1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ০৫:২৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
একযুগ পেরিয়ে মানবতার সেবায় ‘প্রিয় সলঙ্গার গল্প’র ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কালিয়াকৈরে তুরাগ নদে পিকনিকের নামে নৌকায় বেহায়াপনা, অতিষ্ঠ এলাকাবাসী  নেত্রকোনার বারহাট্টায় অভিভাবকদের না জানিয়েই স্কুল কমিটি গঠনের অভিযোগ ঝালকাঠিতে বাস–মাহিন্দ্রার মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২ রায়গঞ্জে বিএনপি নেতা গোলাম হোসেনের সুস্থতায় দোয়া চাইলেন কৃষকদল নেতা হাফিজুর রহমান ছোট্ট যে আমলে মাফ হয় ১০০ গোনাহ আগস্টের জন্য জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারণ যাত্রীবাহী ট্রেন রেখে উধাও চালক ডায়াবেটিসে কোন ফল খাবেন, কোনগুলো এড়িয়ে চলবেন? কালের স্রোতে হারিয়ে যাচ্ছে নাসিরনগর চাতলপাড়ের বঙ্গবিহারী রায়ের বাড়ি   

ডায়াবেটিসে কোন ফল খাবেন, কোনগুলো এড়িয়ে চলবেন?

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ৯ Time View

ছবি: সংগৃহীত

 

 

 

 

অনলাইন ডেস্ক 

 

 

 

 

 

বাংলাদেশে দিন দিন বাড়ছে ডায়াবেটিসে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা। অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক পরিশ্রমের অভাব এবং জীবনযাপনের নানা পরিবর্তনের কারণে এ রোগ এখন সব বয়সীদের মধ্যেই দেখা যাচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে ওষুধ ও নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা যেমন জরুরি, তেমনি সঠিক খাদ্যাভ্যাসও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

 

 

ফল শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের অন্যতম উৎস। তবে সব ফল ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সমান উপকারী নয়। কিছু ফলে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি থাকায় তা রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়াতে পারে। আবার কিছু ফলের গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (GI) কম হওয়ায় সেগুলো তুলনামূলক নিরাপদ।

 

 

 

 

 

 

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য উপকারী ফল

 

ফেলে দেওয়া কাঁঠালের বীজেই মিলল নতুন সম্পদ

 

 

 

ঘুমের মধ্যে পায়ে খিঁচুনি কেন হয়? জানুন কারণ ও করণীয়

 

আপেল

 

 

আপেলে ক্যালোরি কম এবং খাদ্যআঁশ (ফাইবার) বেশি থাকে। এতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে শর্করা ধীরে ধীরে বাড়তে সাহায্য করে। পাশাপাশি এটি দীর্ঘ সময় পেট ভরা রাখে।

 

 

পেয়ারা

 

 

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য পেয়ারা অন্যতম উপকারী ফল। এতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন সি, খাদ্যআঁশ এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এর গ্লাইসেমিক ইনডেক্স কম হওয়ায় এটি রক্তে সুগারের মাত্রা দ্রুত বাড়ায় না।

 

 

বেরিজ (স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি ইত্যাদি)

 

 

বেরিজজাতীয় ফলে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন ও ফাইবারের পরিমাণ বেশি। গবেষণায় দেখা গেছে, এসব ফল ইনসুলিনের কার্যকারিতা বাড়াতে এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

 

 

কমলা ও মাল্টা/মুসাম্বি

 

 

লেবুজাতীয় ফল ভিটামিন সি সমৃদ্ধ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সহায়তা করে। এতে থাকা ফাইবারও রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে ভূমিকা রাখে।

 

 

নাশপাতি

 

 

নাশপাতিতে দ্রবণীয় ফাইবারের পরিমাণ বেশি। এটি হজমে সহায়তা করে এবং রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা ধীরে বাড়তে সাহায্য করে।

 

 

 

যেসব ফল সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত

 

 

আম

 

 

আমে প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি। তাই ডায়াবেটিস রোগীরা চাইলে অল্প পরিমাণে খেতে পারেন, তবে প্রতিদিন নয় এবং পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

 

 

কলা

 

 

বিশেষ করে অতিপাকা কলার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি। তাই এটি সীমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো। কাঁচা বা কম পাকা ছোট কলা তুলনামূলক ভালো বিকল্প হতে পারে।

 

 

আনারস

 

 

আনারসে প্রাকৃতিক শর্করার পরিমাণ বেশি থাকে। তাই অতিরিক্ত খেলে রক্তে সুগারের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে খাওয়ার পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা।

 

 

আঙুর

 

 

আঙুরে প্রাকৃতিক চিনির পরিমাণ বেশি। একসঙ্গে বেশি আঙুর খেলে রক্তে শর্করা দ্রুত বাড়তে পারে। তাই খুব অল্প পরিমাণে খাওয়াই নিরাপদ।

 

 

 

যেসব ফল এড়িয়ে চলাই ভালো

 

 

শুকনো ফল

 

 

খেজুর, কিশমিশসহ বিভিন্ন শুকনো ফলে পানির পরিমাণ কমে যাওয়ায় চিনির ঘনত্ব অনেক বেড়ে যায়। ফলে এগুলো দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের এগুলো যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলাই ভালো।

 

 

ফল খাওয়ার সময় যেসব বিষয় মনে রাখবেন

 

 

 

ফলের জুসের পরিবর্তে সম্পূর্ণ ফল খাওয়ার চেষ্টা করুন।

 

একবারে বেশি ফল না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খান।

 

প্রতিদিন একই ধরনের ফল না খেয়ে বিভিন্ন ধরনের ফল পর্যায়ক্রমে খেতে পারেন।

 

ফল খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে, তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

 

ব্যক্তিভেদে সহনশীলতা ভিন্ন হতে পারে। তাই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী খাদ্যতালিকা নির্ধারণ করাই সবচেয়ে নিরাপদ।

 

 

সাধারণ প্রশ্ন

 

 

প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগীরা কি আম খেতে পারেন?

 

উত্তর: হ্যাঁ, তবে খুব অল্প পরিমাণে এবং প্রতিদিন নয়।

 

 

প্রশ্ন: ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সবচেয়ে উপকারী ফল কোনগুলো?

 

উত্তর: পেয়ারা, আপেল, নাশপাতি, কমলা এবং বেরিজাতীয় ফল।

 

 

প্রশ্ন: কলা কি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ?

 

উত্তর: না। তবে অতিপাকা কলা এড়িয়ে চলা ভালো। প্রয়োজন হলে ছোট আকারের কম পাকা কলা সীমিত পরিমাণে খাওয়া যেতে পারে।

 

 

 

বিশেষ সতর্কতা

 

 

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে শুধু ফল নির্বাচনই নয়, মোট কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ, শারীরিক পরিশ্রম, ওষুধ এবং নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসরণ করাও সমান গুরুত্বপূর্ণ। তাই কোনো খাদ্যতালিকায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনার আগে অবশ্যই চিকিৎসক বা নিবন্ধিত পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com