
রায়গঞ্জ( সিরাজগঞ্জ )প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা থানায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রেখে আলোচনায় এসেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (রায়গঞ্জ সার্কেল) মো. সাইফুল ইসলাম খান। তাঁর নেতৃত্বে কিশোর গ্যাং, মাদক, চুরি, ছিনতাই, জুয়াসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই তিনি তিন থানার সার্বিক কার্যক্রম নিবিড়ভাবে তদারকি করছেন। নিয়মিত অভিযান ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের ফলে এলাকায় অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন এসেছে বলে স্থানীয়দের দাবি।
এলাকাবাসীর মতে, মো. সাইফুল ইসলাম খান একজন দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি সাধারণ মানুষের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে শোনেন এবং সমস্যা সমাধানে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। ফলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়েছে।
সম্প্রতি কিশোর গ্যাংয়ের তৎপরতা নিয়ে উদ্বেগের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান বলেন, “কিশোর গ্যাংয়ের কার্যক্রম নিয়ে অনেকেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। কিশোর অপরাধে জড়িত গ্যাং এবং তাদের অপরাধ সংঘটনের স্থান সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহে আমরা নিরলসভাবে কাজ করছি। গত ২ জুন সংঘটিত অপহরণ ও চাঁদাবাজির মতো গুরুতর অপরাধের তথ্য পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। কিশোর অপরাধ দমনে আমরা বদ্ধপরিকর। আজ থেকে গ্যাং দমনে বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “জনসাধারণের সহযোগিতা আমাদের এ কার্যক্রমকে আরও ফলপ্রসূ করবে। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, মাদক নির্মূল এবং আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করছে। রায়গঞ্জ সার্কেলের আওতাধীন এলাকায় কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক, সন্ত্রাস ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে আমাদের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে।”
রায়গঞ্জ, তাড়াশ ও সলঙ্গা এলাকায় বিভিন্ন সামাজিক, শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক কর্মসূচিতেও সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছেন তিনি। বিশেষ করে তরুণদের মাদক ও অপরাধ থেকে দূরে রাখতে নিয়মিত সচেতনতামূলক সভা ও উদ্বুদ্ধকরণ কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষক, জনপ্রতিনিধি ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা বলেন, তাঁর পেশাদারিত্ব, সততা ও কর্মদক্ষতা পুলিশি কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করেছে। একই সঙ্গে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন।
সচেতন মহলের মতে, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রেখে অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সাইফুল ইসলাম খান। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, তাঁর নেতৃত্বে রায়গঞ্জ সার্কেলের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও উন্নত হবে এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ইতিবাচক অগ্রগতি অব্যাহত থাকবে।