1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বুধবার, ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:১২ অপরাহ্ন

শুক্রাণুর মান উন্নত করে যে ৪ খাবার

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৯ Time View

দৃশ্যপট অনলাইনঃ 

 

বর্তমান সময়ে অনিয়মিত জীবনযাপন এবং খাদ্যাভ্যাসের কারণে পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বা ফার্টিলিটি নিয়ে নানা সমস্যা দেখা দিচ্ছে। তবে আশার কথা হলো, কেবল খাদ্যাভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তনের মাধ্যমেই শুক্রাণুর মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করা সম্ভব।

 

 

সম্প্রতি ভারতীয় সংবামাধ্যম এনডিটিভি ফুডের এক প্রতিবেদনে বিশেষজ্ঞ পুষ্টিবিদ কানুপ্রীত আরোরা নারাং জানিয়েছেন যে, সঠিক ডায়েট বা পুষ্টিকর খাবার শুক্রাণুর গুণমান বৃদ্ধিতে এবং প্রজনন স্বাস্থ্যের উন্নতিতে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। তিনি উল্লেখ করেন যে, যদিও জিনগত কারণ বা জীবনযাত্রার অন্যান্য প্রভাব থাকতে পারে, তবুও গবেষণায় দেখা গেছে যে পুষ্টিগুণে ভরপুর খাবার শুক্রাণুর গুণমানকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে এবং সন্তান গ্রহণের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়। বিশেষ করে জিংক, ওমেগা-৩ এবং প্রোটিনের মতো উপাদানগুলো প্রজনন ক্ষমতা বাড়াতে সরাসরি কাজ করে।

 

 

নিচে বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে এমন ৪ ধরনের খাবারের তালিকা দেওয়া হলো, যা শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সাহায্য করে:

 

 

১. জিংক সমৃদ্ধ খাবার

 

 

শুক্রাণুর সুস্বাস্থ্য এবং টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য জিংক অন্যতম সেরা পুষ্টি উপাদান। এটি শুক্রাণুর গুণমান বজায় রাখার পাশাপাশি এর ঘনত্ব বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। আপনার প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় মাছ, কাজু বাদাম এবং বিভিন্ন ধরনের বীজ (যেমন কুমড়োর বীজ) অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করুন।

 

 

২. ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড

 

 

ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন কমাতে পরিচিত। এটি শুক্রাণুর ডিএনএ-র ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি কমিয়ে দেয়। আখরোট (Walnuts), সামুদ্রিক মাছ, চিয়া সিড এবং হেম্প সিড ওমেগা-৩ এর চমৎকার উৎস হিসেবে কাজ করে।

 

 

৩. রঙিন ফল ও সবজি

 

 

একটি সুষম এবং রঙিন ডায়েট মানেই হলো শরীরে প্রচুর পরিমাণে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের উপস্থিতি। আপনার খাবারের থালায় যত বেশি রঙের ফল ও সবজি থাকবে, আপনি তত বেশি খনিজ ও ভিটামিন পাবেন যা শুক্রাণুর গুণমান উন্নত করতে সহায়ক। বিভিন্ন রঙের শাকসবজি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি করে।

 

 

৪. প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার

 

 

শরীরের কোষ গঠন এবং পুষ্টির জন্য প্রোটিন অপরিহার্য। এটি প্রজনন কোষের বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় ডাল বা লেবুজাতীয় খাবার, মুরগির মাংস এবং মাছ রাখা প্রয়োজন। এ ছাড়া নিরামিষাশীদের জন্যও প্রোটিনের অনেক সহজলভ্য উৎস রয়েছে।

 

 

সতর্কতা ও জীবনযাত্রা

 

 

খাবারের পাশাপাশি শুক্রাণুর মান ঠিক রাখতে অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান এবং ড্রাগ থেকে দূরে থাকা জরুরি, কারণ এগুলো শুক্রাণুর ডিএনএ-র ক্ষতি করতে পারে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত মানসিক চাপ এবং স্থূলতা হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট করে শুক্রাণু উৎপাদন কমিয়ে দেয়। তাই পুষ্টিকর খাবারের পাশাপাশি দুশ্চিন্তামুক্ত জীবনযাপন এবং নিয়মিত শরীরচর্চা পুরুষদের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হতে পারে।

 

 

তথ্যসূত্র: এনডিটিভি ফুড

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com