
পারভেজ বাঙালী,চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হককে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে ঘটনার দুই দিন পেরিয়ে গেলেও মূল অভিযুক্তদের কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। এখনো দায়ের হয়নি হত্যা মামলাও।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাউজানের পাহাড়তলী চৌমুহনী বাজারে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডে স্থানীয় ‘রায়হান বাহিনী’র সদস্যরা অংশ নেয়। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, প্রথমে দুজন হামলাকারী মাকসুদুল হককে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আরও তিনজন এগিয়ে এসে কাছ থেকে গুলি করে পালিয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, শনাক্ত হওয়া ব্যক্তিরা বিভিন্ন অপরাধ মামলার আসামি এবং তাদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। অভিযুক্তদের ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে রাউজান থানা পুলিশ।
এদিকে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো কোনো এজাহার দায়ের হয়নি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দাফন সম্পন্ন হওয়ার পর দ্রুতই হত্যা মামলা করা হবে।
রাউজান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, “সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে এ মুহূর্তে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা যাচ্ছে না।”
তিনি আরও জানান, হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা এজাহার পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হবে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
ঘটনার পর থেকে এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি খুনিদের শনাক্ত করার পরও গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।