1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:২৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
‘সবার জন্য উন্নয়ন, সবার জন্য ভালোবাসা’—চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী জহুরুল মাস্টার কালিয়াকৈরে পোশাক শ্রমিকদের সর্মনিম্ন বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ  ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি-আলিমের ফলে এগিয়ে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা আমতলীতে অগ্নিকাণ্ডে দুটি দোকান পুড়ে ছাই  রাজশাহী বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৪৫.০৬ শতাংশ আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছেন প্রায় ৭০ চরমপন্থি সলঙ্গায় এইচএসসি-আলিমে মিশ্র ফল, এগিয়ে দুই প্রতিষ্ঠান বাঘায় রুমিয়া হত্যা মামলায় দুই আসামিসহ গ্রেপ্তার ৩  ১০ শিক্ষক, ৭ পরীক্ষার্থী—পাস করাতে পারেননি একজনকেও কামারখন্দে ইছামতী নদীতে নিখোঁজের ২২ ঘণ্টা পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

ভূরুঙ্গামারীতে এইচএসসি-আলিমের ফলে এগিয়ে ধলডাঙ্গা কলেজ ও ফাজিল মাদ্রাসা

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ৩১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭ Time View

মোঃ আমিনুর রহমান,ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি

 

 

২০২৬ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও আলিম পরীক্ষার ফলাফলে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় প্রতিষ্ঠানভেদে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে। সাধারণ কলেজগুলোর মধ্যে শতভাগ পাসের হার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে ধলডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ। অন্যদিকে মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে পাসের হার ও জিপিএ-৫ অর্জনে এগিয়ে রয়েছে ভূরুঙ্গামারী ফাজিল মাদ্রাসা। তবে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে পাসের হার কম হওয়ায় শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী, উপজেলার ছয়টি সাধারণ কলেজ ও তিনটি মাদ্রাসাসহ মোট নয়টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তথ্য পাওয়া গেছে। কারিগরি ও টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজগুলোর ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

সাধারণ কলেজগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ তিনটি জিপিএ-৫ পেয়েছে ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজ। মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ চারটি জিপিএ-৫ পেয়েছে ভূরুঙ্গামারী ফাজিল মাদ্রাসা। অন্যদিকে সোনাহাট ডিগ্রি কলেজ, মাইদাম কলেজ, বাউশমারী ফাজিল মাদ্রাসা ও চর বড়ুইটারী আলিম মাদ্রাসা থেকে কোনো শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করতে পারেনি।

 

ধলডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজ (১২২১২৭) থেকে একজন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে একজনই পাস করেছে। পাসের হার ১০০ শতাংশ। মানবিক বিভাগের ওই একমাত্র পরীক্ষার্থী পাস করেছে। তবে সরেজমিনে প্রতিষ্ঠানটির অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা দেখা গেছে। কলেজটির দুটি কক্ষে বেড়া নেই এবং অফিসকক্ষও নেই। এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রতিষ্ঠানের প্রধান মো. রিয়াজুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।

ভূরুঙ্গামারী ফাজিল মাদ্রাসা (১২২১০৫) থেকে ৭১ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৪৯ জন। পাসের হার ৬৯ দশমিক ০১ শতাংশ। সাধারণ বিভাগে ৬৩ জনের মধ্যে ৪১ জন পাস করেছে এবং চারজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগে ১১ জনের মধ্যে আটজন পাস করেছে।

বাউশমারী ফাজিল মাদ্রাসায় ১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে সাতজন পাস করেছে। পাসের হার ৫৮ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

বলদিয়া কলেজ (১৩৭৭৫৭) থেকে ৯৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬১ জন পাস করেছে। পাসের হার ৬৩ দশমিক ১৬ শতাংশ। মানবিক বিভাগের ৮৮ জনের মধ্যে ৫৪ জন পাস করেছে এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ছয়জনই পাস করেছে। তবে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের একমাত্র পরীক্ষার্থী ফেল করেছে।

ভূরুঙ্গামারী মহিলা ডিগ্রি কলেজ থেকে ২৫৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ১২০ জন। পাসের হার ৪৬ দশমিক ৮৮ শতাংশ। প্রতিষ্ঠানটি থেকে তিনজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। মানবিক বিভাগের ২৩০ জনের মধ্যে ৯৭ জন, বিজ্ঞান বিভাগের ২২ জনের মধ্যে ২০ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের চারজনের মধ্যে তিনজন পাস করেছে।

সোনাহাট ডিগ্রি কলেজ (১২২১২৪) থেকে ২৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১১৫ জন পাস করেছে। পাসের হার ৪৩ দশমিক ৪০ শতাংশ। মানবিক বিভাগের ২৫৩ জনের মধ্যে ১০৬ জন, বিজ্ঞান বিভাগের ১০ জনের মধ্যে আটজন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের দুজনের মধ্যে একজন পাস করেছে। প্রতিষ্ঠানটি থেকে কেউ জিপিএ-৫ পায়নি।

ভূরুঙ্গামারী সরকারি কলেজ (১২২১২২) থেকে ৩৬৫ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১২২ জন পাস করেছে। পাসের হার ৩৩ দশমিক ৪২ শতাংশ। মানবিক বিভাগের ২৮৫ জনের মধ্যে ৮৪ জন পাস করেছে এবং একজন জিপিএ-৫ পেয়েছে। বিজ্ঞান বিভাগের ৪১ জনের মধ্যে ২৫ জন পাস করেছে, ১৫ জন ফেল করেছে এবং একজন বহিষ্কৃত হয়েছে। ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ৪০ জনের মধ্যে পাস করেছে ১৪ জন।

চর বড়ুইটারী আলিম মাদ্রাসা (১২২১০৭) থেকে ২৪ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ছয়জন পাস করেছে। পাসের হার ২৫ শতাংশ। এ প্রতিষ্ঠানের সাধারণ বিভাগের ১৮ জন পরীক্ষার্থী ফেল করেছে।

অন্যদিকে মাইদাম কলেজ (১২২১২৫) থেকে ২৮ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে মাত্র পাঁচজন পাস করেছে। পাসের হার ১৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ। মানবিক বিভাগের ২৬ জনের মধ্যে পাঁচজন পাস করেছে এবং ২১ জন ফেল করেছে। বিজ্ঞান বিভাগের দুজন পরীক্ষার্থীই ফেল করেছে।

 

সামগ্রিক ফলাফলে দেখা যায়, সাধারণ কলেজগুলোর মধ্যে ধলডাঙ্গা স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাসের হার সর্বোচ্চ হলেও সেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল মাত্র একজন। অন্যদিকে মাইদাম কলেজে পাসের হার সর্বনিম্ন। মাদ্রাসাগুলোর মধ্যে ভূরুঙ্গামারী ফাজিল মাদ্রাসা তুলনামূলক ভালো ফল করেছে, আর চর বড়ুইটারী আলিম মাদ্রাসার পাসের হার সবচেয়ে কম।

প্রতিষ্ঠানগুলোর ফলাফলে এমন ব্যবধানের পাশাপাশি অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার বিষয়টিও সামনে এসেছে। শিক্ষার মানোন্নয়নে পাঠদান কার্যক্রম জোরদার, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নিশ্চিত করা এবং ফলাফল খারাপ হওয়ার কারণ পর্যালোচনা করে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন সচেতন মহল।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com