1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৭:২০ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
আবারও ঠাকুরগাঁও জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত খাইরুল ইসলাম দেশে নিবন্ধিত মোটরসাইকেলের সংখ্যা কত, জানালেন সড়কমন্ত্রী রাউজানে যুবদল নেতা হত্যা:দুই দিনেও নেই গ্রেপ্তার  রাজবাড়ীর কালুখালীতে পাটক্ষেত থেকে যুবকের মরদেহ উদ্ধার  চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে বিজিবির অভিযানে বিদেশি পিস্তল- গুলি-গাঁজা উদ্ধার পুশইনের শঙ্কায় ঠাকুরগাঁও সীমান্তে বিজিবির সঙ্গে পাহারায় গ্রামবাসী নলছিটিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধনে মানহানি হওয়ায় অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন রাজশাহী বহুমুখী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত অভিযোগের ৩০ মিনিটেই বিদ্যালয় এলাকা বখাটেমুক্ত করল রায়গঞ্জ পুলিশ সরকারি প্রাথমিক শিক্ষক বদলির ক্ষমতা পাচ্ছেন ডিসি-ইউএনওরা

টেনিস বলের গায়ে এই লোম কেন থাকে? আসল রহস্য জেনে নিন

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : সোমবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২৫
  • ২১২ Time View

 

দৃশ্যপট ডেস্ক:

 

টেনিস খেলা যারা ভালোবাসেন কিংবা এর বল দিয়ে একসময় ক্রিকেট খেলেছেন, তাদের অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে, টেনিস বলের গায়ে এই ছোট ছোট লোম বা তুলোর মতো অংশগুলো কেন থাকে?

যদি কখনো টেনিস ম্যাচ দেখে থাকেন তাহলে লক্ষ্য করবেন, প্রত্যেক খেলোয়াড় নতুন বল হাতে নেওয়ার পর তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখে। আসলে তারা বলের ওই সূক্ষ্ম লোমগুলোই খেয়াল করে।

যে কারণে লোম থাকে

টেনিস বলের পৃষ্ঠে থাকা অসংখ্য ক্ষুদ্র লোমগুলোকে ‘ন্যাপ’ বলা হয়। বলটি তৈরির সময় একটি প্রেশারাইজড রাবার বলের চারপাশে এই ন্যাপ বা সূক্ষ্ম লোমের আস্তরণ তৈরি করে। সাধারণত উল, নাইলন, তুলা বা এদের সংমিশ্রণে তৈরি হয় এই আবরণ।

এই ন্যাপের মূল কাজ হলো বলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বাড়িয়ে এটি বলের গতি কিছুটা কমিয়ে আনে। ফলে বল দ্রুত নিচে পড়ে না, বরং বাতাসে কিছুটা ভাসে।

ধরা যাক, একজন খেলোয়াড় সার্ভ করলেন। বলের গতি তখন ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ মাইল। কিন্তু প্রতিপক্ষের র‍্যাকেট ছুঁয়ে ফেরার সময় ঘর্ষণের কারণে সেই গতি নেমে আসে প্রায় ৫০ মাইল-এ। এই সূক্ষ্ম লোমগুলো বলের পেছনে এমন এক ধরনের বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে, যা ব্যাক স্পিন বা টপ স্পিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বলের গতি ও দিক একেবারে অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, যা খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।

১৮০০ সালের দিকে টেনিস বলের ওপর এখনকার মতো লোম ছিল না। তখন বলকে ঢেকে দেওয়া হতো গরম উলের কাপড়ে। পরে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ন্যাপযুক্ত বল চালু হয়, যা আজও টেনিস খেলাকে বৈজ্ঞানিক ও কৌশলগতভাবে আরও নিখুঁত করে তুলেছে।

সূত্র : সূত্রঃ কালবেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com