1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
‘২ লাখ নিছি’ ভিডিও ভাইরাল, প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন-শোকজ বাড়ির মধ্যেই ভেজাল সার-বালাইনাশক তৈরি, অতঃপর… বিএসটিআই’র অনুমোদন ছাড়াই মোজেরোলা চিজ উৎপাদন: ৫০ হাজার টাকা জরিমানা স্বামীকে ইতালি রেখে দেশে ফিরে প্রেমিককে নিয়ে উধাও ৪ সন্তানের জননী বিগত সরকারের আমলে বৈষম্য ও প্রতিকূলতার শিকার শাহজাহান সিরাজ কলেজ: শুক্লা ফুলবাড়ীতে বাঁশে হেলান দেওয়াই কাল হলো মুনের, বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মর্মান্তিক মৃত্যু কালিহাতীতে দুই মিষ্টির দোকানে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা মান্দায় যুবককে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ার অভিযোগে মামলা কালিয়াকৈরে দৃস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের মাঝে আর্থিক অনুদান প্রদান  নাসিরনগরে ডুবা থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার আতঙ্কে পুরো এলাকাবাসী

বিগত সরকারের আমলে বৈষম্য ও প্রতিকূলতার শিকার শাহজাহান সিরাজ কলেজ: শুক্লা

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭ Time View

 

 

 

মো. শাহ আলম, টাঙ্গাইল থেকে

 

 

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহযোগিতা এবং সাত একরেরও বেশি জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত টাঙ্গাইলের কালিহাতী শাহজাহান সিরাজ কলেজের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্‌যাপন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকাল ১১টায় কলেজের হলরুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক প্রয়াত শাজাহান সিরাজের স্ত্রী এবং কলেজের পরিচালনা পরিষদের দাতা সদস্য রাবেয়া সিরাজ।

কলেজের পরিচালনা পরিষদের সভাপতি, মহিলা ক্রীড়া সংস্থার চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন কালিহাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার। এতে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ মো. মজিবুর রহমান।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কলেজের পরিচালনা পরিষদের অভিভাবক সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন সিদ্দিকী (আরিফ) ও অভিভাবক সদস্য মো. জনি। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম।

প্রধান আলোচকের বক্তব্যে ব্যারিস্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সহযোগিতা ও অবদান ছাড়া শাহজাহান সিরাজ কলেজ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হতো না। তাঁর সহযোগিতায় সাত একরেরও বেশি জমি চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে কলেজ প্রতিষ্ঠার সুযোগ তৈরি হয়। ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে বিশাল জায়গা, সুবিশাল খেলার মাঠসহ কলেজ প্রতিষ্ঠার পেছনে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।

তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের এই অবদান আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি। তাঁর অবদান ছাড়া এই বিশাল জায়গায় কলেজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হতো না।”

কলেজটির সঙ্গে নিজের পারিবারিক আবেগের কথা তুলে ধরে সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক শুধু একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নয়; এর সঙ্গে পরিবারের আবেগও জড়িয়ে আছে। তাঁর মায়ের গহনা বিক্রি করে পাওয়া অর্থ দিয়েও কলেজের শুরুর দিকে সহযোগিতা করা হয়েছিল বলে জানান তিনি।

তিনি বলেন, “এ কারণে এই কলেজের প্রতি আমার ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা অনেক বেশি। আমি আমৃত্যু এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে থাকতে চাই।”

বিগত সরকারের সময়ে কলেজটি বৈষম্য ও নানা প্রতিকূলতার শিকার হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন সারওয়াত সিরাজ শুক্লা। তাঁর দাবি, ওই সময়ে কলেজের জন্য উল্লেখযোগ্য কোনো উন্নয়নমূলক কাজ করা হয়নি। তাঁর ভাষ্য, কলেজের দায়িত্ব নেওয়ার পর পরিচালনা কমিটি একাধিকবার ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং এমনকি তাঁকে কলেজে প্রবেশ করতেও বাধা দেওয়া হয়েছিল।

নিজের বাবা প্রয়াত শাজাহান সিরাজের নামে কলেজটির নামকরণের জন্য দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের কথাও তুলে ধরেন তিনি। সারওয়াত সিরাজ শুক্লা বলেন, বাবার নামে কলেজের নামকরণের জন্য প্রায় ছয় বছর সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করতে হয়েছে। দীর্ঘ সংগ্রামের পর নামকরণ সম্ভব হলেও নামফলক কলেজের গেটে স্থাপনের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতার মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সময়ে কলেজের উন্নয়নের আশ্বাস দেওয়া হলেও বাস্তবে প্রত্যাশিত সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। তবে ভবিষ্যতে প্রতিষ্ঠানটির সার্বিক উন্নয়নের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আমলে এই কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। আশা করি, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে এই কলেজের সার্বিক উন্নয়ন হবে। ইনশাআল্লাহ, আমরা এই প্রতিষ্ঠানকে আরও এগিয়ে নিতে পারব।”

অনুষ্ঠানে কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে কলেজ প্রাঙ্গণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষার্থীরা নাচ, গানসহ বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com