
পারভেজ বাঙালী,চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের বন্দর থানাধীন গোসাইলডাঙ্গা শ্মশান কালীবাড়ি মন্দিরে চুরির ঘটনার মূল হোতাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সিএমপির বন্দর থানা পুলিশের একটি বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এ সময় তার হেফাজত থেকে চোরাইকৃত মালামাল বিক্রির নগদ ১১,৫৩৮ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম মো: আরমান (৩৩)। সে পটুয়াখালী জেলার বাউফল থানার কালাইয়া এলাকার মৃত মনির হোসেনের ছেলে। বর্তমানে সে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানার দক্ষিণ কাট্টলী রূপালী আবাসিক এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস আসছিল।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ২৫শে জুন গভীর রাতে অজ্ঞাতনামা চোর বা চোরেরা বন্দর থানাধীন মধ্যম গোসাইলডাঙ্গা, বিনাগ লেইন এলাকার গোসাইলডাঙ্গা শ্মশান কালীবাড়ি মন্দিরে প্রবেশ করে। চোরেরা মন্দিরের মূর্তি থেকে আনুমানিক ১ লক্ষ টাকা মূল্যের স্বর্ণালংকার এবং ১ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের রূপার অলংকার চুরি করে নিয়ে যায়। এই চুরির ঘটনায় পরবর্তীতে বন্দর থানায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়।
মামলা রুজুর পর বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জনাব মো: আবদুর রহিমের নেতৃত্বে তদন্তে নামে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল ২৭শে জুন রাতে বন্দর থানার এসআই খায়রুল বাসার সাজিদ, সংঙ্গীয় অফিসার ও ফোর্সসহ নগরীর সাগরিকা রোডের বিটাক মোড় সংলগ্ন তিতাস ফার্মেসি এলাকায় এক অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে চুরির ঘটনার মূল হোতা মো: আরমানকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
এ বিষয়ে বন্দর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: আবদুর রহিম জানান, মন্দিরে চুরির ঘটনার পরপরই পুলিশ আসামিদের শনাক্ত ও মালামাল উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় মূল হোতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং তার কাছ থেকে চোরাই মাল বিক্রির কিছু নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, এই চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হচ্ছে।