
লিমন,দৃশ্যপট ডেস্ক
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার ঘুড়কা ইউনিয়নের শ্যামনাই থেকে দুর্গাপুর পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার আঞ্চলিক সড়কের দীর্ঘদিনের বেহাল অবস্থার সংবাদ দৃশ্যপট অনলাইনে প্রকাশিত হওয়ার পর দ্রুত সংস্কার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলা চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির আহমেদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইটের আদলা ও রাবিশ ফেলে সাময়িকভাবে চলাচল উপযোগী করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় সামান্য বৃষ্টিতেই তা কাদাময় হয়ে পড়ত। ফলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কৃষক, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবীসহ প্রায় ৮ হাজার মানুষকে প্রতিনিয়ত চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল।
দৃশ্যপট অনলাইনে সড়কটির দুরবস্থার সংবাদ প্রকাশের পর বিষয়টি স্থানীয় জনমনে ব্যাপক সাড়া ফেলে এবং সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। সংবাদটি নজরে আসার পর ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির আহমেদ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করে ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ইটের আদলা ও রাবিশ ফেলার উদ্যোগ নেন। এতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তিতে থাকা এলাকাবাসী আপাতত কিছুটা স্বস্তি ফিরে পেয়েছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত এই সড়কের কারণে তাদের নিত্যদিনের চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। সংবাদ প্রকাশের পর দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু হওয়ায় তারা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে জনদুর্ভোগের স্থায়ী সমাধানের জন্য সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ইঞ্জিনিয়ার সাব্বির আহমেদ বলেন, “জনগণের দুর্ভোগের বিষয়টি জানতে পেরে আমি তাৎক্ষণিকভাবে সড়কটির চলাচলযোগ্যতা ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। পাশাপাশি সড়কটির স্থায়ী উন্নয়ন ও পাকাকরণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।”
এলাকাবাসীর প্রত্যাশা, সাময়িক সংস্কারের পাশাপাশি দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির স্থায়ী উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। তাদের মতে, সড়কটি পাকাকরণ হলে যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের পাশাপাশি শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ইতিবাচক গতি সঞ্চার হবে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ফলে দীর্ঘদিনের একটি জনদুর্ভোগের বিষয় সংশ্লিষ্টদের নজরে এসেছে। তারা আশা করছেন, দ্রুত সময়ের মধ্যে সড়কটির স্থায়ী সংস্কার সম্পন্ন হবে এবং এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে।