1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে সরকারের নানা কর্মসূচি চুয়াডাঙ্গায় দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ লেখা স্কুলছাত্রীদের শনাক্ত করেছে পুলিশ বিএনপির শোভাযাত্রা শনিবার, নেতৃত্ব দেবেন তারেক রহমান চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে গুলির পর আহত অবস্থায় বাংলাদেশিকে ‘ধরে নিয়ে গেছে’ বিএসএফ স্বামী নেই,তিন সন্তানের মুখে হাসি ফোটাতে নাদিরার পাশে ‘জনতার ঈশ্বরগঞ্জ’ রংপুরে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত কবি-লেখক মিলনমেলা আলট্রাসনোগ্রামে দেখা গেল যমজ সন্তান, সিজারের পর দেওয়া হলো একটি ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল: প্রধানমন্ত্রী বহুরূপী দল আছে একটা, আর মাটির নিচে চলে গেছে আওয়ামী লীগ: বিদ্যুৎমন্ত্রী মান্দায় জমি নিয়ে বিরোধ, প্রতিপক্ষের মারধরে নারীসহ আহত ৩

ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কোথাও উল্লেখ নেই যে, আবু সাঈদের মৃত্যু মাথার আঘাতে হয়েছে

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২৮৬ Time View

রিয়াজুল হক সাগর,রংপুর প্রতিনিধি:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম শহীদ আবু সাঈদের মৃত্যুর কারণ মাথার আঘাত নয় বলে জানিয়েছেন রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের চিকিৎসক ডা. রজিবুল ইসলাম। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে কোথাও উল্লেখ করা হয়নি যে, আবু সাঈদের মৃত্যু মাথার আঘাতে হয়েছে।মঙ্গলবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ তথ্য জানান। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চাপে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনে মাথার আঘাতের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছিল দাবি করে ডা. রজিবুল ইসলাম বলেন, প্রতিবেদনটি জোরপূর্বক কয়েকবার পরিবর্তন করা হয়েছে। অবশেষে ৩০ জুলাই প্রতিবেদনটি চূড়ান্তভাবে দাখিল করা হয়।ডা. রজিবুল আরও বলেন, আবু সাঈদের শরীরে অসংখ্য ছররার আঘাত ছিল, যা অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ ঘটায়। তার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যা তার মৃত্যুর প্রধান কারণ। মাথার আঘাতের কারণে মৃত্যুর কোনো প্রমাণ নেই।তিনি অভিযোগ করে বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য প্রচার করা হচ্ছে, যা ফরেনসিক চিকিৎসকদের সুনাম ক্ষুণ্ন করছে। এখন এটি একটি বিচারিক বিষয় এবং আমি আদালতে আমার ব্যাখ্যা দেবো।উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। তিনি বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) ইংরেজি বিভাগের ১২তম ব্যাচের ছাত্র ছিলেন।এ ঘটনায় ১৮ আগস্ট আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী রংপুর মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হত্যা মামলা করেন। মামলায় পুলিশের সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, রংপুর ডিআইজি আব্দুল বাতেন, মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামানসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এছাড়া ৩০-৩৫ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করা হয়। আবু সাঈদের মৃত্যুর ঘটনায় এখন পর্যন্ত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে গ্রেফতার করা হয়েছে।এরআগে ১৭ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় অজ্ঞাতপরিচয় ২-৩ হাজার জনের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ এবং আবু সাঈদকে হত্যার অভিযোগে মামলা করেন। মামলায় দাবি করা হয়, আন্দোলনকারীদের গোলাগুলি এবং পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের মধ্যে আবু সাঈদ নিহত হন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com