1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ১০:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
গঙ্গাচড়ায় এক বছর যেতে না যেতেই এলজিইডির ১৪ লক্ষ টাকা নদী গর্ভে বিলীন  দৈনিক অগ্রযাত্রা প্রতিদিন–এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. রেজানুর ইসলামের জামিন মঞ্জুর বিশ্ব বাবা দিবস আজ চুরির অভিযোগে যুবককে পিটিয়ে হত্যা: কোতোয়ালিতে ২ স্কুল প্রহরী আটক বেনাপোল সীমান্তে প্রায় ১০ লক্ষ টাকার ভারতীয় চোরাচালানী মালামাল আটক শাহজাদপুরে পুলিশের অভিযানে দেড় লাখ টাকার অবৈধ ‘চায়না দুয়ারি’ জাল জব্দ, পুড়িয়ে ধ্বংস রায়গঞ্জে এক স্ত্রী নিয়ে দুই স্বামীর টানাটানি! বাঁশখালী হাসপাতালে চিকিৎসা অবহেলায় শিশু মৃত্যুর অভিযোগ মান্দায় নারী শিক্ষককে উত্ত্যক্তের অভিযোগে শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন, কর্তৃপক্ষের শোকজ মেহেদী হত্যার বিচার দাবিতে উত্তাল রামগঞ্জ 

গঙ্গাচড়ায় এক বছর যেতে না যেতেই এলজিইডির ১৪ লক্ষ টাকা নদী গর্ভে বিলীন 

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ১ Time View

 

 

রিয়াজুল হক সাগর, রংপুর

 

রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথ সাথেই দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে আবারও ভাঙন শুরু হয়েছে। গত বছর নদীগর্ভে বিলীন হওয়া বাঁধের অংশ রক্ষায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) প্রায় ১৪ লাখ টাকা ব্যয়ে যে বাঁশের পাইলিং নির্মাণ করেছিলেন এবারে সামান্য বন্যার পানির চাপেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফলে নতুন করে প্রায় ২৫ মিটার বাঁধ  নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

 

জানা যায়,গতকাল শনিবার ডালিয়া পানি নিয়ন্ত্রণ ব্যারেজ কর্তৃপক্ষ তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি গেট খুলে দিলে নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পায়। পরে পানি বিপৎসীমার ৫ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হলে মহিপুর সেতু রক্ষা বাঁধের পশ্চিম অংশে ভাঙন শুরু হয়। স্থানীয়দরা বলেন বাঁধ রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে মহিপুর তিস্তা সেতু এবং রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়ক মারাত্মক ভারে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে আশঙ্কা করছেন ।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত বছর দ্বিতীয় তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধের প্রায় ১০০ মিটার অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এরপর এলজিইডির উদ্যোগে বাঁশের পাইলিং নির্মাণ করা হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বর্তমানে ভাঙনস্থলে প্রায় ৩৫ ফুট হইতে ৪০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

 

ভাঙনের কারণে রংপুর-লালমনিরহাট আঞ্চলিক সড়কের পাশাপাশি লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের তিনটি গ্রামের প্রায় হাজার অধিক পরিবার হুমকির মুখে পড়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ৩০ হইতে ৩৫ হাজার মানুষ চলাচল করেন। সেতু বা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলে পুরো অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে।

 

বাঁধসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মেনানাফ, কাইয়ুম, বায়েজিদ বলেন, “বছরের প্রথম বন্যাতে ভাঙন শুরু হয়েছে। আমরা সবসময় আতঙ্কের মধ্যে থাকি।”

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী শাহনাজ বেগম বলেন, “এই সড়ক দিয়েই প্রতিদিন শহরে যাতায়াত করি। সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে আমাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে।

 

 

 

কৃষক খোরশেদ আলী অভিযোগ করে বলেন, “বাঁধ ভেঙে গেলে শুধু সেতু নয়, আমাদের আবাদি জমিও নদীগর্ভে বিলীন হবে। এলজিইডি কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।”

 

লক্ষ্মীটারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল হাদী বলেন, “বাঁশের পাইলিং নির্মাণের সময়ই আমরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলাম এটি টিকবে না। সরকারের ১৪ লাখ টাকা ব্যয় হলেও প্রথম পানির চাপেই পাইলিং ভেঙে গেছে। এখন আবার বাঁধেও ভাঙন দেখা দিয়েছে। এখনই যদি কার্যকর ব্যবস্থা তাহলে লক্ষ্মী টারি ইউনিয়নের লোকজন হুমকির মধ্যে পড়বে।

 

এ বিষয়ে গঙ্গাচড়া উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী শাহ মো. ওবায়দুল রহমান বলেন তিস্তা সেতু রক্ষা বাঁধে ভাঙন দেখা দেওয়ায় বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে, কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জেসমিন আক্তার বলেন আমরা উপজেলা প্রকৌশলীসহ ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধ পরিদর্শন করেছি বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে আশা করি অল্প সময়ের মধ্যে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com