1. thedailydrishyapat@gmail.com : TheDaily Drishyapat : TheDaily Drishyapat
  2. info@pratidinerdrishyapat.com : Pratidiner Drishyapat : Pratidiner Drishyapat
  3. admin@thedailydrishyapat.com : admin :
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ সংবাদ
শিশুবান্ধব সমাজের অঙ্গীকার—রায়গঞ্জে জেগে উঠল শিশু অধিকার সচেতনতা রায়গঞ্জের সাংবাদিক আশরাফ আলীর মাতার জানাযা সম্পন্ন  তাড়াশে ক্যান্সার আক্রান্ত জাহাঙ্গীরের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন ব্যবসায়ী উজ্জল ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ  যমুনায় অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে দুই যুবদল নেতার অর্থদণ্ড মহড়ায় সফল ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ বাংলাদেশ নৌবাহিনীর কুড়িগ্রামে জমি নিয়ে দু’পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩ উল্লাপাড়ায় এক বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার একযোগে পদত্যাগ করলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৫০ নেতা জমিতে কীটনাশক প্রয়োগের সময় বিষক্রিয়ায় প্রাণ গেল কৃষকের

বাচ্চার জন্য কোন ডিম সবচেয়ে ভালো

সংবাদ প্রকাশক:
  • Update Time : বুধবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৪৪ Time View

 

দৃশ্যপট স্বাস্থ্য ডেস্ক রিপোর্টঃ

ডিম বাচ্চার জন্য একদম আদর্শ খাবার। এতে থাকে প্রোটিন, আয়রন, ক্যালসিয়াম, কোলিন এবং ভিটামিন, যা মস্তিষ্ক, হাড় ও শরীরের বিকাশে সাহায্য করে। তবে সব ডিম সমান নয়, তাই জানুন কোন ডিম বাচ্চার জন্য কতটা নিরাপদ ও পুষ্টিকর।

কোয়েলের ডিম

– ছোট হলেও পুষ্টিতে ঘন। আয়রন, ভিটামিন বি১২, জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম বেশি।

– হজমে সহজ।

তবে প্রথমবার অল্প দিতে হবে, কারণ কিছু বাচ্চার ক্ষেত্রে এলার্জি হতে পারে।

উপযুক্ত বয়স: ৮ মাসের পর, সিদ্ধ করে কুসুম দিয়ে শুরু করুন।

দেশি মুরগির ডিম

– সবচেয়ে নিরাপদ ও পুষ্টিকর।

– প্রোটিন, ওমেগা-৩, কোলিন ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ।

– কোনো হরমোন বা কেমিক্যাল ছাড়া প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত।

– নিয়মিত দিলে মস্তিষ্কের বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে।

উপযুক্ত বয়স: ৭ মাসের পর, প্রথমে কুসুম দিয়ে শুরু, পরে সাদা অংশ যোগ করুন।

ব্রয়লার মুরগির ডিম

– দাম কম ও সহজলভ্য। ওজন বেশি, পুষ্টিগুণও বেশি।

– সব ধরনের প্রায় ১১টি খনিজ আছে। একটি ডিমে প্রায় ৪০ গ্রাম ক্যালরি।

তবে অনেক সময় হরমোন বা অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। রোদে কম যাওয়ায় ভিটামিন-ডি কম থাকে।

হাঁসের ডিম

– প্রোটিন বেশি, কিন্তু কোলেস্টেরলও বেশি।

– হজমে ভারি, তাই ছোট বাচ্চার জন্য ঠিক নয়।

উপযুক্ত বয়স: ২ বছরের পর অল্প পরিমাণে দেওয়া যেতে পারে।

বিশেষ পরামর্শ

– সবসময় ডিম ভালোভাবে সিদ্ধ করে দিন।

– নতুন ডিম প্রথমবার অল্প পরিমাণে দিন এবং ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন অ্যালার্জি হয় কি না।

– কুসুম দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে সাদা অংশ দিন।

– পুষ্টি ও নিরাপত্তার দিক থেকে দেশি মুরগির ডিম বাচ্চার জন্য সেরা।

সূত্র: কালবেলা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
প্রতিদিনের দৃশ্যপট ২০২৪
Theme Customized BY Kh Raad (FriliX Group)
Raytahost Facebook Sharing Powered By : Raytahost.com