1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ১১:৩৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
রায়গঞ্জে হত্যা মামলায়: ১৮ বছর পর স্বামী-স্ত্রী-কন্যাসহ ৫ জনের যাবজ্জীবন রায়গঞ্জে সেরার মুকুট ধরে রাখল ধানগড়া মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয় আলমডাঙ্গায় মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত বাকপ্রতিবন্ধীর মৃত্যু ভূঞাপুরে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ উদ্বোধন টেকনাফের বাহারছড়ায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে ১০৪ লিটার দেশীয় মদ জব্দ, আটক ১ বিজিবির অভিযানে যশোরে প্রায় ২৪ লক্ষ টাকার স্বর্ণের বারসহ আটক-১ ‎ সলঙ্গার হাট বাজারে চাঁই- ধিয়াল বিক্রির ধুম প্রত্যন্ত পল্লী এলাকায় নারী শিক্ষার আলো ছড়ানো অলিদহ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ভবন সংকটে উখিয়ার জালিয়াপালংয়ে বন্যার্তদের পাশে এমপি শাহজাহান চৌধুরী, ত্রাণ বিতরণ চুয়াডাঙ্গা জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত, সন্ত্রাস ও মাদক নির্মূলে জিরো টলারেন্স ঘোষণা

সলঙ্গার হাট বাজারে চাঁই- ধিয়াল বিক্রির ধুম

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১৩ Time View

 

 

সলঙ্গা (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি 

 

বর্ষাকালের মাঝামাঝি আষাঢ় মাসে টানা বৃষ্টিতে খাল-বিল,নদী-নালা ও মাঠ পানিতে ভরে উঠেছে।আর বর্ষার এই পানির সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে দেশীয় প্রজাতির ছোট মাছ ধরার প্রাচীন উপকরণ চাঁই বা খলশানির চাহিদা। তবে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গা এলাকায় এ উপকরণ ‘ধিয়াল’ বা ‘দারকি’ নামে বেশি পরিচিত।

 

সিরাজগঞ্জের ঐতিহাসিক সলঙ্গা হাটসহ থানার ছয়টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হাট-বাজারে এখন ধিয়াল-খলশানি বিক্রির ধুম পড়েছে।বর্ষার পানি যত বাড়ছে,ধিয়াল-খলশানির বিক্রিও তত বাড়ছে।

 

গতকাল সোমবার সলঙ্গা হাট ঘুরে দেখা যায়,বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ক্রেতারা পছন্দমতো ধিয়াল-খলশানি দরদাম করে কিনছেন।অনেক পরিবারই বাঁশ দিয়ে এসব মাছ ধরার ফাঁদ তৈরি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। আকারভেদে প্রতিটি ধিয়াল-খলশানি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

 

সলঙ্গা ছাড়াও নলকা,সাহেবগঞ্জ, ভুইয়াগাঁতী,ঘুড়কা,পাঁচলিয়া ও উনুখা হাটে নিয়মিত এসব ধিয়াল-খলশানি বিক্রি হয়।

 

সলঙ্গা হাটে ধিয়াল-খলশানি বিক্রি করতে আসা ধুবিল কাটার মহল,কালিবাড়ি ও মালতিনগর গ্রামের কারিগর পরিমল চন্দ্র,বাসুদেব,নিজাম ও জফের আলী জানান,বাঁশ দিয়ে ধিয়াল-খলশানি তৈরি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য কাজ।পরিবারের নারীদের সহযোগীতা ছাড়া এ কাজ করা সম্ভব নয়। গৃহস্থালির কাজের ফাঁকে নারীরা এসব তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।প্রতি সপ্তাহে তারা পাঁচ থেকে ছয়টি ধিয়াল-খলশানি তৈরি করেন।

 

কারিগরদের অভিযোগ,প্রচুর পরিশ্রমের তুলনায় তারা আশানুরূপ দাম পান না তারা।এ ছাড়া কৃষিজমিতে কীটনাশকের ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় দেশীয় ছোট মাছের সংখ্যা কমে গেছে।ফলে আগের মতো ধিয়াল-খলশানির চাহিদাও আর নেই।

 

থানার বওলাতলা গ্রামের কৃষক দানেচ আলী জানান,খাল-বিল ও মাঠে মাছ ধরার জন্য তিনি ৩৫০ টাকা করে তিনটি ধিয়াল-খলশানি কিনেছেন।এসব ধিয়ালে পুঁটি,মোয়া,চিংড়ি,দাড়কিয়া ও ছোট কৈসহ বিভিন্ন দেশীয় মাছ ধরা পড়ে।

 

গ্রামীণ ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ধিয়াল-খলশানি এখনও বর্ষা মৌসুমে অনেক মানুষের আয়ের উৎস এবং দেশীয় মাছ ধরার অন্যতম কার্যকর উপকরণ হলেও পরিবেশগত পরিবর্তন ও মাছের সংকটের কারণে এ প্রাচীন পেশা এখন নানা চ্যালেঞ্জের মুখে।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com