল যুবকের মরদেহ বাবা নির্মাণশ্রমিক, মা আয়া—ছেলের সাফল্যে সার্থক তাঁদের ত্যাগ এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে রায়গঞ্জে শীর্ষে ধানগড়া মহিলা ডিগ্রি কলেজ সিংড়ার দুর্গম বেড়াবাড়ি সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তরের দাবি নেত্রকোনায় অতিরিক্ত শামুক আহরণে সংকটে ডিঙ্গাপোতা হাওরের মৎস্য সম্পদ ও জীববৈচিত্র্য  এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫২.১২শতাংশ

সিংড়ার দুর্গম বেড়াবাড়ি সরকারি  প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থানান্তরের দাবি

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৯ Time View

 

 

সৌরভ সোহরাব, সিংড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

 

 

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ২নং ডাহিয়া ইউনিয়নের চলনবিল অধ্যুষিত দুর্গম বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের দাবি উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষানুরাগীসহ স্থানীয় সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা প্রতিষ্ঠানটির ভবন ও অবকাঠামোসহ গ্রামের পাকা সড়কের পাশে স্থানান্তরের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলনবিলের নিচু অঞ্চলে অবস্থিত বেড়াবাড়ি গ্রামটি বছরের প্রায় ছয় মাস পানিবন্দি থাকে। বিদ্যালয়টির আশপাশের পাড়াগুলোর সঙ্গে সরাসরি কোনো সড়ক যোগাযোগ নেই। ফলে বর্ষা মৌসুমে নৌকায় এবং শুষ্ক মৌসুমেও হাঁটুসমান পানি ও কাদা পেরিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত করতে হয়। এতে দীর্ঘদিন ধরে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের।

বছরের প্রায় ছয় মাস নৌকায় চড়ে কিংবা পানিতে নেমে বই-খাতা ভিজিয়ে শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে আসতে হয়। বর্ষা মৌসুমে সন্তানদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে অনেক অভিভাবকই তাদের স্কুলে পাঠাতে চান না। অন্যদিকে, দুর্গম যোগাযোগব্যবস্থার কারণে বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বেশিদিন বিদ্যালয়ে থাকতে চান না। সুযোগ পেলেই অন্যত্র চলে যান। এ ছাড়া যাতায়াতের পথে বছরে একাধিকবার নৌকাডুবির ঘটনাও ঘটে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কার্তিক মাসে চলনবিলের পানি অনেকটা নেমে গেলেও বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টির চারপাশ এখনো পানিতে ঘেরা। কেউ নৌকায়, আবার কেউ হাঁটুপানি পেরিয়ে বিদ্যালয়ে আসছে।

বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা. মাসুদা খাতুন জানায়, ‘আমরা চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পানিতে নেমে স্কুলে আসতে পারলেও ছোটরা, বিশেষ করে প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা আসতে পারে না।’

অভিভাবক পারুল বেগম বলেন, ‘স্কুলটি এমন একটি জায়গায় অবস্থিত, যেখানে অন্য যেকোনো পাড়া থেকে আসতে খুব কষ্ট হয়। রাস্তা নেই, ঘাট নেই। বর্ষার কয়েক মাস সন্তানদের স্কুলে পাঠাতে ভয় পাই।’

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. এমদাদুল হক জানান, ১৯১৮ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। শতবর্ষী এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাতায়াতের জন্য আজও কোনো সড়ক যোগাযোগের ব্যবস্থা হয়নি। সিংড়া সদর থেকে বিদ্যালয়ে আসতে একজন শিক্ষকের প্রায় দুই ঘণ্টা সময় লাগে। এরপর গ্রামের পাকা রাস্তা থেকে বিদ্যালয়ে পৌঁছাতে নৌকার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। অনেক সময় নৌকাও পাওয়া যায় না। এসব কারণে বাইরে থেকে নিয়োগ পাওয়া শিক্ষকরা বেশিদিন এখানে থাকতে চান না। সুযোগ পেলেই অন্যত্র চলে যান। ফলে বিদ্যালয়টিতে প্রায়ই শিক্ষক সংকট দেখা দেয়।

২নং ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল মজিদ মামুন বলেন, ‘সিংড়া উপজেলার মধ্যে বেড়াবাড়ি অন্যতম দুর্গম গ্রাম। এখানে ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটকেন্দ্রও রয়েছে। ভোটের সময় ভোট গ্রহণ করতেও নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সবদিক বিবেচনায় বিদ্যালয়টি স্থানান্তর করে গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে নেওয়া এখন সময়ের দাবি। এ বিষয়ে আমরা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার জানিয়েছি।’

এ বিষয়ে সিংড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আব্দুল্লাহ আল রিফাত জানান, বেড়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন ও অবকাঠামো স্থানান্তরের বিষয়ে প্রশাসন নীতিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গ্রামের পাকা রাস্তার পাশে সরকারি খাসজমি পাওয়া গেলে সেখানে বিদ্যালয়টি স্থানান্তরের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হবে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াত সহজ হবে। পাশাপাশি ভোটকেন্দ্রে ভোট গ্রহণের সময়ও মানুষের ভোগান্তি কমবে।

 

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com