1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
সেমিফাইনালে বাংলাদেশ ইরান যুদ্ধ থামাতে একজোট হচ্ছে প্রভাবশালী ৪ মুসলিম দেশ প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর প্রথমবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে তারেক রহমান রংপুরে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নারীর মৃত্যু, একই পরিবারের চারজন আহত কুড়িগ্রামে জ্বালানি সংকটে ফিলিং স্টেশনে দীর্ঘ লাইন মিলছে না তেল নানির শখ পূরণ করলেন নানা,নাতনির ওজনের পরিমাণ কয়েন টাকা উপহার রায়গঞ্জে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে   টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার হাতিয়ে উধাও প্রতারক  বর্তমান পোশাকে সন্তুষ্ট নয় পুলিশ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যরাতে তেলের ডিপো পরিদর্শনে জ্বালানিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জে মূল্য তালিকা ছাড়া তেল বিক্রি, জরিমান করলেন এসিল্যান্ড

তিস্তার চরে তরমুজে স্বপ্ন বুনছেন চাষিরা

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২০ Time View

ডিমলা (নীলফামারী) প্রতিনিধি
 

 

নীলফামারী জেলার তিস্তা নদীর চরাঞ্চলে তরমুজ চাষ কৃষকদের জীবনে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। এক সময় অনাবাদি পড়ে থাকা বালুচর এখন সবুজ লতায় ছেয়ে গেছে। ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত সেচ, পরিচর্যা ও আগাছা পরিষ্কারে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চরাঞ্চলের কৃষকরা। চলতি মৌসুমে জেলার তিস্তার বাঘের চরসহ বিভিন্ন চর এলাকায় প্রায় ৩০০ বিঘা জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে।

 

 

এ বছর তিস্তার চরাঞ্চলে মূলত স্যান্ডবার পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করা হচ্ছে। এ পদ্ধতিতে নদীর বালুময় জমিতে নির্দিষ্ট দূরত্বে গর্ত করে জৈব সার ও প্রয়োজনীয় সার মিশিয়ে চারা রোপণ করা হয়। বালুমিশ্রিত জমিতে পানি জমে থাকে না এবং মাটির ভেতরে বাতাস চলাচল ভালো থাকায় তরমুজের শিকড় দ্রুত ছড়াতে পারে। ফলে তুলনামূলক কম খরচে ভালো ফলন পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। কৃষি বিভাগ বলছে, চরাঞ্চলের জন্য এই পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকর।

 

 

কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অল্প সময়ে ফলন পাওয়া যায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় গত বছরের তুলনায় এ বছর তরমুজ চাষে আগ্রহ বেড়েছে। অনেক কৃষক গম, ভুট্টা ও অন্যান্য ফসলের পাশাপাশি তরমুজ চাষে ঝুঁকছেন। এতে একদিকে জমির সঠিক ব্যবহার হচ্ছে, অন্যদিকে বাড়ছে আয়ের সুযোগ।

 

 

ডিমলা উপজেলার টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের তিস্তার চর এলাকার কৃষক বেলাল হোসেন বলেন, তিনি ৪০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করেছেন। এখন পর্যন্ত গাছ ভালো রয়েছে। বাজারদর ভালো থাকলে লাভবান হবেন বলে আশা করছেন তিনি। একই এলাকার কৃষক নাসির উদ্দিন জানান, গত বছর ১২ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করে ভালো লাভ হয়েছিল। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই এ বছর তিনি ৭০ বিঘা জমিতে আবাদ শুরু করেছেন।

 

 

কৃষকরা জানান, এ বছর টানা ১৫ দিন শৈত্যপ্রবাহ থাকায় মৌসুমের শুরুতে চারা বৃদ্ধিতে কিছুটা সমস্যা দেখা দিয়েছিল। তবে বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছের বৃদ্ধি সন্তোষজনক। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই প্রথম দফায় তরমুজ বাজারজাত করা সম্ভব হবে। দ্বিতীয় দফায় রোপণ করা জমির তরমুজ পুরো রমজান মাসজুড়ে বাজারে সরবরাহ করা যাবে। যদিও কালবৈশাখী ঝড় ও অতিবৃষ্টির আশঙ্কায় নিয়মিত জমির দেখভাল করতে হচ্ছে বলে জানান তারা।

 

 

নীলফামারী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, তিস্তার চরাঞ্চলে প্রতি বিঘা জমিতে গড়ে ১ থেকে ২ লাখ টাকার তরমুজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। বাজারদর অনুকূলে থাকলে চরাঞ্চলের কৃষকদের আয় বাড়বে। পাশাপাশি চাষাবাদ, ফসল সংগ্রহ, পরিবহন ও বাজারজাতকরণে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে।

 

 

কৃষি অধিদপ্তরের ডিমলা উপজেলা কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না বলেন, তিস্তার চরে তিনজন প্রদর্শনী কৃষকের মাধ্যমে স্যান্ডবার পদ্ধতিতে প্রায় ২৫ কৃষক ৩০০ বিঘা জমিতে তরমুজ চাষ করছেন। প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ থেকে ৬৫ টাকা দরে বিক্রির সম্ভাবনা রয়েছে। প্রতিটি তরমুজের ওজন ৬ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। শুরু থেকেই কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

 

 

তিনি আরও বলেন, বর্তমানে চরের প্রধান সমস্যা সেচ। চলতি মৌসুমে ওই কৃষকদের মধ্যে ডিজেলচালিত পাম্প ও ফিতা পাইপ বিতরণ করা হবে। ভবিষ্যতে প্রায় ১০০ হেক্টর জমিতে স্যান্ডবার পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ সম্প্রসারণের পরিকল্পনাও রয়েছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com