
মোঃ মোফাছসিল খান, নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধিঃ
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের আয়োজনে আজ ১২ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে ৭ দিনব্যাপী ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব, ২০২৬। উৎসবটি চলবে ১৮ জুলাই পর্যন্ত।বিভাগের স্নাতকোত্তর ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের নির্দেশনা শাখার শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত করে তুলতে গত তিন বছরের ধারাবাহিকতায় এবারও এই আয়োজন করছে বিভাগটি।
আগামী ১২ জুলাই নতুন কলা ভবনের নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগের সম্মুখে উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোশাররফ হোসেন। উৎসবের উদ্বোধন করবেন ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. ইসমাইল। এ বছর নাট্যজন সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব আবুল হায়াত মহোদয়কে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইমদাদুল হুদা এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের প্রফেসর ড. আরিফ হায়দার। স্বাগত বক্তব্য রাখবেন মো. মাজহারুল হোসেন তোকদার, কোর্স শিক্ষক ও সদস্য সচিব, ৪র্থ আন্তর্জাতিক নাট্যোৎসব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রফেসর ইসমত আরা ভূঁইয়া, বিভাগীয় প্রধান, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগ এবং আহ্বায়ক থাকবেন সৈয়দ মামুন রেজা, সহযোগী অধ্যাপক, নাট্যকলা ও পরিবেশনা বিদ্যা বিভাগ।
৭ দিনব্যাপী এই নাট্যোৎসবের প্রথম দিন থাকবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বাংলাদেশ-এর পরিবেশনা, শাহমান মৈশানের রচনা এবং সঞ্জিত কুমার দে-র পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাটক “ভাষা অথবা প্রেমের রাজনৈতিক বিপর্যয়”।
দ্বিতীয় দিন থাকছে মার্কণ্ডেয় পুরাণের ‘রক্তবীজ বধ’ কাহিনী ও ঐতিহ্যবাহী কালিকাচ-এর নাট্য আঙ্গিক অবলম্বনে রচিত, শিক্ষার্থী নির্দেশক জাফরিন হক তুলির পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় নাটক “কালিকা”।
তৃতীয় দিন মঞ্চস্থ হবে লি ব্রেসিং-এর রচনায় এবং মোহাম্মদ মিজানুল কায়েস-এর অনুবাদে “ইনডিপেনডেন্স” নাটকটি, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় শিক্ষার্থী নির্দেশক সামিয়া সুলতানা চারু।
চতুর্থ দিন থাকছে ইয়াজো ইয়ামামোতো-এর রচনায় এবং অধ্যাপক আব্দুস সেলিমের অনুবাদে “একশ বস্তা চাল” নাটক, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় শিক্ষার্থী নির্দেশক মো. শাহীন আলম।
পঞ্চম দিন বার্টোল্ট ব্রেখট-এর রচনা এবং আসাদুজ্জামান নূর-এর রূপান্তরে “দেওয়ান গাজীর কিসসা” নাটকটি নবরূপায়ণ করে পরিকল্পনায় থাকবেন শিক্ষার্থী নির্দেশক মো. শাকিল আহমেদ।
ষষ্ঠ দিন শওকত ওসমান-এর নাটক “ক্রীতদাসের হাসি” নবরূপায়ণ, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় থাকবেন হাবিবা আক্তার পিংকি।
আর সপ্তম তথা শেষ দিন থাকছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোন্নাগড়ের শিল্পাঞ্জন-এর পরিবেশনা নাটক “পঞ্চমীর চাঁদ”— সাদাত হাসান মান্টোর গল্প অবলম্বনে নাট্যরূপ দিয়েছেন তুষার রায়, পরিকল্পনা ও নির্দেশনায় রাজা দে।