
ন্যাশনাল ডেস্ক
বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দিয়েছে বিএনপি। বৃহস্পতিবার দলটির উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর তার নাম চূড়ান্ত করা হয়।
দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা, আন্দোলন-সংগ্রাম আর দলের দুঃসময়ে নেতৃত্ব দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন পাওয়ায় উচ্ছ্বসিত তার নিজ জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের মানুষ। শহর থেকে গ্রাম- বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আনন্দের আবহ।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা বলছেন, শিক্ষকতা দিয়ে কর্মজীবন শুরু করা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাজনীতিতে এসে ধাপে ধাপে উঠে এসেছেন জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ পর্যায়ে। দলের মহাসচিব হিসেবে দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালন এবং নানা রাজনৈতিক সংকটে নেতৃত্ব দেওয়ার পর রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নকে তারা তার রাজনৈতিক ত্যাগ ও নিষ্ঠার স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন।
তার মনোনয়নের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর ঠাকুরগাঁওয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে শুরু হয় মিষ্টি বিতরণ, শুভেচ্ছা বিনিময় ও আনন্দ-উচ্ছ্বাস। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে অভিনন্দন জানিয়ে নানা পোস্ট দিচ্ছেন জেলার মানুষ।
ঠাকুরগাঁওবাসীর প্রত্যাশা রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে আরও শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবেন এবং নিজ জেলার মানুষের প্রত্যাশাকেও ধারণ করবেন।
ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি মির্জা ফয়সাল আমিন বলেন, ‘তার যে ত্যাগ এর স্বীকৃতি পেল; এটা আমাদের জেলা ও দেশের সম্মান। তার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের দৃষ্টান্তস্থাপিত হয়েছে তার রাষ্ট্রপ্রতি হওয়া। এটি তার প্রাপ্য ছিল।’
জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী বলেন, ‘ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির জন্য আজকের এই দিনটি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। আজ আমাদের আনন্দের শেষ নেই। দুঃসময়ে দলের প্রতিটি তার অবদান এর প্রতিদান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছে এর জন্য আমরা গর্বিত আমরা আনন্দিত সেসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে আমাদের তৃণমূলের পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’