1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শিশুবান্ধব সমাজের অঙ্গীকার—রায়গঞ্জে জেগে উঠল শিশু অধিকার সচেতনতা রায়গঞ্জের সাংবাদিক আশরাফ আলীর মাতার জানাযা সম্পন্ন  তাড়াশে ক্যান্সার আক্রান্ত জাহাঙ্গীরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ব্যবসায়ী উজ্জল ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে দুই যুবদল নেতার অর্থদণ্ড মহড়ায় সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩ উল্লাপাড়ায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার একযোগে পদত্যাগ করলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০ নেতা জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের সময় বিষক্রিয়ায় প্রাণ গেল কৃষকের

যমুনায় তীব্র ভাঙ্গন, দিশেহারা ৯ গ্রামের  মানুষ 

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : শনিবার, ১ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১১২ Time View

নিজস্ব প্রতিনিধি :

বর্ষা-শরৎ শেষে হেমন্ত ঋতুর ১৫ দিন চলে গেছে-এমন শুস্ক মৌসুমেও যমুনার নদীর ভাঙনে দিশেহারা হয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর উপজেলার ২টি ইউনিয়নের ৯ গ্রামের মানুষ। চলতি বছর বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে এসব অঞ্চলে ভাঙন শুরু হয়ে এখন পর্যন্তও অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে ৫ শতাধিক বাড়িঘরসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। বিলিনের পথে রয়েছে ধীতপুর কুরসি হাট-বাজারসহ শত শত বিঘা ফসলী জমি।

জানা যায়, উপজেলার সোনাতনী ইউনিয়নের মাকড়া, ধীতপুর, শ্রীপুর, কুরসি, বারপাখিয়া ও লোহিন্দাকান্দি এবং গালা ইউনিয়নের বৃ-হাতকোড়া ও মোহনপুর গ্রামে শুস্ক মৌসুমেও চলছে তীব্র ভাঙন। ভাঙনের তাণ্ডবে এসব গ্রামের শত শত বিঘা  ফসলি জমি, ৫ শতাধিক বাড়িঘর, ২টি মসজিদ, ২টি মাদ্রাসা ও ১টি কবরস্থান যমুনা গর্ভে বিলিন হয়ে গেছে।

এছাড়া ধীতপুর-কুরসি গ্রামের ২টি হাট-বাজারের অর্ধেক অংশ নদীগর্ভে বিলিন হয়ে গেছে। ভাঙন কবলিত মানুষগুলো বলেন, ভাঙনরোধে অতি তাড়াতাড়ি ব্যবস্থা না নিলে কয়েকদিনের মধ্যে এই হাট দুটি যমুনায় বিলিন হবে। তারা বলেন, যেখানে গত ১ মাস আগেও  বাড়িঘর ছিল, এখন সেখানে অথৈ পানি।

ধীতপুর গ্রামের সাত্তার প্রামানিক, আসমা খাতুন, চম্পা বেগমসহ একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যমুনা পারের এসব জমিতে ধান, বাদাম ও শীতকালীন সবজি আবাদ হয়ে থাকে। ৮৮ সাল থেকে এখানে নদীভাঙন চলছে। আমরা ১০ থেকে ১২ দফায় ভাঙনের কবলে পড়েছি।

কমেলা খাতুন, বাতেন বেপারি, রাজ্জাক সরদার আব্দুস সামাদ ও মনোয়ারা বেগম বলেন, এ পর্যন্ত ১২/১৪ বার বাড়িঘর ও ফসলি জমি যমুনা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। আবারও ভাঙ্গণের কবলে পড়েছেন তারা। এখন তাদের রাত কাটে ভাঙ্গণ আতংকে।

সোনাতনী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শামছুল হক বলেন, গত এক বছরে সোনাতনী ইউনিয়নের শ্রীপুর থেকে বারোপাখিয়া পর্যন্ত ৫/৬টি গ্রামের প্রায় ৪/৫‘শ বাড়িঘর, ২টি মসজিদ, ২টি মাদ্রাসা ও ১টি কবরস্থান যমুনা নদীতে চলে গেছে। এই ভাঙ্গণরোধে এখানে দ্রুত বাঁধ নির্মাণ প্রয়োজন। এ ব্যাপারে সরকারের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

শাহজাদপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ৫/৬ বছরে এ ২টি ইউনিয়নের গ্রামগুলিতে কমপক্ষে ২৭০ হেক্টোর ফসলি জমি যমুনা নদীগর্ভে বিলিন হয়েছে। গব কয়েক মাসের ভাঙ্গণে ৭০ থেকে ১০০ হেক্টোর আবাদি জমি নদীতে বিলীন হওয়ায় কৃষকের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর বিপরিত পাশেই ৮০/৯০ হেক্টর বালুর চর জেগে উঠেছে। কিন্তু তা এখনও আবাদযোগ্য হয়ে ওঠেনি।

যমুনার ভাঙ্গণ তান্ডবে এ ইউনিয়নের জমির পরিমাণ কমে যাওয়ায় মানুষ জন অসহায় হয়ে পড়েছে। যে সব ফসলি জমি ভেঙ্গে গেছে, সে সব জমির মালিক তাৎক্ষণিক ভাবে চরম ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন। কৃষি বিভাগ থেকে তাদের প্রনদোনা দিয়ে এ ক্ষতি কিছুটা লাঘবে সহায়ক ভূমিকা রাখছে।

শাহজাদপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: কামরুজ্জামান বলেন, ইতোমধ্যেই করিসী-ধীতপুরের ভাঙ্গণ এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন করা হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমান নিরুপণ করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। অপরদিকে এ ভাঙ্গণরোধে ব্যবস্থা নিতে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডকে বলেছি। তারা ভাঙ্গণ এলাকায় দ্রুত বস্তা ফেলার ব্যবস্থা করবেন বলে জানিয়েছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com