1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
‘৪০ কেজির মণ’ এখন ৪২ কেজি! রায়গঞ্জের হাটে সিন্ডিকেটের দাপটে দিশেহারা কৃষক লালমনিরহাটে ঘুমন্ত স্বামীকে গলা কেটে হত্যাচেষ্টা, স্ত্রী আটক ভূঞাপুর হাসপাতালে শিশুকে নিয়মিত টিকার বদলে জলাতঙ্কের ভ্যাকসিন, এলাকায় তোলপাড় নাটোরে ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন তরুণ নেতৃত্বের প্রতীক খন্দকার জুলহাস ভূঞাপুর উপজেলা পরিষদে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী ভূঞাপুরে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা : ৫ জনকে জরিমানা বগুড়ায় ৫ দফা দাবিতে বিড়ি শ্রমিকদের মানববন্ধন ও স্মারকলিপি প্রদান উল্লাপাড়ায় পুকুর খননের সময় উদ্ধার কষ্টিপাথরের প্রাচীন দুর্গা মূর্তি হাম পরিস্থিতির মাঝেই চোখ রাঙাচ্ছে ডিপথেরিয়া তাড়াশে নছিমন-অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষ,আহত ২

টেনিস বলের গায়ে এই লোম কেন থাকে? আসল রহস্য জেনে নিন

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : সোমবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১৪৪ Time View

দৃশ্যপট ডেস্ক

 

টেনিস খেলা যারা ভালোবাসেন কিংবা এর বল দিয়ে একসময় ক্রিকেট খেলেছেন, তাদের অনেকেরই মনে প্রশ্ন জাগে, টেনিস বলের গায়ে এই ছোট ছোট লোম বা তুলোর মতো অংশগুলো কেন থাকে?

 

 

যদি কখনো টেনিস ম্যাচ দেখে থাকেন তাহলে লক্ষ্য করবেন, প্রত্যেক খেলোয়াড় নতুন বল হাতে নেওয়ার পর তা ভালোভাবে পরীক্ষা করে দেখে। আসলে তারা বলের ওই সূক্ষ্ম লোমগুলোই খেয়াল করে।

 

যে কারণে লোম থাকে

 

 

টেনিস বলের পৃষ্ঠে থাকা অসংখ্য ক্ষুদ্র লোমগুলোকে ‘ন্যাপ’ বলা হয়। বলটি তৈরির সময় একটি প্রেশারাইজড রাবার বলের চারপাশে এই ন্যাপ বা সূক্ষ্ম লোমের আস্তরণ তৈরি করে। সাধারণত উল, নাইলন, তুলা বা এদের সংমিশ্রণে তৈরি হয় এই আবরণ।

 

 

এই ন্যাপের মূল কাজ হলো বলের গতিকে নিয়ন্ত্রণ করা। বাতাসের সঙ্গে ঘর্ষণ বাড়িয়ে এটি বলের গতি কিছুটা কমিয়ে আনে। ফলে বল দ্রুত নিচে পড়ে না, বরং বাতাসে কিছুটা ভাসে।

 

 

ধরা যাক, একজন খেলোয়াড় সার্ভ করলেন। বলের গতি তখন ঘণ্টায় প্রায় ১৫০ মাইল। কিন্তু প্রতিপক্ষের র‍্যাকেট ছুঁয়ে ফেরার সময় ঘর্ষণের কারণে সেই গতি নেমে আসে প্রায় ৫০ মাইল-এ। এই সূক্ষ্ম লোমগুলো বলের পেছনে এমন এক ধরনের বায়ুপ্রবাহ তৈরি করে, যা ব্যাক স্পিন বা টপ স্পিন তৈরি করতে সাহায্য করে। এর ফলে বলের গতি ও দিক একেবারে অনিশ্চিত হয়ে ওঠে, যা খেলাকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।

 

 

১৮০০ সালের দিকে টেনিস বলের ওপর এখনকার মতো লোম ছিল না। তখন বলকে ঢেকে দেওয়া হতো গরম উলের কাপড়ে। পরে প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ন্যাপযুক্ত বল চালু হয়, যা আজও টেনিস খেলাকে বৈজ্ঞানিক ও কৌশলগতভাবে আরও নিখুঁত করে তুলেছে।

 

 

সূত্র : কালবেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com