
শিমুল রেজা, চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিট আনসার গার্ড ব্যাটালিয়ন (৯ বিএন)-এর ৫০ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপিত হয়েছে।চুয়াডাঙ্গা শহরতলীর ডিঙ্গেদহ আনসার ব্যাটেলিয়ান( বিএন) সদর দফতরে দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে এ দিবস পালন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার মো. আব্দুস সামাদ (বিভিএম, পিভিএমএস)। বাহিনীর পক্ষ হতে দেশের প্রতিটি জেলায় তৃণমূল পর্যায়ের বিএন সদস্যদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। অর্ধশতাব্দীর এই গৌরবোজ্জ্বল যাত্রায় দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় বিএন সদস্যদের অবদান গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হচ্ছে।
দিনের শুরুতে মহান আল্লাহর দরবারে দেশ, জাতি ও বাহিনীর সার্বিক কল্যাণ কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। এরপর বিএন সদস্যদের অংশগ্রহণে বেলুন ও শান্তির প্রতীক পায়রা উড়িয়ে এবং কেক কাটার মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিক কর্মসূচির সূচনা করা হয়। আয়োজিত উদ্বোধনী ও বর্ণাঢ্য র্যালি আভি কার্যালয় সংশ্লিষ্ট এলাকা প্রদক্ষিণ করে। এছাড়াও দিবসটি উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা, প্রেরণামূলক কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী খুলনা রেঞ্জের রেঞ্জ কমান্ডার মো. আব্দুস সামাদ (বিভিএম, পিভিএমএস)।
প্রধান অতিথি বক্তব্যে বলেন, সদস্যদের আরও দক্ষ, পেশাদার ও শারীরিকভাবে সক্ষম করে গড়ে তুলতে প্রশিক্ষণের মানোন্নয়নে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সদস্যদের সততা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার নির্দেশনা দেন এবং শৃঙ্খলাভঙ্গের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার বার্তা দেন। দেশের স্বার্থে পালন করতে হবে। ক্ষুধা মুক্ত, দারিদ্র্যমুক্ত, সন্ত্রাসমুক্ত, চাঁদাবাজ মুক্ত একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়বো, এটাই আমাদের প্রত্যয়। তিনি আরও বলেন, সদস্যদের মৌলিক চাহিদা পূরণে বাহিনী কাজ করছে এবং তাদের প্রাপ্যতা নিশ্চিত করতে তিনি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিঙ্গেদহ আনসার ব্যাটালিয়ন পরিচালক সাজ্জাদ মাহমুদ, উপ-পরিচালক খাদেমুল ইসলাম, কোম্পানি কমান্ডার আবুল কালাম আজাদ, মেহেরপুর জেলা কমান্ডেন্ট আলামিনসহ বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধিরা। দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির পর প্রীতিভোজের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা শেষ হয়।